‘বাহান্নর রক্তস্নাত দিনটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করে’
jugantor
‘বাহান্নর রক্তস্নাত দিনটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করে’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:৫৯:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

একুশের চেতনা থেকে শক্তি নিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রোববার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিএনপির পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জানিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘বাহান্নর রক্তস্নাত অমর একুশে ফেব্রুয়ারির দিনটি আমাদেরকে আজও উদ্বুদ্ধ করে, যখন দেখি আজও রাষ্ট্র ক্ষমতায় এক দলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসন, মাফিয়াতন্ত্রের রাষ্ট্রযন্ত্র তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাহান্নর চেতনা আমাদেরকে শাণিত করেছে, ধারালো করেছে বলেই আজও আমরা দৈত্যের ন্যায় জেকে বসা এই কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছি।

ভাষা আন্দোলন থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছেন জানিয়ে বিএনপির অন্যতম জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ১৯৫২ সালে ছাত্র-জনতা আত্মদান করেছিল মাতৃভাষার জন্য। আজও আমরা যুথবদ্ধভাবে সংগ্রাম করছি, আমরা মামলা-হামলা, গ্রেফতার, গুম এবং খুনকে বরণ করে নিয়েও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। এই চেতনার উৎস হচ্ছে ভাষা আন্দোলন, ভাষার অধিকার আদায়ে ছাত্রদের আত্মদান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরফত আলী সপু, আমিনুল হক, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, শামীমুর রহমান শামীম, নাজিম উদ্দিন আলম, প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, যুবদল সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদল সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল প্রমুখ।

‘বাহান্নর রক্তস্নাত দিনটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করে’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

একুশের চেতনা থেকে শক্তি নিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রোববার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিএনপির পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জানিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘বাহান্নর রক্তস্নাত অমর একুশে ফেব্রুয়ারির দিনটি আমাদেরকে আজও উদ্বুদ্ধ করে, যখন দেখি আজও রাষ্ট্র ক্ষমতায় এক দলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসন, মাফিয়াতন্ত্রের রাষ্ট্রযন্ত্র তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাহান্নর চেতনা আমাদেরকে শাণিত করেছে, ধারালো করেছে বলেই আজও আমরা দৈত্যের ন্যায় জেকে বসা এই কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছি।  

ভাষা আন্দোলন থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছেন জানিয়ে বিএনপির অন্যতম জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ১৯৫২ সালে ছাত্র-জনতা আত্মদান করেছিল মাতৃভাষার জন্য।  আজও আমরা যুথবদ্ধভাবে সংগ্রাম করছি, আমরা মামলা-হামলা, গ্রেফতার, গুম এবং খুনকে বরণ করে নিয়েও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। এই চেতনার উৎস হচ্ছে ভাষা আন্দোলন, ভাষার অধিকার আদায়ে ছাত্রদের আত্মদান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরফত আলী সপু, আমিনুল হক, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, শামীমুর রহমান শামীম, নাজিম উদ্দিন আলম, প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, যুবদল সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদল সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল প্রমুখ। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন