শেষ সময়ের গোলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করছে কাতার। সংগৃহীত ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
কাতারের কোচ জুলেন লোপেতেগুইয়ের পরিকল্পনা ছিল খুবই সহজ—রক্ষণকে গুছিয়ে রাখা, যতক্ষণ সম্ভব ম্যাচে টিকে থাকা আর সুযোগ এলে কাজে লাগানো। বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে সেটিই হয়েছে।
অবশ্য বলায় যতটা সহজ শোনায়, বাস্তবে কাজটা ছিল তার চেয়েও কঠিন। পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল সুইসদের একের পর এক আক্রমণ। কিন্তু কাতার ধৈর্য হারায়নি। অযথা তাড়াহুড়ো করেনি, নিজেদের পরিকল্পনা থেকে সরে আসেনি।
শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ অধিনায়ক এগিয়ে এসে ঠিক সেই মুহূর্তেই দায়িত্ব পালন করলেন, যখন দলটির সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল। ১৭ মিনিটের পিছিয়ে পড়েছিল কাতার। পেনাল্টি থেকে সুইসদের এগিয়ে দেন ব্রিল এমবোলো। এরপর ডজনখানেক গোলের সুযোগ রুখে দিয়েছে কাতার। তাতেই হয়েছে ইতিহাস।
চার বছর আগে নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের অভিষেক আসরে তিনটি ম্যাচই হেরে বিদায় নিয়েছিল কাতার। কিন্তু এবার ইতিহাস বদলেছে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট পেয়েছে কাতারিরা। ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯৪ মিনিট) বুয়ালেম খুখির গোলে সমতায় ফেরে কাতার।
এটি হয়তো জয় নয়, কিন্তু কাতারি ফুটবলের জন্য এই এক পয়েন্টের মূল্য কোনো জয়ের চেয়ে কম নয়। কারণ এই পয়েন্টেই লেখা হলো তাদের বিশ্বকাপের নতুন ইতিহাস। উল্টো বললে, দুর্দান্ত খেলেও শেষের ভুলের খেসারত বড় মাত্রায় দিতে হয়েছে সুইসদের।
