পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় এক হাজারের বেশি কুরআন খতম
jugantor
পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় এক হাজারের বেশি কুরআন খতম

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৫ জুন ২০২২, ১৯:৪৭:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় এক হাজারের বেশি কুরআন খতম

দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও দোয়া জানিয়েছেন দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার আলেমরা।

শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসায় দক্ষিণবঙ্গের মাদারীপুর, শরিয়তপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নড়াইল, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, পিরোজপুর ও বরিশালের পাঁচ সহস্রাধিক আলেম, পীর-মাশায়েখ, ইমাম-খতিব, মাদ্রাসার মুহতামিমসহ ধর্মপ্রিয় মানুষ জমায়েত হন।

এ সময় উপস্থিত সবাই স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। এছাড়া দোয়া অনুষ্ঠানে সহস্রাধিকবার কুরআন খতম করা হয়।

জমায়েত অনুষ্ঠানে আল্লামা শামসুল হক ফরীদপরী ছদর ছাহেবের (রহ.) পৌত্র মুফতি উসামা আমিন বলেন, প্রচলিত দোয়া করার মধ্যে কৃত্রিমতা থাকতে পারে কিন্তু যে দোয়া অন্তর থেকে আসে সে দোয়ায কোন কৃত্রিমতা নাই। আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু স্থাপন করে দেশের মানুষের বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন। ধর্মপ্রাণ মানুষ দোয়ার মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ রাখবে।

দোয়া অনুষ্ঠানে মুফতি উসামা আমিন আরো বলেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের গৌরবজ্জল ইতিহাসের অন্যতম অধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীর সময়োচিত সাহসী সিদ্ধান্তের ফসল আজকের পদ্মা সেতু। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন সকল ষড়যন্ত্রের জ্বাল ছিন্ন করে পরাশক্তিকে উপেক্ষা করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর ঘোষণা দিয়েছিলেন দেশের জনগন তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে সহযোগিতা করেছে। পদ্মা সেতু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেমন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে তেমনি দেশের সক্ষমতার প্রমাণ করেছে। পদ্মা সেতু দেশের উন্নয়ন ও মর্যাদার প্রতীক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে মুফতি উসামা আমিন বলেন, পদ্মা সেতুর জন্য দেশের আলেম-উলামাদের পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। পদ্মা সেতু ঘোষণার শুরুলগ্ন থেকেই আলেম-উলামাদের দোয়া, ভোররাতের চোখের পানি ও সহযোগিতা ছিল। আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া বহু বাধা-বিপত্তি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলো।

এ ধরনের জাতীয় প্রোগ্রামে দেশের শীর্ষ আলেম-উলামাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য বাড়বে এবং সর্বমহলে প্রশংসিত হবে বলে মন্তব্য করেন মুফতি উসামা আমিন।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় এক হাজারের বেশি কুরআন খতম

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৫ জুন ২০২২, ০৭:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় এক হাজারের বেশি কুরআন খতম
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসায় পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত

দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও দোয়া জানিয়েছেন দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার আলেমরা। 

শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসায় দক্ষিণবঙ্গের মাদারীপুর, শরিয়তপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নড়াইল, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, পিরোজপুর ও বরিশালের পাঁচ সহস্রাধিক আলেম, পীর-মাশায়েখ, ইমাম-খতিব, মাদ্রাসার মুহতামিমসহ ধর্মপ্রিয় মানুষ জমায়েত হন। 

এ সময় উপস্থিত সবাই স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। এছাড়া দোয়া অনুষ্ঠানে সহস্রাধিকবার কুরআন খতম করা হয়। 

জমায়েত অনুষ্ঠানে আল্লামা শামসুল হক ফরীদপরী ছদর ছাহেবের (রহ.) পৌত্র মুফতি উসামা আমিন বলেন, প্রচলিত দোয়া করার মধ্যে কৃত্রিমতা থাকতে পারে কিন্তু যে দোয়া অন্তর থেকে আসে সে দোয়ায কোন কৃত্রিমতা নাই। আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু স্থাপন করে দেশের মানুষের বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন। ধর্মপ্রাণ মানুষ দোয়ার মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ রাখবে। 

দোয়া অনুষ্ঠানে মুফতি উসামা আমিন আরো বলেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের গৌরবজ্জল ইতিহাসের অন্যতম অধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীর সময়োচিত সাহসী সিদ্ধান্তের ফসল আজকের পদ্মা সেতু। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন সকল ষড়যন্ত্রের জ্বাল ছিন্ন করে পরাশক্তিকে উপেক্ষা করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর ঘোষণা দিয়েছিলেন দেশের জনগন তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে সহযোগিতা করেছে। পদ্মা সেতু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেমন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে তেমনি দেশের সক্ষমতার প্রমাণ করেছে। পদ্মা সেতু দেশের উন্নয়ন ও মর্যাদার প্রতীক। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে মুফতি উসামা আমিন বলেন, পদ্মা সেতুর জন্য দেশের আলেম-উলামাদের পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। পদ্মা সেতু ঘোষণার শুরুলগ্ন থেকেই আলেম-উলামাদের দোয়া, ভোররাতের চোখের পানি ও সহযোগিতা ছিল। আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া বহু বাধা-বিপত্তি ও চ্যালেঞ্জ  মোকাবিলা করে স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলো। 

এ ধরনের জাতীয় প্রোগ্রামে দেশের শীর্ষ আলেম-উলামাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য বাড়বে এবং সর্বমহলে প্রশংসিত হবে বলে মন্তব্য করেন মুফতি উসামা আমিন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : পদ্মা সেতু নির্মাণ