jugantor
আশার পিস্তলের গুলিতেই প্রাণ হারান তাপস

  শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১৫ ডিসেম্বর ২০১৪, ০০:০০:০০  | 

চবি ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফের পেছনে এক অনুষ্ঠানে দাঁড়ানো (গোল চিহ্নিত) ছাত্রলীগ ক্যাডার আশরাফুজ্জামান আশা। রোববার তার গুলিতে নিহত হন ছাত্রলীগ কর্মী তাপস সরকার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগ ক্যাডার আশরাফুজ্জামান আশার গুলিতেই প্রাণ হারিয়েছেন চবি ছাত্র ও ছাত্রলীগের সাধারণ কর্মী তাপস সরকার। আশা প্রকাশ্যেই শাহজালাল হলের তিন তলা থেকে শাহ আমানত হলের সামনে থাকা তাপসকে লক্ষ্য করে নাইন এমএম পিস্তল থেকে পর পর কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। দুটি বুলেট তাপসের বুকে ও পাঁজরে বিদ্ধ হয়। গুরুতর আহতাবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার কিছুক্ষণ পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র অভিযোগ করেছে, চট্টগ্রাম মহানগরীর এমইএস কলেজভিত্তিক ছাত্রলীগের একটি গ্র“প চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে এবং ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রলীগের প্রতিপক্ষ গ্র“পকে বিতাড়নের চেষ্টা করে আসছে। বিশেষ করে মদনহাটকেন্দ্রিক মঞ্জু-এরশাদ গ্র“পকে বিতাড়নের জন্যই ওই গ্রুপটি নিজেদের অবস্থান জানান দিতে রোববারের ঘটনা ঘটিয়েছে।

হাটহাজারী থানার ওসি মোহাম্মদ ইসমাইল সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বলেন, ছাত্রলীগ ক্যাডার আশরাফুজ্জামান আশা যে গুলি করেছেন এবং তার গুলিতেই যে তাপস সরকারের মৃত্যু হয়েছে সেটা নিশ্চিত। ঘটনাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ভয়ংকর নাইন এমএম পিস্তল দিয়েই গুলি করা হয়েছে। কারণ যে দূরত্ব থেকে তাপসকে গুলি করা হয়েছে সেই দূরত্বে কোনো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে গুলি করা হলে মৃত্যু হওয়ার কথা নয়। নাইন এমএম পিস্তলের গুলি মানে ‘কনফার্ম ডেথ।’ গুলি তাপসের বুকে বিদ্ধ হয়ে ফুসফুস ছেদ করেছে। তবে কী ধরনের পিস্তল থেকে গুলি করা হয়েছে তা পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার আগে বলা যাবে না। তিনি জানান, ছাত্রলীগ কর্মী আশার বিরুদ্ধে হাটহাজারী থানায় কোনো মামলা আছে কিনা তার জানা নেই। তিনি এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্ট একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, যে গ্র“পটি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তারা আগেও ক্যাম্পাসে এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করেছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার একেএম হাফিজ আকতার যুগান্তরকে বলেন, ছাত্রলীগ ক্যাডার আশার গুলিতেই নিহত হয়েছেন তাপস সরকার। আমরা তার সেকেন্ড ইন কমান্ড রুবেলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। কেন কী কারণে এবং কী ধরনের অস্ত্র দিয়ে তাপসকে হত্যা করা হল তা জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসবে। তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার আগে অস্ত্রের বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না।

তাপসের পোস্টমর্টেমের সহযোগী চমেক হাসপাতাল মর্গের ডোম সেলিম উদ্দিন বলেছেন, তাপসের বুকে ও পাঁজরে দুটি গুলি বিদ্ধ হয়েছে। গুলিগুলো বের করা হয়নি।

চবি ছাত্রলীগ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হল ও শাহজালাল হলে অবস্থান রয়েছে নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের। মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী ছাত্রলীগের দুটি গ্রুপ সক্রিয়। এর মধ্যে হাটহাজারীর মদনহাটভিত্তিক ছাত্রলীগের মঞ্জু-এরশাদের নিয়ন্ত্রণে চবিতে গ্রুপ পরিচালনা করে আশা-জালাল-রবিন। মঞ্জু চবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক এবং এরশাদ সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তাপসের হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত আশা চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির উপসাংস্কৃতিক সম্পাদক। তার বিরুদ্ধে হলে ও ক্যাম্পাসে গ্রুপিং রাজনীতি ও মারামারির অভিযোগে সাতটি মামলাসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রলীগ থেকে তাকে এসব অভিযোগে বহিষ্কারও করা হয়। আশা-জালাল-রবিন ও তাদের অনুসারীরা চবির বগিভিত্তিক সংগঠন ভার্সিটি এক্সপ্রেস বা ভিএক্সের সদস্য। অন্যদিকে মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী চবির অপর গ্র“পটি নিয়ন্ত্রণ করে এমইএস কলেজের জিএস আরশেদুল আলম বাচ্চু ও চবি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাসির হায়দার বাবুল। তাদের নির্দেশনায় ক্যাম্পাসে সংগঠন পরিচালনা করেন সুমন, মামুন ও অমিত কুমার বসু। সুমন, মামুন চবির বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ও অমিত কুমার বসু সহসভাপতি ছিলেন। তারা শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক সংগঠন চুজ দ্য ফ্রেন্ড উইদ কেয়ারের (সিএফসি) সদস্য।

সূত্র জানায়, কয়েক মাস আগে চবির সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফের স্মরণসভার একটি অনুষ্ঠানে গেলে নাছির হায়দার বাবুলকে ক্যাম্পাসে জুতার মালা পরিয়ে নাজেহাল করেন মঞ্জুর অনুসারীরা। আর তখন থেকেই মঞ্জু-এরশাদের নিয়ন্ত্রণাধীন চবির আশা-জালাল-রবিন গ্র“পকে ক্যাম্পাসে কোণঠাসা করার চেষ্টা চললেও তারা চবি ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফের পরোক্ষ সমর্থন পেতে থাকে। অপরদিকে ছাত্রলীগের এমইএস কলেজভিত্তিক গ্র“পটি ক্যাম্পাস ও হলের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার জন্য নানাভাবে চেষ্টা চালায়। এ গ্রুপটি নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছায়া পায়। আর এর জের হিসেবেই রোববার সিএফসি গ্র“পের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অমিত বসু দুপুরে চমেক হাসপাতালে ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনার জন্য চবি ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফকে দায়ী করে তার অপসারণ দাবি করেন। মঞ্জু-এরশাদের অনুসারী আশাই তাদের কর্মী তাপসকে গুলি করেছে বলে দাবি করেন তিনি।


 

সাবমিট

আশার পিস্তলের গুলিতেই প্রাণ হারান তাপস

 শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১৫ ডিসেম্বর ২০১৪, ১২:০০ এএম  | 
চবি ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফের পেছনে এক অনুষ্ঠানে দাঁড়ানো (গোল চিহ্নিত) ছাত্রলীগ ক্যাডার আশরাফুজ্জামান আশা। রোববার তার গুলিতে নিহত হন ছাত্রলীগ কর্মী তাপস সরকার
চবি ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফের পেছনে এক অনুষ্ঠানে দাঁড়ানো (গোল চিহ্নিত) ছাত্রলীগ ক্যাডার আশরাফুজ্জামান আশা। রোববার তার গুলিতে নিহত হন ছাত্রলীগ কর্মী তাপস সরকার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগ ক্যাডার আশরাফুজ্জামান আশার গুলিতেই প্রাণ হারিয়েছেন চবি ছাত্র ও ছাত্রলীগের সাধারণ কর্মী তাপস সরকার। আশা প্রকাশ্যেই শাহজালাল হলের তিন তলা থেকে শাহ আমানত হলের সামনে থাকা তাপসকে লক্ষ্য করে নাইন এমএম পিস্তল থেকে পর পর কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। দুটি বুলেট তাপসের বুকে ও পাঁজরে বিদ্ধ হয়। গুরুতর আহতাবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার কিছুক্ষণ পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র অভিযোগ করেছে, চট্টগ্রাম মহানগরীর এমইএস কলেজভিত্তিক ছাত্রলীগের একটি গ্র“প চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে এবং ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রলীগের প্রতিপক্ষ গ্র“পকে বিতাড়নের চেষ্টা করে আসছে। বিশেষ করে মদনহাটকেন্দ্রিক মঞ্জু-এরশাদ গ্র“পকে বিতাড়নের জন্যই ওই গ্রুপটি নিজেদের অবস্থান জানান দিতে রোববারের ঘটনা ঘটিয়েছে।

হাটহাজারী থানার ওসি মোহাম্মদ ইসমাইল সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বলেন, ছাত্রলীগ ক্যাডার আশরাফুজ্জামান আশা যে গুলি করেছেন এবং তার গুলিতেই যে তাপস সরকারের মৃত্যু হয়েছে সেটা নিশ্চিত। ঘটনাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ভয়ংকর নাইন এমএম পিস্তল দিয়েই গুলি করা হয়েছে। কারণ যে দূরত্ব থেকে তাপসকে গুলি করা হয়েছে সেই দূরত্বে কোনো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে গুলি করা হলে মৃত্যু হওয়ার কথা নয়। নাইন এমএম পিস্তলের গুলি মানে ‘কনফার্ম ডেথ।’ গুলি তাপসের বুকে বিদ্ধ হয়ে ফুসফুস ছেদ করেছে। তবে কী ধরনের পিস্তল থেকে গুলি করা হয়েছে তা পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার আগে বলা যাবে না। তিনি জানান, ছাত্রলীগ কর্মী আশার বিরুদ্ধে হাটহাজারী থানায় কোনো মামলা আছে কিনা তার জানা নেই। তিনি এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্ট একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, যে গ্র“পটি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তারা আগেও ক্যাম্পাসে এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করেছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার একেএম হাফিজ আকতার যুগান্তরকে বলেন, ছাত্রলীগ ক্যাডার আশার গুলিতেই নিহত হয়েছেন তাপস সরকার। আমরা তার সেকেন্ড ইন কমান্ড রুবেলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। কেন কী কারণে এবং কী ধরনের অস্ত্র দিয়ে তাপসকে হত্যা করা হল তা জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসবে। তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট পাওয়ার আগে অস্ত্রের বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না।

তাপসের পোস্টমর্টেমের সহযোগী চমেক হাসপাতাল মর্গের ডোম সেলিম উদ্দিন বলেছেন, তাপসের বুকে ও পাঁজরে দুটি গুলি বিদ্ধ হয়েছে। গুলিগুলো বের করা হয়নি।

চবি ছাত্রলীগ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হল ও শাহজালাল হলে অবস্থান রয়েছে নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের। মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী ছাত্রলীগের দুটি গ্রুপ সক্রিয়। এর মধ্যে হাটহাজারীর মদনহাটভিত্তিক ছাত্রলীগের মঞ্জু-এরশাদের নিয়ন্ত্রণে চবিতে গ্রুপ পরিচালনা করে আশা-জালাল-রবিন। মঞ্জু চবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক এবং এরশাদ সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তাপসের হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত আশা চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির উপসাংস্কৃতিক সম্পাদক। তার বিরুদ্ধে হলে ও ক্যাম্পাসে গ্রুপিং রাজনীতি ও মারামারির অভিযোগে সাতটি মামলাসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রলীগ থেকে তাকে এসব অভিযোগে বহিষ্কারও করা হয়। আশা-জালাল-রবিন ও তাদের অনুসারীরা চবির বগিভিত্তিক সংগঠন ভার্সিটি এক্সপ্রেস বা ভিএক্সের সদস্য। অন্যদিকে মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী চবির অপর গ্র“পটি নিয়ন্ত্রণ করে এমইএস কলেজের জিএস আরশেদুল আলম বাচ্চু ও চবি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাসির হায়দার বাবুল। তাদের নির্দেশনায় ক্যাম্পাসে সংগঠন পরিচালনা করেন সুমন, মামুন ও অমিত কুমার বসু। সুমন, মামুন চবির বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ও অমিত কুমার বসু সহসভাপতি ছিলেন। তারা শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক সংগঠন চুজ দ্য ফ্রেন্ড উইদ কেয়ারের (সিএফসি) সদস্য।

সূত্র জানায়, কয়েক মাস আগে চবির সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফের স্মরণসভার একটি অনুষ্ঠানে গেলে নাছির হায়দার বাবুলকে ক্যাম্পাসে জুতার মালা পরিয়ে নাজেহাল করেন মঞ্জুর অনুসারীরা। আর তখন থেকেই মঞ্জু-এরশাদের নিয়ন্ত্রণাধীন চবির আশা-জালাল-রবিন গ্র“পকে ক্যাম্পাসে কোণঠাসা করার চেষ্টা চললেও তারা চবি ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফের পরোক্ষ সমর্থন পেতে থাকে। অপরদিকে ছাত্রলীগের এমইএস কলেজভিত্তিক গ্র“পটি ক্যাম্পাস ও হলের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার জন্য নানাভাবে চেষ্টা চালায়। এ গ্রুপটি নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছায়া পায়। আর এর জের হিসেবেই রোববার সিএফসি গ্র“পের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অমিত বসু দুপুরে চমেক হাসপাতালে ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনার জন্য চবি ভিসি প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফকে দায়ী করে তার অপসারণ দাবি করেন। মঞ্জু-এরশাদের অনুসারী আশাই তাদের কর্মী তাপসকে গুলি করেছে বলে দাবি করেন তিনি।


 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র