মোরশেদ খান ও তার ছেলের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ হাইকোর্টে বহাল
jugantor
মোরশেদ খান ও তার ছেলের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ হাইকোর্টে বহাল

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৮ নভেম্বর ২০১৯, ১৩:৫৩:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি থেকে সদ্য পদত্যাগ করা ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান এবং তার ছেলে ফয়সাল মোরশেদ খানের নামে হংকংয়ের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের হিসাব জব্দই থাকবে। বিচারিক আদালতের জব্দের এ আদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।


আদালতে মোরশেদ খানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি ও ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান।

১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোরাশেদ খানের সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন। অ্যাটর্নি জেনারেল ও দুদক বাজেয়াপ্তের আবেদন করেন। বিচারিক আদালতের এই আদেশ সোমবার বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ হংকংয়ের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে প্রায় ৩ কোটি ৯৫ লাখ ৬২ হাজার মার্কিন ডলার এবং ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪৫ হাজার হংকং ডলার অর্থপাচার করেছেন।

কিন্তু এ ঘটনায় ২০১৩ সালে মামলা হলেও নানা আইনি জটিলতায় তদন্তই শেষ করা যায়নি। সবশেষ গত সেপ্টেম্বরে হংকং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক জানায়, ১৫ অক্টোবরের মধ্যে মোরশেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোরশেদের ১৬ কোটি টাকা ও প্রায় ১৭ লাখ শেয়ার আর রাখা সম্ভব নয়।

মোরশেদ খান ও তার ছেলের ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ হাইকোর্টে বহাল

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৮ নভেম্বর ২০১৯, ০১:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি থেকে সদ্য পদত্যাগ করা ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান এবং তার ছেলে ফয়সাল মোরশেদ খানের নামে হংকংয়ের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের হিসাব জব্দই থাকবে। বিচারিক আদালতের জব্দের এ আদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।


আদালতে মোরশেদ খানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি ও ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান।

১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোরাশেদ খানের সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন। অ্যাটর্নি জেনারেল ও দুদক বাজেয়াপ্তের আবেদন করেন। বিচারিক আদালতের এই আদেশ সোমবার বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ হংকংয়ের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে প্রায় ৩ কোটি ৯৫ লাখ ৬২ হাজার মার্কিন ডলার এবং ১ কোটি ৩৬ লাখ ৪৫ হাজার হংকং ডলার অর্থপাচার করেছেন।

কিন্তু এ ঘটনায় ২০১৩ সালে মামলা হলেও নানা আইনি জটিলতায় তদন্তই শেষ করা যায়নি। সবশেষ গত সেপ্টেম্বরে হংকং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক জানায়, ১৫ অক্টোবরের মধ্যে মোরশেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোরশেদের ১৬ কোটি টাকা ও প্রায় ১৭ লাখ শেয়ার আর রাখা সম্ভব নয়।