স্মরণকালের বড় জনসমাবেশ ঘটাতে প্রস্তুতি আ.লীগে, ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
jugantor
স্মরণকালের বড় জনসমাবেশ ঘটাতে প্রস্তুতি আ.লীগে, ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২২ নভেম্বর ২০২২, ২১:৩২:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরে স্মরণকালের বড় জনসমাবেশ ঘটাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর যশোরের শামসুল হুদা স্টেডিয়ামে জনসভায় ভাষণ দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল।

একই স্টেডিয়ামে প্রায় ৫০ বছর পর বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) জনসভায় ভাষণ দেবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এ জনসভা সফল করার লক্ষ্যে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেছে আওয়ামী লীগ।

করোনাপরবর্তী সময়ে যশোরের জনসভাই হবে ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম কোনো প্রকাশ্য কর্মসূচি। এর মাধ্যমে তিনি দেশব্যাপী দলীয় কার্যক্রমেরও সূচনা করতে যাচ্ছেন।

এ জনসভায় কয়েক লাখ মানুষের সমাগম ঘটানোর প্রস্তুতি চলছে স্থানীয় পর্যায়ে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও জনসভা সফল করতে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। নিয়মিত করছেন সভা-কর্মিসভা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় শোডাউন দিতে চায় ক্ষমতাসীনরা। বিএনপি বিভাগীয় সমাবেশের বিপরীতে জনসভাটি রীতিমতো মহাসমুদ্রে রূপ দিতে চায় আওয়ামী লীগ।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শামসুল হুদা স্টেডিয়ামের চলছে সাজসজ্জার কাজ। স্টেডিয়ামের উত্তরপাশের জীর্ণ গ্যালারি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এতে স্টেডিয়াম ও ডা. আবদুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজ মাঠ একাকার হয়েছে। বিশাল মাঠে ব্যাপক জনসমাগম ঘটাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনসভা সফল করার লক্ষ্যে সাংগঠনিক নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। প্রত্যেকটি ইউনিটের নেতাকর্মীরা তৃণমূলে জনসংযোগ করছেন। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও সফলতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন। একই সঙ্গে জনসভায় হাজির হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।

এই জনসভাকে জনসমুদ্রে রূপ দিতে বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ হেলাল উদ্দিন দীর্ঘ সাত দিন যশোরসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে কর্মিসভা, বর্ধিত সভা, পথসভা করে চলেছেন। তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, শেখ সারহান নাসের তন্ময় এমপিসহ নেতারা কাজ করছেন।

এছাড়াও আওয়ামী লীগের বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক কাজ করছেন। এছাড়াও ইতোমধ্যে যশোরে আছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান।

এছাড়া আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই ইতোমধ্যে যশোর অবস্থান করছেন। তারাও শুধু যশোরই নয়, পার্শ্ববর্তী জেলা-উপজেলায় গণসংযোগ, কর্মিসভা করে বেড়াচ্ছেন। এতে আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতারাও অংশ নিচ্ছেন।

এদিকে যশোরের জনসভা সফল করতে মঙ্গলবার মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র ও বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন।

এতে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন এমপি,অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্ণা এমপি, মাগুরা-১ এমপি অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, মাগুরা-২ আসনের এমপি বীরেন সিকদার, বাগেরহাট-২ আসনের এমপি শেখ সারহান নাসের তন্ময় প্রমুখ বক্তব্য দেন।

মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ফ ম আবদুল ফাত্তাহর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুমার কুন্ডু সভাটি সঞ্চালনা করেন।

স্মরণকালের বড় জনসমাবেশ ঘটাতে প্রস্তুতি আ.লীগে, ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২২ নভেম্বর ২০২২, ০৯:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরে স্মরণকালের বড় জনসমাবেশ ঘটাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর যশোরের শামসুল হুদা স্টেডিয়ামে জনসভায় ভাষণ দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল।

একই স্টেডিয়ামে প্রায় ৫০ বছর পর বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) জনসভায় ভাষণ দেবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এ জনসভা সফল করার লক্ষ্যে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু করেছে আওয়ামী লীগ।

করোনাপরবর্তী সময়ে যশোরের জনসভাই হবে ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম কোনো প্রকাশ্য কর্মসূচি। এর মাধ্যমে তিনি দেশব্যাপী দলীয় কার্যক্রমেরও সূচনা করতে যাচ্ছেন।

এ জনসভায় কয়েক লাখ মানুষের সমাগম ঘটানোর প্রস্তুতি চলছে স্থানীয় পর্যায়ে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও জনসভা সফল করতে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। নিয়মিত করছেন সভা-কর্মিসভা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় শোডাউন দিতে চায় ক্ষমতাসীনরা। বিএনপি বিভাগীয় সমাবেশের বিপরীতে জনসভাটি রীতিমতো মহাসমুদ্রে রূপ দিতে চায় আওয়ামী লীগ।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শামসুল হুদা স্টেডিয়ামের চলছে সাজসজ্জার কাজ। স্টেডিয়ামের উত্তরপাশের জীর্ণ গ্যালারি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এতে স্টেডিয়াম ও ডা. আবদুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজ মাঠ একাকার হয়েছে। বিশাল মাঠে ব্যাপক জনসমাগম ঘটাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনসভা সফল করার লক্ষ্যে সাংগঠনিক নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। প্রত্যেকটি ইউনিটের নেতাকর্মীরা তৃণমূলে জনসংযোগ করছেন। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও সফলতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন। একই সঙ্গে জনসভায় হাজির হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।

এই জনসভাকে জনসমুদ্রে রূপ দিতে বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ হেলাল উদ্দিন দীর্ঘ সাত দিন যশোরসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে কর্মিসভা, বর্ধিত সভা, পথসভা করে চলেছেন। তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, শেখ সারহান নাসের তন্ময় এমপিসহ নেতারা কাজ করছেন।

এছাড়াও আওয়ামী লীগের বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক কাজ করছেন। এছাড়াও ইতোমধ্যে যশোরে আছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান।

এছাড়া আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই ইতোমধ্যে যশোর অবস্থান করছেন। তারাও শুধু যশোরই নয়, পার্শ্ববর্তী জেলা-উপজেলায় গণসংযোগ, কর্মিসভা করে বেড়াচ্ছেন। এতে আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতারাও অংশ নিচ্ছেন।

এদিকে যশোরের জনসভা সফল করতে মঙ্গলবার মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র ও বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন।

এতে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলন এমপি, অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্ণা এমপি, মাগুরা-১ এমপি অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, মাগুরা-২ আসনের এমপি বীরেন সিকদার, বাগেরহাট-২ আসনের এমপি শেখ সারহান নাসের তন্ময় প্রমুখ বক্তব্য দেন।

মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ফ ম আবদুল ফাত্তাহর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুমার কুন্ডু সভাটি সঞ্চালনা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর