Logo
Logo
×
   

Advertisement

সকাল বেলার পাখি

নির্ভরতা

‘মা’ সন্তানের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ আশ্রয়

Advertisement

Icon

কামরুন-নাহার-মুকুল

প্রকাশ: ০৮ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

‘মা’ সন্তানের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ আশ্রয়

প্রতীকী ছবি

Advertisement

জন্ম নেওয়ার সময় প্রতিটি শিশু খুব অসহায় থাকে। মায়ের দেহের উষ্ণতা, বুকের দুধ এবং স্নেহময় চাহনি শিশুকে জীবনের নিরাপত্তা দেয়। মা-ই সবচেয়ে আগে বুঝতে পারেন শিশুর চাহিদা। শিশুর জন্মের পর তার জীবনের প্রথম শিক্ষক, প্রথম বন্ধু ‘মা’। ‘মা’ শব্দটির মাঝে জড়িয়ে আছে শিশুর প্রতি ভালোবাসা, আত্মত্যাগ, নিরন্তর মমতা ও নিঃস্বার্থ সেবা। তাই শিশুর জন্মের পরপরই মা ও শিশুর মধ্যে ঘটে থাকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খেলা।

মা শিশুর মুখের থেকে ১২ ইঞ্চির মধ্যে মুখ রেখে শিশুর চোখের দিকে তাকালে এবং নানা ধরনের অঙ্গভঙ্গি করলে শিশুও ঠিক ওরকমটাই করবে। কারণ শিশু অনুকরণপ্রিয়। আবার শিশুর মুঠোয় মা তার একটি আঙুল শক্ত করে ধরে রাখলে শিশু খুব খুশি হয়। এ খেলাটাও শিশুর খুব পছন্দ। মা শিশুকে ম্যাসাজ করার সময় প্রতিটি পায়ের আঙুল কিছুক্ষণ ধরে রাখে তখন শিশুর মধ্যে অনুভূতি বাড়ে এবং শিশু হাসতে হাসতে এপাশ-ওপাশ করে। শিশুর মুখের অভিব্যক্তিগুলো মাও করতে পারেন। শিশুর হাসিকে অনুসরণ করবেন আবার শিশু কাঁদলে মাও কাঁদবেন। শিশুর জন্য মা একখানা আয়না হবেন। আবার মা এক সেকেন্ডের জন্য চোখ-মুখ দুহাত ঢেকে রেখে আবার হাত সরিয়ে নিলে শিশু আনন্দিত হয়। শিশুরা এ খেলাটিকেও খুব পছন্দ করে। শিশুর নাগালের মধ্যে একটি ঝুনঝুনি রাখলে শিশু তাতে লাথি মারে এবং শব্দ হয়। শব্দ করার সময় শিশু উত্তেজিত থাকে। কারণ শিশুরা কৌতূহলী। 

শিশুর সঙ্গে লুকোচুরি খেলতে খেলতে বিভিন্ন দিক থেকে শিশুর নাম ধরে ডাকলে সে আওয়াজ করে। শিশু মায়ের কণ্ঠস্বর সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে। খেলার মাধ্যমে শিশুরা মায়ের কাছে নিজেদের অনুভূতি, আবেগ প্রকাশ করা শেখে। খেলার মাধ্যমে শিশুরা হামাগুড়ি দেওয়া, জিনিস ওঠানো-নামানো, বিভিন্ন খেলনার আকার আকৃতি, ভারসাম্য করাসহ, দক্ষতাও শেখে। খেলার মাধ্যমেই শিশু প্রথম বন্ধু তৈরি ও সামাজিকীকরণের ধারণা পায়। ভালোবাসায় মোড়া শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধন তৈরিতে শিশুর সঙ্গে খেলা করুন। মা-ই সন্তানের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ আশ্রয়।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম