|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চার বছর আগে সবশেষ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই হেরেছিল কাতার। এশিয়ান চ্যাম্পিয়নরা ক্যালিফোর্নিয়ায় দারুণ শুরু চায়। অন্যদিকে টানা তিন বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে জায়গা পাওয়া সুইজারল্যান্ডের চোখ জয় দিয়ে শুরু করাতে।
উত্তেজনা পূর্ণ ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে যুগান্তরের পাতায়। মাঠের লড়াই, ম্যাচের ফলাফল ও পয়েন্ট তালিকার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চোখ রাখুন এখানে।
১৩ জুন ২০২৬, ২১:১০ পিএম
শেষ সময়ের গোলে পয়েন্ট পেল কাতার
কাতার ১: ১ সুইজারল্যান্ড
পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল সুইজারল্যান্ডের একের পর এক আক্রমণ। কিন্তু কাতার ধৈর্য হারায়নি। অযথা তাড়াহুড়ো করেনি, নিজেদের পরিকল্পনা থেকে সরে আসেনি।
শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ অধিনায়ক এগিয়ে এসে ঠিক সেই মুহূর্তেই দায়িত্ব পালন করলেন, যখন দলটির সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল। ১৭ মিনিটের পিছিয়ে পড়েছিল কাতার। পেনাল্টি থেকে সুইসদের এগিয়ে দেন ব্রিল এমবোলো। এরপর ডজনখানেক গোলের সুযোগ রুখে দিয়েছে কাতার। তাতেই হয়েছে ইতিহাস।
চার বছর আগে নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের অভিষেক আসরে তিনটি ম্যাচই হেরে বিদায় নিয়েছিল কাতার। কিন্তু এবার ইতিহাস বদলেছে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট পেয়েছে কাতারিরা। ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯৪ মিনিট) বুয়ালেম খুখির গোলে সমতায় ফেরে কাতার।
এটি হয়তো জয় নয়, কিন্তু কাতারি ফুটবলের জন্য এই এক পয়েন্টের মূল্য কোনো জয়ের চেয়ে কম নয়। কারণ এই পয়েন্টেই লেখা হলো তাদের বিশ্বকাপের নতুন ইতিহাস। উল্টো বললে, দুর্দান্ত খেলেও শেষের ভুলের খেসারত বড় মাত্রায় দিতে হয়েছে সুইসদের।
১৩ জুন ২০২৬, ২১:০২ পিএম
যোগ করা সময়ে গোল শোধ দিল কাতার
কাতার ১:১ সুইজারল্যান্ড
১৩ জুন ২০২৬, ২০:০৬ পিএম
এগিয়ে থেকে বিরতিতে সুইজারল্যান্ড
ব্রিলের গোলে এগিয়ে সুইজারল্যান্ড। সংগৃহীত ছবি
১৩ জুন ২০২৬, ১৯:৩৮ পিএম
সুইস সমর্থকদের আশা দেখাতে পারে যে পরিসংখ্যান
ব্রিলের গোলে এগিয়ে সুইজারল্যান্ড। সংগৃহীত ছবি
কাতারের বিপক্ষে দাপুটে শুরুর ফল ১৩ মিনিটের মাথায় পেয়েছে সুইজারল্যান্ড। পেনাল্টি থেকে গোল করে সুইসদের এগিয়ে দিয়েছেন ব্রিল এমোবলো। তার এই গোলে জয়ের বড় আশা দেখতে পারে দলটির সমর্থকরা।
পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে প্রথম গোল করলে সুইজারল্যান্ড সাধারণত হারে না। ১৯৬৬ সালের ১৫ জুলাই স্পেনের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে হারের পর থেকে বিশ্বকাপে প্রথমে গোল করা পরবর্তী নয়টি ম্যাচের একটিতেও হার দেখেনি সুইজারল্যান্ড। এবারও সেটি হতে পারে!
১৩ জুন ২০২৬, ১৯:৩২ পিএম
পেনাল্টি থেকে গোলে এগিয়ে সুইজারল্যান্ড
কাতারের বিপক্ষে শুরু থেকেই দাপট ধরে রেখেছে সুইজারল্যান্ড। ১২তম মিনিটে দারুণ এক সুযোগও এসেছিল। তবে সেই আক্ষেপ ঘোচে ১৩ মিনিটের মাথায়।
ম্যাচের ১৩ মিনিটে ব্রিল এমবোলোর হেডে বল নিচে নামার পর সেটির দিকে ছুটে যান রেমো ফ্রয়েলার। বলের কাছে সবার আগে পৌঁছালেও কাতারের গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা তাকে ফাউল করে বসেন। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ১৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে এগিয়ে দেন এমোবলো।
আরেকটি পরিসংখ্যান সুইস সমর্থকদের আশাবাদী করে তুলতে পারে। বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে প্রথম গোল করলে সুইজারল্যান্ড হারে না। ১৯৬৬ সালের ১৫ জুলাই স্পেনের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে হারের পর থেকে বিশ্বকাপে প্রথমে গোল করা পরবর্তী নয়টি ম্যাচের একটিতেও পরাজয়ের মুখ দেখেনি সুইজারল্যান্ড।
১৩ জুন ২০২৬, ১৮:৪০ পিএম
নিকো-কোবেলকে নিয়ে একাদশ সাজাল সুইজারল্যান্ড
সুইজারল্যান্ড টানা শেষ তিনটি বিশ্বকাপেই শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছিল। মুরাত ইয়াকিনের দলে বুন্দেসলিগায় খেলা নয়জন ফুটবলার রয়েছেন। সুইসদের শুরুর একাদশে আছেন বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল এবং বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখের সেন্টার-ব্যাক নিকো এলভেদি।
এছাড়া ম্যাচে বদলি হিসেবে নামার অপেক্ষায় রয়েছেন মেইঞ্জের সিলভান উইডমার, হামবুর্গ এসভির মিরো মুহেইম, ফ্রাইবুর্গের জোহান মানজাম্বি, অগসবুর্গের ফাবিয়ান রিডার, আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের অরেলে আমেন্ডা, স্টুটগার্টের লুকা জাকেজ এবং ফর্চুনা ডুসেলডর্ফের সেড্রিক ইটেন।
সুইজদের দলে আরও আটজন ফুটবলারের বুন্দেসলিগায় খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাদের মধ্যে অধিনায়ক গ্রানিত জাকা (গ্লাডবাখ ও লেভারকুসেন), ম্যানুয়েল আকাঞ্জি (ডর্টমুন্ড), ডেনিস জাকারিয়া (গ্লাডবাখ), রিকার্ডো রদ্রিগেজ (ভলফসবুর্গ), রুবেন ভার্গাস (অগসবুর্গ) এবং ব্রিল এমবোলো (গ্লাডবাখ ও শালকে) আজ শুরুর একাদশেই
সুইজারল্যান্ডের একাদশ
কোবেল, এলভেদি, আকাঞ্জি, জাকারিয়া, রদ্রিগেজ, ফ্রয়েলার, জাকা (অধিনায়ক), অ্যাবিশার, এনদোয়ে, ভার্গাস ও এমবোলো।
