Logo
Logo
×
   

Advertisement

খেলা

১৮ বছর আগের চুক্তি কোটিপতি বানাল ওয়ার্নের পরিবারকে

Advertisement

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬, ০২:০৯ পিএম

১৮ বছর আগের চুক্তি কোটিপতি বানাল ওয়ার্নের পরিবারকে

ফাইল ছবি

Advertisement

এখন তো মনে হচ্ছে শেন ওয়ার্ন শুধু মাঠেই নয়, মাঠের বাইরের জীবনেও বেশ সুচতুর আর দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষই ছিলেন। ২০০৮ সালে রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে একটা চুক্তি করেছিলেন তিনি, তার মৃত্যুর প্রায় ৪ বছর পর সেই চুক্তিই এখন কোটিপতি বানিয়ে দিয়েছে তার পরিবারকে। 

২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম মৌসুমে রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে চুক্তি করার সময় অস্ট্রেলিয়ার স্পিন কিংবদন্তি শেন ওয়ার্ন একটি বিশেষ শর্ত রেখেছিলেন। সেই দূরদর্শী সিদ্ধান্তই এখন তার পরিবারের জন্য বিশাল আর্থিক পুরস্কার বয়ে এনেছে।

চুক্তিতে শর্ত ছিল, তিনি প্রতিটি মৌসুম খেললে দলের মালিকানায় তার ০.৭৫ শতাংশ করে অংশ থাকবে। এক সাক্ষাৎকারে ওয়ার্ন বলেছিলেন, ‘আমার চুক্তির অংশ হিসেবে তারা আমাকে অধিনায়ক, কোচ ও দলের সব কিছু পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিল, আমি যেভাবে চাই সেভাবে। আমিই ছিলাম সব কিছু।’

ওয়ার্ন মোট চারটি মৌসুম রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে খেলেছেন। ২০০৮ সালের প্রথম আসরেই দলকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন। চার মৌসুম মিলিয়ে তার মালিকানার অংশ দাঁড়িয়েছে মোট ৩ শতাংশ।

সম্প্রতি রাজস্থান রয়্যালস যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি কনসোর্টিয়ামের কাছে ১৬৩ কোটি মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার সমতুল্য। এই হিসাবে ওয়ার্নের ৩ শতাংশ অংশের মূল্য দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ান মুদ্রায় তা প্রায় সাড়ে ৭ কোটি ডলার।

২০২৬ আইপিএল মৌসুম শেষ হওয়ার পর ওয়ার্নের পরিবার এই অংশ বিক্রি করে অর্থ তুলে নিতে পারবেন। তবে এর জন্য ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের অনুমোদন লাগবে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে মাত্র ৬ কোটি ৭০ লাখ ডলারে রাজস্থান রয়্যালস কিনেছিল মনোজ বাদালের নেতৃত্বাধীন ইমার্জিং মিডিয়া। সেই দলের মূল্য আজ কতটা বেড়েছে তা এই বিক্রির মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়ে গেছে। আর তাতেই ওয়ার্নের প্রাপ্তির ভাগটাও ফুলে ফেঁপে উঠেছে রীতিমতো।

তবে ওয়ার্ন নিজে অবশ্য এই অর্জনের খবর দেখে যেতে পারলেন না। ২০২২ সালে তিনি চলে যান না ফেরার দেশে। তবে ১৮ বছর আগে করা তার সেই দূরদর্শী চুক্তি তার পরিবারের জন্য অমূল্য সম্পদ হয়ে রয়ে গেছে, যার বদৌলতে তার পরিবার এখন কোটিপতি বনে গেছে রীতিমতো।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম