একজন নির্বাচন কমিশনার যাও মাঝেমধ্যে একটু সাহসী কথা বলেন: ইশরাক
jugantor
একজন নির্বাচন কমিশনার যাও মাঝেমধ্যে একটু সাহসী কথা বলেন: ইশরাক

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১১ মার্চ ২০২০, ১২:১২:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) সরকারের কিছু চাটুকার বসে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে পরাজিত বিএনপির মেয়রপ্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন।

মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবির নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ইশরাক বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচনী ব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশন বলে কিছু নেই। ইসিতে সরকারের কিছু চাটুকার বসে আছেন।

মাহবুব তালুকদারের দিকে ইঙ্গিত করে ইশরাক বলেন, একজন কমিশনার আছেন, যিনি মাঝেমধ্যে একটু সাহসী কথা বলেন, যা যথেষ্ট নয়।

নির্বাচনে কারচুরির চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন একটা লিস্ট ধরিয়ে দিয়ে বলবেন, এটি ঘোষণা করেন। সে রকম জঘন্য একটি রাষ্ট্রে বাস করছি।

বিএনপির রাজনৈতিক দায় নিয়ে ইশরাক বলেন, এ থেকে উত্তরণে মহান স্বাধীনতার ঘোষকের দল বিএনপির ওপর দায়িত্ব রয়েছে। তাই সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে অন্তত নির্বাচনী ব্যবস্থার একটা স্থায়ী সমাধান করি, যাতে পাঁচ বছর পর পর একটা সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

একজন নির্বাচন কমিশনার যাও মাঝেমধ্যে একটু সাহসী কথা বলেন: ইশরাক

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১১ মার্চ ২০২০, ১২:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) সরকারের কিছু চাটুকার বসে আছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে পরাজিত বিএনপির মেয়রপ্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন।

মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবির নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ইশরাক বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচনী ব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশন বলে কিছু নেই। ইসিতে সরকারের কিছু চাটুকার বসে আছেন। 

মাহবুব তালুকদারের দিকে ইঙ্গিত করে ইশরাক বলেন, একজন কমিশনার আছেন, যিনি মাঝেমধ্যে একটু সাহসী কথা বলেন, যা যথেষ্ট নয়।

নির্বাচনে কারচুরির চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন একটা লিস্ট ধরিয়ে দিয়ে বলবেন, এটি ঘোষণা করেন। সে রকম জঘন্য একটি রাষ্ট্রে বাস করছি।

বিএনপির রাজনৈতিক দায় নিয়ে ইশরাক বলেন, এ থেকে উত্তরণে মহান স্বাধীনতার ঘোষকের দল বিএনপির ওপর দায়িত্ব রয়েছে। তাই সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে অন্তত নির্বাচনী ব্যবস্থার একটা স্থায়ী সমাধান করি, যাতে পাঁচ বছর পর পর একটা সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।