jugantor
রাবিতে শিবির নেতার গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করল ছাত্রলীগ
আজ তিন জেলায় হরতাল

  রাজশাহী ব্যুরো  

১৭ জুন ২০১৪, ০০:০০:০০  | 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাসেল আলম নামে এক শিবির নেতার পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় তার বুকের বাম পাশে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও নবাব আবদুল লতিফ হল শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক। সোমবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ কলা ভবনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আজ অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে শিবির। সোমবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে রাবি শিবিরের প্রচার সম্পাদক ফরহাদ রেজা এ তথ্য জানান।

সোমবার দুপুর ১টা থেকে আরবি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ৪০৭ নম্বর কোর্সের পরীক্ষা শুরু হয়। এই বিভাগের পরীক্ষার্থী ও শিবির নেতা জিয়াউদ্দিন বাবলু ওরফে হাসিব পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে শহীদুল্লাহ কলাভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম তৌহিদ আল হোসেন তুহিনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন নেতাকর্মী অবস্থান নেয়। এ সময় সেখানে নগরীর মতিহার থানার ওসি আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরাও অবস্থান নেয়। পরীক্ষা চলাকালীন বিকাল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে ভবনের ৩০৪ নম্বর কক্ষ থেকে হাসিবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে পুলিশ, সাংবাদিক, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং শিক্ষক-ছাত্রদের সামনে শহীদুল্লাহ কলা ভবনের দ্বিতীয় তলার সিঁড়িতে তৌহিদ আল হাসান তুহিনের নেতৃত্বে রুনু, কিবরিয়া, ডন, কৌশিক, অভিসহ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা রাসেলের ওপর হামলা চালায়। ভবনের নিচতলার সিঁড়ির নিচে রাসেলকে ডান পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া তার দুই পায়ের উরুতে ও বুকের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন ছিল। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার সময় মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের চিকিৎসক ডা. তোফাজ্জল হোসেন জানান, রাসেলের অবস্থা আশংকাজনক।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা বলেন, এই ঘটনায় ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করি না। এটি শিবির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল।

নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, আমাদের সামনে গুলি কিংবা পা বিচ্ছিন্ন করার ঘটনা ঘটেনি।



সাবমিট

রাবিতে শিবির নেতার গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করল ছাত্রলীগ

আজ তিন জেলায় হরতাল
 রাজশাহী ব্যুরো 
১৭ জুন ২০১৪, ১২:০০ এএম  | 
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাসেল আলম নামে এক শিবির নেতার পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় তার বুকের বাম পাশে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও নবাব আবদুল লতিফ হল শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক। সোমবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ কলা ভবনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আজ অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে শিবির। সোমবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে রাবি শিবিরের প্রচার সম্পাদক ফরহাদ রেজা এ তথ্য জানান।

সোমবার দুপুর ১টা থেকে আরবি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ৪০৭ নম্বর কোর্সের পরীক্ষা শুরু হয়। এই বিভাগের পরীক্ষার্থী ও শিবির নেতা জিয়াউদ্দিন বাবলু ওরফে হাসিব পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে শহীদুল্লাহ কলাভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম তৌহিদ আল হোসেন তুহিনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন নেতাকর্মী অবস্থান নেয়। এ সময় সেখানে নগরীর মতিহার থানার ওসি আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরাও অবস্থান নেয়। পরীক্ষা চলাকালীন বিকাল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে ভবনের ৩০৪ নম্বর কক্ষ থেকে হাসিবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে পুলিশ, সাংবাদিক, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং শিক্ষক-ছাত্রদের সামনে শহীদুল্লাহ কলা ভবনের দ্বিতীয় তলার সিঁড়িতে তৌহিদ আল হাসান তুহিনের নেতৃত্বে রুনু, কিবরিয়া, ডন, কৌশিক, অভিসহ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা রাসেলের ওপর হামলা চালায়। ভবনের নিচতলার সিঁড়ির নিচে রাসেলকে ডান পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া তার দুই পায়ের উরুতে ও বুকের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন ছিল। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার সময় মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের চিকিৎসক ডা. তোফাজ্জল হোসেন জানান, রাসেলের অবস্থা আশংকাজনক।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা বলেন, এই ঘটনায় ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করি না। এটি শিবির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল।

নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, আমাদের সামনে গুলি কিংবা পা বিচ্ছিন্ন করার ঘটনা ঘটেনি।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র