ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ উপনির্বাচনে আ’লীগের প্রার্থী যারা
jugantor
ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ উপনির্বাচনে আ’লীগের প্রার্থী যারা

  যুগান্তর রিপোর্ট  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৫৪:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

উপনির্বাচন: ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা

ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিব হাছানকে ঢাকা-১৮ ও আওয়ামী লীগের প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে তানভীর শাকিল জয়কে সিরাজগঞ্জ-১ আসনে দলটির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

বুধবার এক অনলাইন সংবাদ ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমন তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচনে আগামী ১২ নভেম্বর ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তফসিল অনুযায়ী, এ দুই নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহীরা ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। মনোনয়নপত্র বাছাই ১৫ অক্টোবর ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ অক্টোবর।

সোমবার নির্বাচন কমিশনের সভাশেষে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর তফসিল ঘোষণা করেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনে আইনের সব কিছু বাস্তবায়ন করা যায় না। কিছু ক্ষেত্রে বাস্তবতা দেখতে হয়।

এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে কমিশনের ৭১তম সভায় ভোটের এ দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়।

অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে গত ৯ জুলাই ঢাকা-১৮ আসন এবং মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুর পর গত ১৩ জুন সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি শূন্য হয়।

ইসির সিনিয়র সচিব আলমগীর বলেন, ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি মৃত্যুজনিত কারণে শূন্য হয়েছিল। সংবিধানে আসন শূন্য হওয়ার প্রথম ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার কথা বলা আছে। করোনার কারণে এই সময়ে নির্বাচন করার চেষ্টা করেনি ইসি। পরে নির্বাচন কমিশন আরও ৯০ দিন সময় বাড়িয়ে দিয়েছিল। তবে এই ৯০ দিন অতিক্রম করার সুযোগ সংবিধানে ইসিকে দেয়া হয়নি।

সচিব বলেন, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ভোটের যে স্বাস্থ্যবিধি রয়েছে, সেগুলো মেনেই ভোটের আয়োজন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত যে বিষয়গুলো আছে, সবই মানা হবে দুই উপনির্বাচনে। কিছু ব্যতিক্রম আছে, সেটি হলো ঢাকায় আগে নির্বাচন করলে যান চলাচল সব বন্ধ রাখা হতো। এবার তা করা হবে না। কোন কোন যানবাহন চলবে, কোন কোন যানবাহন চলবে না- সেটি পরিপত্র জারি করবে কমিশন। একই সঙ্গে এ আসনের নির্বাচনী এলাকার অফিস খোলা থাকবে। তবে ভোটারদের ভোট দেয়ার জন্য সময় দিতে দেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ উপনির্বাচনে আ’লীগের প্রার্থী যারা

 যুগান্তর রিপোর্ট 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৫৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
উপনির্বাচন: ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষণা
ফাইল ছবি

ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিব হাছানকে ঢাকা-১৮ ও আওয়ামী লীগের প্রয়াত প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে তানভীর শাকিল জয়কে সিরাজগঞ্জ-১ আসনে দলটির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

বুধবার এক অনলাইন সংবাদ ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমন তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচনে আগামী ১২ নভেম্বর ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

তফসিল অনুযায়ী, এ দুই নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহীরা ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। মনোনয়নপত্র বাছাই ১৫ অক্টোবর ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ অক্টোবর। 

সোমবার নির্বাচন কমিশনের সভাশেষে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর তফসিল ঘোষণা করেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনে আইনের সব কিছু বাস্তবায়ন করা যায় না। কিছু ক্ষেত্রে বাস্তবতা দেখতে হয়।

এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে কমিশনের ৭১তম সভায় ভোটের এ দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়। 

অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে গত ৯ জুলাই ঢাকা-১৮ আসন এবং মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুর পর গত ১৩ জুন সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি শূন্য হয়।

ইসির সিনিয়র সচিব আলমগীর বলেন, ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি মৃত্যুজনিত কারণে শূন্য হয়েছিল। সংবিধানে আসন শূন্য হওয়ার প্রথম ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার কথা বলা আছে। করোনার কারণে এই সময়ে নির্বাচন করার চেষ্টা করেনি ইসি। পরে নির্বাচন কমিশন আরও ৯০ দিন সময় বাড়িয়ে দিয়েছিল। তবে এই ৯০ দিন অতিক্রম করার সুযোগ সংবিধানে ইসিকে দেয়া হয়নি।

সচিব বলেন, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ভোটের যে স্বাস্থ্যবিধি রয়েছে, সেগুলো মেনেই ভোটের আয়োজন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত যে বিষয়গুলো আছে, সবই মানা হবে দুই উপনির্বাচনে। কিছু ব্যতিক্রম আছে, সেটি হলো ঢাকায় আগে নির্বাচন করলে যান চলাচল সব বন্ধ রাখা হতো। এবার তা করা হবে না। কোন কোন যানবাহন চলবে, কোন কোন যানবাহন চলবে না- সেটি পরিপত্র জারি করবে কমিশন। একই সঙ্গে এ আসনের নির্বাচনী এলাকার অফিস খোলা থাকবে। তবে ভোটারদের ভোট দেয়ার জন্য সময় দিতে দেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।