Logo
Logo
×
   

Advertisement

রাজনীতি

‘উনি কি গালি দিলেন না দোয়া দিলেন, কিছুই বুঝলাম না’

রুমিন ফারহানা প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৬ পিএম

‘উনি কি গালি দিলেন না দোয়া দিলেন, কিছুই বুঝলাম না’

Advertisement

জাতীয় সংসদে ব্যাপক হট্টগোলের কারণে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা তার বক্তব্যে কী বলেছেন, তা কিছুই শুনতে বা বুঝতে পারেননি বলে জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, সংসদে প্রত্যেক সদস্যের বক্তব্য শোনার সুযোগ নিশ্চিত করা যেমন দায়িত্ব, তেমনি নিজের মত প্রকাশের অধিকারও একজন সংসদ সদস্যের রয়েছে। কোনো সদস্যের বক্তব্যকে ঘিরে বিশৃঙ্খলা তৈরি কিংবা তাকে কথা বলতে বাধা দেওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ জানান তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, কোনো সংসদ সদস্যের বক্তব্যে অনাকাঙ্ক্ষিত বা অসংসদীয় বক্তব্য থাকলে স্পিকারের আসন থেকে রুলিং দেওয়া যেতে পারে। প্রয়োজন মনে করলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীও সেই বক্তব্যের জবাব দিতে পারেন। তবে কোনো সদস্যের বক্তব্য পুরোপুরি ঢেকে দেওয়া বা তাকে কথা বলার সুযোগ না দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সংসদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংসদীয় কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে স্পিকারের কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ ও প্রতিকারের আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন চলাকালে রুমিন ফারহানার বক্তব্যের সময় ব্যাপক হট্টগোল শুরু হলে দাঁড়িয়ে এসব কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্য দাঁড়িয়েছেন তার কথা বলতে। আপনার জায়গা থেকে আপনি তাকে সুযোগ দিয়েছেন। হতে পারে তার কথাগুলো সবগুলা সঙ্গত নয়, আবার হতে পারে যে কথাগুলো তার গুরুত্বপূর্ণ। আমরা তো কিছুই শুনতে পারলাম না, কী উনি বললেন, সব তো হারায়ে গেলো। এখন তার কথাগুলো শোনার যেমন দায়িত্ব আমাদের আছে, বলারও অধিকার তার আছে। হ্যাঁ, তিনি যদি অসংসদীয় কোনো কথা বলে থাকেন, সেটা আপনার জায়গা থেকে রুলিং আসতে পারে। আবার এসব কথার জবাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী যখন দাঁড়াবেন, তিনি যদি প্রয়োজন মনে করেন, তিনি দিতেই পারেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত দিনও এরকম একটা পরিস্থিতির মুখোমুখি আমরা হয়েছিলাম। তখন কিন্তু এই চেয়ার বড় কঠিন চেয়ার ছিল আমাদের জন্য। আজকে উনি কী বললেন, আমরা তো একেবারেই বুঝতে পারলাম না। উনি কি গালি দিলেন না দোয়া দিলেন, কিছুই বুঝলাম না। এখন আসলেই কি তিনি বক্তব্য রাখতে পারলেন? তার সংসদ সদস্য হিসেবে যে অধিকার ছিল, সেটা কি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে? এটা মূলত আমি আপনার কাছেই জানতে চাচ্ছি এবং এর প্রতিকারটা কী হবে? রেকর্ড হবে কীভাবে? আমরাই তো শুনি নাই, আমাদের রেকর্ডই তো হয় নাই। এজন্য এ বিষয়টা স্পষ্ট করা জরুরি বলে আমি মনে করি।’

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম