Logo
Logo
×
   

Advertisement

রাজনীতি

বাংলাদেশে সাজা হলে যুক্তরাজ্যে যে পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন টিউলিপ

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:০৪ পিএম

বাংলাদেশে সাজা হলে যুক্তরাজ্যে যে পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন টিউলিপ

ব্রিটিশ এমপি ও সাবেক সিটি মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিক। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

পূর্বাচলের নতুন শহর প্রকল্পে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্লট নেওয়ার অভিযোগে সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বোন শেখ রেহেনা এবং ভাগ্নি টিউলিপসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হয়। সোমবার (১ ডিসেম্বর) এই মামলার রায় ঘোষণা হবে। 

অভিযোগ প্রমাণ হলে ব্রিটিশ এমপি ও সাবেক সিটি মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিকের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৪৩ বছর বয়সি টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে- তিনি তার মা, ভাই ও বোনকে শেখ হাসিনার প্রভাব ব্যবহার করে প্লট পাইয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প থেকে ৪ বিলিয়ন পাউন্ড আত্মসাতের অভিযোগেও তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। এ ঘটনা প্রথম প্রকাশ্যে আনে সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল। অভিযোগের জেরে তিনি সিটি মিনিস্টারের পদ থেকেও সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন।

সংবাদমাধ্যমটি রোববার (৩০ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দুর্নীতির দায়ে যদি টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হয় এবং তিনি দীর্ঘ মেয়াদি সাজা পান, তবে ব্রিটিশ এমপি হিসেবে তার পদ ছাড়ার চাপ বাড়বে। গত ডিসেম্বরে রূপপুর প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এলে একই ধরনের চাপের মুখে পড়েছিলেন তিনি, যদিও তখন মন্ত্রিত্ব ছাড়লেও এমপি পদ ধরে রাখতে পেরেছিলেন। টিউলিপ যুক্তরাজ্যের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড হাইগেটের এমপি। 

রূপপুর প্রকল্প ঘিরে অভিযোগের মধ্যেই সামনে আসে যুক্তরাজ্যে একটি ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচারের বিষয়টি। তিনি দাবি করেছিলেন, ফ্ল্যাটটি বাবা-মায়ের কাছ থেকে পেয়েছেন। কিন্তু পরে অভিযোগ ওঠে, তিনি আসলে আওয়ামীপন্থি এক নেতার কাছ থেকে ফ্ল্যাটটি উপহার হিসেবে নিয়েছেন— যা ঘুষ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশ সরকারের অভ্যন্তরীণ এক তদন্তে বলা হয়, ফ্ল্যাট সংক্রান্ত তথ্য গোপন বা বিভ্রান্তির মাধ্যমে তিনি মন্ত্রিত্বের কোনো বিধি লঙ্ঘন করেননি।

এদিকে বাংলাদেশে টিউলিপের মামলা নিয়ে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন ব্রিটিশ আইনজীবী। তারা অভিযোগ করেছেন, মামলা পরিচালনায় স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে। এ বিষয়ে তারা বাংলাদেশ হাইকমিশনারের কাছে একটি চিঠিও দিয়েছেন।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম