Logo
Logo
×
   

Advertisement

রাজনীতি

ব্যারিস্টার মইনুলের মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই

Advertisement

Icon

যুগান্তর রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি ২০১৯, ০৮:৪০ পিএম

ব্যারিস্টার মইনুলের মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। ফাইল ছবি

Advertisement

মানহানির মামলায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন স্থগিত চেয়ে করা আবেদনে কোনো আদেশ দেননি চেম্বার আদালত।

ফলে ১৪ মামলায় মইনুল হোসেনের মুক্তিতে আর কোনো বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

শেরপুর, কুড়িগ্রাম, ভোলা, ঝিনাইদহ, রাজবাড়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, কক্সবাজার, মাগুরা, নড়াইল, চট্টগ্রাম, যশোর ও  নেত্রকোনায় এসব মামলা হয়।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার চেম্বার বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান ননি 'নো অর্ডার' আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল  মোমতাজ উদ্দিন ফকির। অন্যদিকে মইনুল হোসেনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. মাসুদ রানা ও অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন।

গত বছরের ১৬ অক্টোবর বেসরকারি টেলিভিশন ‘একাত্তরে’ টকশোতে মাসুদা ভাট্টি লাইভে যুক্ত হয়ে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে প্রশ্ন করেন- ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আলোচনা চলছে, আপনি সদ্য গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে এসে জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব করছেন কিনা?’

মইনুল হোসেন এ প্রশ্ন শুনে উত্তেজিত হন এবং বলেন ‘এমন প্রশ্ন করায় আপনাকে আমি চরিত্রহীন বলে মনে করছি।’

তার এমন মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে মইনুল হোসেনকে প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তৃতা-বিবৃতি দেয় বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন। এরপর রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার বিরুদ্ধে মানহানি ও ডিজিটাল আইনে মামলা হয়।

রংপুরে করা মানহানির এক মামলায় ২০১৮ সালের ২২ অক্টোবর রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাসা থেকে মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে নেয়া হয়। পরে আদালতে আনা হলে বিচারক তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রংপুরের কারাগারে পাঠানো হয়।

Advertisement

মাসুদা ভাট্টি-মইনুল হোসেন বিতর্ক জামিন মুক্তি

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম