jugantor
চবিতে ছাত্রলীগের দু\' গ্রুপের সংঘর্ষ : নিহত ১

  ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর:  

১৪ ডিসেম্বর ২০১৪, ১৩:০৬:১৮  | 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে তাপস রায় নামে এক ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৭ জন।  

রোববার বেলা ১১টার শাহ আমানত হলের সামনে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মাঝে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পৌনে একটা পর্যন্ত থেমে থেমে এ সংঘর্ষ চলে।

গুলিবিদ্ধ তাপস রায়কে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার সময় তার মৃত্যু ঘটে। তাপস রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি অমিত কুমার বসু ও যুগ্ম সম্পাদক সুমন মামুনের অনুসারীদের সঙ্গে সাবেক সাংগঠিনক সম্পাদক এস এম আরিফুল ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ ৭ জন আহত হয়।

এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল ও শাহ আমানত হল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গিয়ে হল দুটির মাঝে অবস্থান নেয়। পৌনে ১টা  থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্তত ২৫ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে।
 
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল সংঘর্ষে এক ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হওয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেছে।

তিনি আরো জানান, শাহজালাল হলে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ ২৭জনকে আটক করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অহিদুল আলম বলেছেন, সংঘর্ষে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন ও মোট ৭জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

 

সাবমিট

চবিতে ছাত্রলীগের দু\' গ্রুপের সংঘর্ষ : নিহত ১

 ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর: 
১৪ ডিসেম্বর ২০১৪, ০১:০৬ পিএম  | 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে তাপস রায় নামে এক ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৭ জন।  

রোববার বেলা ১১টার শাহ আমানত হলের সামনে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মাঝে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পৌনে একটা পর্যন্ত থেমে থেমে এ সংঘর্ষ চলে।

গুলিবিদ্ধ তাপস রায়কে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার সময় তার মৃত্যু ঘটে। তাপস রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি অমিত কুমার বসু ও যুগ্ম সম্পাদক সুমন মামুনের অনুসারীদের সঙ্গে সাবেক সাংগঠিনক সম্পাদক এস এম আরিফুল ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ ৭ জন আহত হয়।

এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল ও শাহ আমানত হল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গিয়ে হল দুটির মাঝে অবস্থান নেয়। পৌনে ১টা  থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্তত ২৫ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে।
 
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল সংঘর্ষে এক ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হওয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেছে।

তিনি আরো জানান, শাহজালাল হলে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ ২৭জনকে আটক করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অহিদুল আলম বলেছেন, সংঘর্ষে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন ও মোট ৭জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র