Logo
Logo
×
   

Advertisement

খেলা

ভারতীয় হত্যায় পরোক্ষ অবদান রাখছে সানরাইজার্স, দাবি কিংবদন্তির

Advertisement

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ০২:২৬ পিএম

ভারতীয় হত্যায় পরোক্ষ অবদান রাখছে সানরাইজার্স, দাবি কিংবদন্তির

Advertisement

ইংল্যান্ডের দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্টে ভারতীয় মালিকানার ফ্র্যাঞ্চাইজি সানরাইজার্স লিডসের পাকিস্তানি স্পিনার আবরার আহমেদকে দলে ভেড়ানোর বিষয়টাকে অনেক ভারতীয়ই মেনে নিতে পারছেন না। ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কারও তাদের দলে। তিনি দাবি করেছেন এই সিদ্ধান্ত ‘পরোক্ষভাবে ভারতীয় সেনা ও বেসামরিক মানুষের মৃত্যুতে অবদান রাখে।’

ভারতীয় সংবাদপত্র মিড-ডেতে প্রকাশিত সাপ্তাহিক কলামে ৭৬ বছর বয়সী সাবেক ভারত অধিনায়ক লিখেছেন, ‘পাকিস্তানি খেলোয়াড়কে যে বেতন দেওয়া হয়, সেই খেলোয়াড় তার সরকারকে আয়কর দেন। সেই সরকার সেই অর্থ দিয়ে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কেনে। এটি পরোক্ষভাবে ভারতীয় সেনা ও বেসামরিক মানুষের মৃত্যুতে অবদান রাখে।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘ভারতীয় হোক বা বিদেশি প্রতিষ্ঠান — মালিক যদি ভারতীয় হন, তাহলে তিনি ভারতীয় হত্যায় অবদান রাখছেন।’ এ কথা তিনি মূলত সানরাইজার্স কর্তৃপক্ষকে ইঙ্গিত করে বলেছেন। 

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের পর থেকে পাকিস্তানের কোনো খেলোয়াড় আইপিএলে খেলতে পারেননি। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ কূটনৈতিক উত্তেজনাই এর কারণ। গত বছরের মে মাসে দুই দেশের মধ্যে মারাত্মক সংঘাতও হয়েছে। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কোনো দ্বিপক্ষীয় সিরিজ হয়নি তাদের মধ্যে।

হান্ড্রেডের নিলামের আগে জল্পনা ছিল যে আইপিএলের সঙ্গে সংযুক্ত ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের কেনায় ‘শ্যাডো ব্যান’ আরোপ করবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সানরাইজার্স লিডস ১ লাখ ৯০ হাজার পাউন্ডে আবরার আহমেদকে কিনে নেয়। এই সিদ্ধান্তে ভারতীয় সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে দলটি।

আরও তিনটি হান্ড্রেড ফ্র্যাঞ্চাইজির আংশিক মালিকানা আইপিএল দলের সঙ্গে যুক্ত। এগুলো হলো এমআই লন্ডন, ম্যানচেস্টার সুপার জায়েন্টস ও সাদার্ন ব্রেভ। নিলামে কেনা অন্য পাকিস্তানি খেলোয়াড় উসমান তারিককে আমেরিকান মালিকানার বার্মিংহাম ফিনিক্স কিনেছে।

ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড গত মাসে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিল, সব দল শুধুমাত্র পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে খেলোয়াড় বাছাই করবে।

গাভাস্কার তার কলামে শেষে বলেছেন, ‘এখনো এই ভুল শোধরানোর সময় আছে। আশা করি বিচক্ষণ মস্তিষ্কগুলো এগিয়ে আসবে।’

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম