ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে, ব্যক্তিগত বা দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। আমরা যার সঙ্গেই কাজ করি না কেন, মূল লক্ষ্য হতে হবে দেশের কল্যাণ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধান আলোচক হিসেবে অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, এই দেশকে বিশ্বের দরবারে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমাদের প্রয়োজন প্রতিভাবান ও যোগ্যতাসম্পন্ন তরুণ সমাজ—নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। এমন সুমেধাবী মানুষদেরই আমাদের দরকার, যারা তাদের জ্ঞান ও কাজের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সুনাম ছড়িয়ে দেবে।
এ সময় তিনি বলেন, এই দেশকে বিশ্বের দরবারে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমাদের প্রয়োজন প্রতিভাবান ও যোগ্যতাসম্পন্ন তরুণ সমাজ—নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। এমন সুমেধাবী মানুষদেরই আমাদের দরকার, যারা তাদের জ্ঞান ও কাজের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সুনাম ছড়িয়ে দেবে। আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে, ব্যক্তিগত বা দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। আমরা যার সঙ্গেই কাজ করি না কেন, মূল লক্ষ্য হতে হবে দেশের কল্যাণ।
তিনি আরও বলেন, আমাদের রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি গড়ে উঠেছে তিনটি স্তম্ভের ওপর—শাসন বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং আইন বিভাগ। প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি এবং স্পিকার—এই তিন অঙ্গের শীর্ষে রয়েছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। কিন্তু প্রশাসনিক পদ বা এই পিরামিড কাঠামো যতই শক্তিশালী হোক না কেন, যদি সমাজে ন্যায়-নীতি এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা না করা যায়, তবে জনগণ কখনোই আইনের সুফল পাবে না।
তিনি বলেন, আজ তরুণদের প্রতি আমার একটাই বার্তা, এই পৃথিবী প্রতিভাবানদের। আপনারা নিজেদের মেধা ও যোগ্যতাকে সুপ্ত রাখবেন না। যদি আপনারা আপনাদের মেধাকে বিকশিত না করেন, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে আমাদের এই বাংলাদেশ। আর যদি আপনারা মেধা ও নিষ্ঠা নিয়ে এগিয়ে আসেন, তবে এই দেশ নিশ্চিতভাবেই এক নতুন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিশা পাবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে এই প্রিয় জন্মভূমিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাই।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান, চাকসুর সাবেক ভিপি ও চবি ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. জসিমউদদীন সরকার, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক ও চবি ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম, কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক হাফেজ মোহাম্মদ আবু মূসা, চাকসুর জিএস ও চবি ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাইদ বিন হাবীব। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন চবি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি হাবিবুল্লাহ খালেদ এবং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাকসু ভিপি ও চবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন রনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের সর্বমোট তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ছাত্রশিবিরের এই নবীনবরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
