jugantor
সাম্প্রতিক সাঈদ বাবু

  বিএম ইমরান  

১৯ ডিসেম্বর ২০১৩, ০০:০০:০০  | 

বর্তমানে ব্যস্ত অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে সাঈদ বাবু একজন। খণ্ড নাটকসহ একাধিক ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন তিনি। তার অভিনীত ধারাবাহিক যা প্রচার হচ্ছে বা প্রচারের অপেক্ষায় আছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- লুৎফন নাহার মৌসুমি পরিচালিত প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘জয়িতা’ মাহফুজ আহমেদ পরিচালিত ‘মাগো তোমার জন্য’, রাজীব পরিচালিত ‘ট্রাফিক সিগনাল’, সবুর খানের ‘দাগ’, মাসুদ মহিউদ্দিনের ‘মায়া’, ‘আগুন পোকা’, আবুল হায়াত পরিচালিত ‘বনফুলের গান’ ও চ্যানেল নাইনে ‘মনসুন রেইন’। সম্প্রতি ‘আপনি কি অথৈ-এর বাবাকে দেখেছেন’ টেলিফিল্মের কাজ শেষ করেছেন।

বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়ছে অভিনয় জগতেও। কাজের শিডিউল পিছিয়ে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজ যারা বোমা মারছে, তারা দেশের দশের ক্ষতি করছে। আমার অনেক কাজ পিছিয়ে গেছে। সব পেশার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

গত ১২/১২/১২-তে তিনি ভালোবেসে বিয়ে করেন নাজমুন নাহার কাশফিয়াকে। নতুন জীবন শুরু করছেন। কাজ আর নতুন সংসার নিয়ে খুবই ব্যস্ত তিনি। ব্যস্ততা সম্পর্কে বাবু বলেন, ‘বিয়ে, সংসার একটি পবিত্র বিষয়,ু যা মানুষের জীবনে বারবার আসে না। তাই অনুষ্ঠান যাতে ভালোভাবে করতে পারি, তার জন্য চেষ্টা করছি। তবে দেশের পরিস্থিতি এত খারাপ বুঝতে পারছি না কী হবে।’ দেশের এই পরিস্থিতি নিয়ে তিনি খুব চিন্তিত। কারণ কিছুদিন আগে বরযাত্রীবাহী বাসে পেট্রল বোমা মারা হয়েছে। তাই তার মনে এখনও ভয় কাজ করছে। বিজয় দিবসে কী কী কাজ করলেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বিজয় দিবস একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস। পারিবারিক ব্যস্ততার জন্য ৮-১০টি কাজ করতে পারিনি, খুব খারাপ লাগছে। তার ওপর হরতাল, অবরোধ।’ সবকিছু মিলিয়ে এবার বিজয় দিবসে তার কোনো নাটক দর্শক দেখতে পাননি। বর্তমানে ছোট পর্দার অনেক অভিনয়শিল্পী বড় পর্দায় কাজ করছেন। কেউ আবার স্থায়ীভাবে থেকে গেছেন বড় পর্দায়। আবার কেউ দুই পর্দায় সমানভাবে কাজ করছেন। কিন্তু তিনি বলেন, ‘আমি হাসির বস্তু হতে চাই না। ছবিতে আগামী বছর অভিনয় করব। অবশ্যই ভালো, গ্রহণযোগ্য চরিত্র হতে হবে। আমি যা করব, তা যেন অবশ্যই ভালো হয়। ছবিতে স্থায়ী হব কিনা তা নির্ভর করবে দর্শকদের ওপর।’ তার কথায় বারবার দর্শকদের চাহিদা, দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বিষয়টি উঠে এসেছে। তিনি একজন মঞ্চ অভিনেতাও। ভোলা জেলায় জড়িত ছিলেন খেলাধুলা ও মঞ্চে। এখন আছেন সুবচন নাট্য সংসদ দলে। অভিনয়ের সব স্তরে তার বিচরণ। শ্রদ্ধা করেন, ভালোবাসেন অভিনয়কে। তিনি বলেন, ‘আমি হুমায়ুন ফরীদি ও আফজাল হোসেনের ভক্ত। তারা যেভাবে অভিনয় করতেন, আমি তা অনুকরণ করার চেষ্টা করতাম। আর ভাবতাম তাদের মতো অভিনয় করব।’ তিনি নিজেকে অভিনয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন চরিত্রে হাজির করতে চান দর্শকদের সামনে। অভিনয় থেকে বর্তমানে অনেকে পরিচালনা করছেন। প্রডাকশন হাউসও প্রতিষ্ঠা করছে। কিন্তু তিনি এখন শুধু অভিনয় নিয়েই চিন্তা করছেন। তিনি বলেন, ‘পরিচালনা অনেক সাহসী কাজ। আমার অত বড় সাহস নেই। আমি শুধু অভিনয় করতে চাই।’


 

সাবমিট

সাম্প্রতিক সাঈদ বাবু

 বিএম ইমরান 
১৯ ডিসেম্বর ২০১৩, ১২:০০ এএম  | 

বর্তমানে ব্যস্ত অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে সাঈদ বাবু একজন। খণ্ড নাটকসহ একাধিক ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন তিনি। তার অভিনীত ধারাবাহিক যা প্রচার হচ্ছে বা প্রচারের অপেক্ষায় আছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- লুৎফন নাহার মৌসুমি পরিচালিত প্রতিদিনের ধারাবাহিক ‘জয়িতা’ মাহফুজ আহমেদ পরিচালিত ‘মাগো তোমার জন্য’, রাজীব পরিচালিত ‘ট্রাফিক সিগনাল’, সবুর খানের ‘দাগ’, মাসুদ মহিউদ্দিনের ‘মায়া’, ‘আগুন পোকা’, আবুল হায়াত পরিচালিত ‘বনফুলের গান’ ও চ্যানেল নাইনে ‘মনসুন রেইন’। সম্প্রতি ‘আপনি কি অথৈ-এর বাবাকে দেখেছেন’ টেলিফিল্মের কাজ শেষ করেছেন।

বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়ছে অভিনয় জগতেও। কাজের শিডিউল পিছিয়ে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজ যারা বোমা মারছে, তারা দেশের দশের ক্ষতি করছে। আমার অনেক কাজ পিছিয়ে গেছে। সব পেশার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

গত ১২/১২/১২-তে তিনি ভালোবেসে বিয়ে করেন নাজমুন নাহার কাশফিয়াকে। নতুন জীবন শুরু করছেন। কাজ আর নতুন সংসার নিয়ে খুবই ব্যস্ত তিনি। ব্যস্ততা সম্পর্কে বাবু বলেন, ‘বিয়ে, সংসার একটি পবিত্র বিষয়,ু যা মানুষের জীবনে বারবার আসে না। তাই অনুষ্ঠান যাতে ভালোভাবে করতে পারি, তার জন্য চেষ্টা করছি। তবে দেশের পরিস্থিতি এত খারাপ বুঝতে পারছি না কী হবে।’ দেশের এই পরিস্থিতি নিয়ে তিনি খুব চিন্তিত। কারণ কিছুদিন আগে বরযাত্রীবাহী বাসে পেট্রল বোমা মারা হয়েছে। তাই তার মনে এখনও ভয় কাজ করছে। বিজয় দিবসে কী কী কাজ করলেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বিজয় দিবস একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস। পারিবারিক ব্যস্ততার জন্য ৮-১০টি কাজ করতে পারিনি, খুব খারাপ লাগছে। তার ওপর হরতাল, অবরোধ।’ সবকিছু মিলিয়ে এবার বিজয় দিবসে তার কোনো নাটক দর্শক দেখতে পাননি। বর্তমানে ছোট পর্দার অনেক অভিনয়শিল্পী বড় পর্দায় কাজ করছেন। কেউ আবার স্থায়ীভাবে থেকে গেছেন বড় পর্দায়। আবার কেউ দুই পর্দায় সমানভাবে কাজ করছেন। কিন্তু তিনি বলেন, ‘আমি হাসির বস্তু হতে চাই না। ছবিতে আগামী বছর অভিনয় করব। অবশ্যই ভালো, গ্রহণযোগ্য চরিত্র হতে হবে। আমি যা করব, তা যেন অবশ্যই ভালো হয়। ছবিতে স্থায়ী হব কিনা তা নির্ভর করবে দর্শকদের ওপর।’ তার কথায় বারবার দর্শকদের চাহিদা, দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বিষয়টি উঠে এসেছে। তিনি একজন মঞ্চ অভিনেতাও। ভোলা জেলায় জড়িত ছিলেন খেলাধুলা ও মঞ্চে। এখন আছেন সুবচন নাট্য সংসদ দলে। অভিনয়ের সব স্তরে তার বিচরণ। শ্রদ্ধা করেন, ভালোবাসেন অভিনয়কে। তিনি বলেন, ‘আমি হুমায়ুন ফরীদি ও আফজাল হোসেনের ভক্ত। তারা যেভাবে অভিনয় করতেন, আমি তা অনুকরণ করার চেষ্টা করতাম। আর ভাবতাম তাদের মতো অভিনয় করব।’ তিনি নিজেকে অভিনয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন চরিত্রে হাজির করতে চান দর্শকদের সামনে। অভিনয় থেকে বর্তমানে অনেকে পরিচালনা করছেন। প্রডাকশন হাউসও প্রতিষ্ঠা করছে। কিন্তু তিনি এখন শুধু অভিনয় নিয়েই চিন্তা করছেন। তিনি বলেন, ‘পরিচালনা অনেক সাহসী কাজ। আমার অত বড় সাহস নেই। আমি শুধু অভিনয় করতে চাই।’


 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র