Logo
Logo
×

Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়া

‘মেয়েকে রক্ষায় বিচারের অপেক্ষা না করেই থাপ্পড়-লাথি মারতে পারেন বাবা’

Advertisement

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২০ পিএম

‘মেয়েকে রক্ষায় বিচারের অপেক্ষা না করেই থাপ্পড়-লাথি মারতে পারেন বাবা’

সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

যে কোনো বাবা তার মেয়েকে কোনো ব্যক্তির অনিষ্ট থেকে রক্ষা করতে বিচারের অপেক্ষা না করেই তাৎক্ষণিকভাবে শারীরিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে মাহবুব কবির মিলন লেখেন, কোনো বাবা তার মেয়েকে রক্ষা করতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে থাপ্পড় বা লাথি মারতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে তিনি নিজেও একই কাজ করতেন, এমনকি আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাতেন বলে উল্লেখ করেন।

বিদেশে শিশুদের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত পরিসর সম্পর্কে সচেতনতার উদাহরণ তুলে ধরে তিনি সিঙ্গাপুরের একটি ঘটনার কথা জানান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ‘একবার সিঙ্গাপুরে এক নির্জন রাস্তায় যাত্রী ছাউনিতে ৫-৬ বছরের ছোট্ট এক মেয়ে একা বসে আছে দেখে ভাবলাম, হারিয়ে গেছে বোধহয়। অথবা কোনো বিপদে পড়েছে কি না ভেবে তার সঙ্গে কথা বলার জন্য এগিয়ে যেতেই সিঙ্গাপুরের সিটিজেন কাজিন আমাকে পেছন থেকে হুড়মুড় করে টেনে নিয়ে গেল। ভাই আপনি করছেন কী! এখানে বাচ্চা কখনোই হারাবে না। আর বিপদে পড়লে পুলিশ আছে। আপনি ছোট্ট বাচ্চার পাশে গিয়ে বসলেই বরং সন্দেহ করে পুলিশ আপনাকেই ধরে নিয়ে যাবে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার সিটিজেন আমার ছোট বোনের একমাত্র বাচ্চা একেবারে শিশু অবস্থায় দেশ ছেড়ে সেখানে চলে যায়। এরপর বাচ্চার ৫/৬ বছর বয়সে দেশে বেড়াতে আসলে আমি ভাগ্নির মাথায় আদর করে একবার চুমু দিয়েছিলাম। সে তার মাকে বলেছিল, খালু আমাকে টাচ করেছে কেন! অথচ আদর করেছিলাম ওর মায়ের সামনেই। বিদেশে বাচ্চাদের এভাবেই শিক্ষা দেওয়া হয়।’

সাবেক এই অতিরিক্ত সচিব আরও লেখেন, ‘এই হলো বাইরের জগত। এটাই স্বাভাবিক। তাদের শিক্ষা, আইন ও সুস্থ পরিবেশ আজ তাদের উন্নতির চরম শিখরে নিয়ে গেছে। আমরা সব অপকর্ম, কুকর্ম, অন্যায়-অনিয়ম, নির্যাতন-দুর্নীতি, অবিচার-অত্যাচার, ব্যাভিচার-জিনা-বলাৎকার নির্দ্বিধায় করে চলেছি। কেন? কেন এত সাহস পাই? কেন কর্ম ও ধর্ম আমাদের ঠিক করতে পারছে না!’

পোস্টে মাহবুব কবির লেখেন, ‘কারণ সমস্যা অনেক গভীরে। আরও খারাপ হবে। ধ্বংস হয়ে যাবে সবকিছু। কারণ আমরা কেউ সৎ কর্মশীল নই। আমরা জানি এই দেশের বিচার ব্যবস্থা। আমরা জানি যতই অপরাধ করি না কেন, দুই দিন পর জামিনে বের হয়ে আসব। পাঁচবার জামিনে বের হয়ে পাঁচবার খুন করলেও জামিনদারের কোনো বিচার বা শাস্তি হবে না।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আমরা জানি বা আমাদের বলা হয়, আশ্বস্ত করা হয়, শুধু নামাজ পড়লেই সব কুকর্ম মাফ হয়ে যাবে। জিনা, ধর্ষণ, হত্যা, দুর্নীতি, বলাৎকার, যাই কর না কেন, নামাজ ছাড়া যাবে না। তো নামাজ মিস হয় না, কুকর্মও মিস হয় না।’

সবশেষে তিনি যুক্ত করেন, ‘এবার বুঝে নিন, নারী শুধু ভোগের বস্তু এবং তা হালাল, সেই সেন্সের উৎপত্তি কোথা থেকে এবং কেন হয়েছে। তার মানে শুধু নামাজ পড়লে সৎ কর্মশীল হবার কোনো প্রয়োজন নেই। অথচ আল্লাহপাক সৎ কর্মশীল হবার কথা বারবার বলেছেন। নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত সৎ কর্মের একটা অংশ মাত্র। হজরত লূত (আ)-এর অভিশপ্ত কওম হাসবে একদিন আমাদের দেখে। অথবা হেসেই চলেছে।’

Advertisement

Advertisement

সম্পর্কিত খবর

মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন রুমির স্ত্রী

মাদ্রাসায় মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন রুমির স্ত্রী

সহপাঠীর জন্য ধর্ষণ থেকে রক্ষা পেল মাদ্রাসাছাত্রী, পরিচালক গ্রেফতার

সহপাঠীর জন্য ধর্ষণ থেকে রক্ষা পেল মাদ্রাসাছাত্রী, পরিচালক গ্রেফতার

৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা শিশুকে ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত...

ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা শিশুকে ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত...

মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

মতলবে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, প্রতিবেশী যুবক আটক

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, প্রতিবেশী যুবক আটক

আরও পড়ুন

মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকড

মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকড

‘মেয়েকে রক্ষায় বিচারের অপেক্ষা না করেই থাপ্পড়-লাথি মারতে পারেন বাবা’

‘মেয়েকে রক্ষায় বিচারের অপেক্ষা না করেই থাপ্পড়-লাথি মারতে পারেন বাবা’

আলেম সমাজের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন আসিফ নজরুলের

আলেম সমাজের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন আসিফ নজরুলের

বাংলাদেশের পূজায় চমকে গেলেন ময়ূখ, চাইলেন চট্টগ্রামের জন্য পুরস্কার

বাংলাদেশের পূজায় চমকে গেলেন ময়ূখ, চাইলেন চট্টগ্রামের জন্য পুরস্কার

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম