'এখন এই কথা বলে লাভ কী'
jugantor
'এখন এই কথা বলে লাভ কী'

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৮ আগস্ট ২০২০, ১৬:২৭:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

'এখন এই কথা বলে লাভ কী'

'সাবধান বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না। কখন কী হয়ে যায় বলা যায় না'- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আজ ওবায়দুল কাদের তাদের দলের লোকদের বলেছেন– সাবধান বেশি বাড়াবাড়ি কইরেন না। কখন কী হয়ে যায় বলা যায় না। এখন এই কথা বলে লাভ কী? গত ১২ বছর পাচার হয়ে গেলও বরকতের টাকা, ফরিদপুরের ছাত্রলীগের সভাপতির টাকা। আর কত শাহেদ, শামীম ও সম্রাট! আপনারা ২০০৯ সালে যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন, তখন এসব কথা বললেই নেতাকর্মীরা অনেকটা সতর্ক থাকত।

শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে এক দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।

ছাত্রদলের সাবেক সভানেত্রী দিলরুবা শওকতের রুহের মাগফিরাত কামনায় মাহফিলের আয়োজন করে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ন্যাশনালিস্ট এক্স স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন।

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে রিজভী বলেন, সেদিন কেন আপনার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নেতাকর্মীদের বলেননি, সবাই সাবধান থাকবেন। কখন কী ঘটে যায়। এত অন্যায়, এত টাকা প্রচার। তাদের (আওয়ামী লীগের) তো ভয় থাকার কথা। হয়তো তিনি (ওবায়দুল কাদের) মুখ ফসকে বলেছেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইলের এক এমপি বলেছেন– 'তোমরা নিজেরা নিজেরা গণ্ডগোল করো, বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা করতে পারো না?' রাজশাহীর আরেক এমপি বলেছেন– 'ছাত্রলীগ তোমরা নিজেরা নিজেরা মারামারি করো, ছাত্রদল-বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে পারো না?' আপনাদের সেই উসকানিতে ছাত্রলীগ বিশ্বজিতের মতো এক কিশোর শ্রমিককে হত্যা করেছে।

সংগঠনের সভাপতি বাহাউদ্দিন বাহারের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রমেশ দত্ত, আমিনুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম প্রমুখ।

'এখন এই কথা বলে লাভ কী'

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৮ আগস্ট ২০২০, ০৪:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
'এখন এই কথা বলে লাভ কী'
ফাইল ছবি

'সাবধান বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না। কখন কী হয়ে যায় বলা যায় না'- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আজ ওবায়দুল কাদের তাদের দলের লোকদের বলেছেন– সাবধান বেশি বাড়াবাড়ি কইরেন না। কখন কী হয়ে যায় বলা যায় না। এখন এই কথা বলে লাভ কী? গত ১২ বছর পাচার হয়ে গেলও বরকতের টাকা, ফরিদপুরের ছাত্রলীগের সভাপতির টাকা। আর কত শাহেদ, শামীম ও সম্রাট! আপনারা ২০০৯ সালে যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন, তখন এসব কথা বললেই নেতাকর্মীরা অনেকটা সতর্ক থাকত।

শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে এক দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।

ছাত্রদলের সাবেক সভানেত্রী দিলরুবা শওকতের রুহের মাগফিরাত কামনায় মাহফিলের আয়োজন করে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ন্যাশনালিস্ট এক্স স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন।

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে রিজভী বলেন, সেদিন কেন আপনার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নেতাকর্মীদের বলেননি, সবাই সাবধান থাকবেন। কখন কী ঘটে যায়। এত অন্যায়, এত টাকা প্রচার। তাদের (আওয়ামী লীগের) তো ভয় থাকার কথা। হয়তো তিনি (ওবায়দুল কাদের) মুখ ফসকে বলেছেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইলের এক এমপি বলেছেন– 'তোমরা নিজেরা নিজেরা গণ্ডগোল করো, বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা করতে পারো না?' রাজশাহীর আরেক এমপি বলেছেন– 'ছাত্রলীগ তোমরা নিজেরা নিজেরা মারামারি করো, ছাত্রদল-বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে পারো না?' আপনাদের সেই উসকানিতে ছাত্রলীগ বিশ্বজিতের মতো এক কিশোর শ্রমিককে হত্যা করেছে।

সংগঠনের সভাপতি বাহাউদ্দিন বাহারের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রমেশ দত্ত, আমিনুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম প্রমুখ।
 

 
আরও খবর