কিছু অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে আমার লেখালেখি বন্ধ হয়ে যেত: আসিফ নজরুল
jugantor
কিছু অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে আমার লেখালেখি বন্ধ হয়ে যেত: আসিফ নজরুল

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৯ জানুয়ারি ২০২০, ১২:৪২:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। ফাইল ছবি

সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল

শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি বলেছেন, মাহমুদুর রহমান, শফিক রেহমান, ফরহাদ মজহারদের বিরুদ্ধে অন্যায়ের সময় আমি কিছু লিখেছিলাম? প্রথম আলো কি করেছিল তখন?

‘জ্বী লিখেছিলাম, তাদের বিরুদ্ধে অন্যায়কে তুলে ধরেছিলাম এবং এসব প্রথম আলো-ই প্রকাশ করেছিল। মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে মানহানি মামলার ত্রুটি বিচ্যুতি নিয়েও লিখেছিলাম, প্রথম আলো প্রকাশ করেছিল।’

আসিফ নজরুল বলেন, ‘তারপরও কিছু জিনিস লিখতে পারিনি, কিছু অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারিনি। ৬০ শতাংশ লিখেছি। বাকি ৪০ শতাংশ লিখতে গেলে আমার লেখার সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেত।’

‘কোনটা ভালো? ৬০ শতাংশ সত্য প্রকাশ করা, নাকি বেশি বলতে গিয়ে আরও অনেকের মতো বিদেশে পালাতে বাধ্য হওয়া বা ভয়ানক বিপদে স্তদ্ধ হয়ে যাওয়া?’

ঢাবির এই অধ্যাপক আরও বলেন, বিপদ আমারও একদম কম হয়নি। মামলা, প্রাণনাশের হুমকি, আর্থিক ক্ষতি, দুঃসহ টেনশন সব সহ্য করে লিখি। এজন্য বহু মানুষের দোয়া আর ভালোবাসা পেয়েছি। দুঃখ লাগে শুধু কেউ সব জেনেবুঝে অভিযোগ

কিছু অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে আমার লেখালেখি বন্ধ হয়ে যেত: আসিফ নজরুল

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৯ জানুয়ারি ২০২০, ১২:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। ফাইল ছবি

সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল

শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি বলেছেন, মাহমুদুর রহমান, শফিক রেহমান, ফরহাদ মজহারদের বিরুদ্ধেঅন্যায়ের সময় আমি কিছু লিখেছিলাম? প্রথম আলো কি করেছিল তখন?

‘জ্বী লিখেছিলাম, তাদের বিরুদ্ধে অন্যায়কে তুলে ধরেছিলাম এবং এসব প্রথম আলো-ই প্রকাশ করেছিল। মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে মানহানিমামলার ত্রুটি বিচ্যুতি নিয়েও লিখেছিলাম, প্রথম আলো প্রকাশ করেছিল।’

আসিফ নজরুল বলেন, ‘তারপরও কিছু জিনিস লিখতে পারিনি, কিছু অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারিনি। ৬০ শতাংশ লিখেছি। বাকি ৪০ শতাংশলিখতে গেলে আমার লেখার সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেত।’

‘কোনটা ভালো? ৬০ শতাংশ সত্য প্রকাশ করা, নাকি বেশি বলতে গিয়ে আরও অনেকের মতো বিদেশে পালাতে বাধ্য হওয়া বা ভয়ানক বিপদেস্তদ্ধ হয়ে যাওয়া?’

ঢাবির এই অধ্যাপক আরও বলেন, বিপদ আমারও একদম কম হয়নি। মামলা, প্রাণনাশের হুমকি, আর্থিক ক্ষতি, দুঃসহ টেনশন সব সহ্য করেলিখি। এজন্য বহু মানুষের দোয়া আর ভালোবাসা পেয়েছি। দুঃখ লাগে শুধু কেউ সব জেনেবুঝে অভিযোগ