সতীর্থের এক সিদ্ধান্তেই স্বপ্ন ভাঙল হালান্ডের!
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে একটি সিদ্ধান্তই যেন বদলে দিল ম্যাচের ভাগ্য। নিশ্চিত গোলের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আর্লিং হালান্ডকে পাস না দিয়ে নিজেই শট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন নরওয়ের ফরোয়ার্ড আলেকজান্ডার সোরলথ। সেই সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার পরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারায় নরওয়ে। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে ২-১ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় ইংল্যান্ড।
ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের গোলে এগিয়ে যায় নরওয়ে। এরপর দ্রুত পাল্টা আক্রমণে বল নিয়ে ইংল্যান্ডের বক্সে প্রবেশ করেন সোরলথ। এ সময় ডান পাশে একেবারে ফাঁকা জায়গায় ছিলেন আর্লিং হালান্ড। তাকে পাস দিলে সহজেই ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ ছিল।
তবে সতীর্থকে বল না বাড়িয়ে নিজেই শট নেন সোরলথ। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জেমস ট্রাফোর্ড দারুণ সেভ করে দলকে বিপদমুক্ত করেন। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, ওই মুহূর্তে হালান্ডকে বল দিলে নরওয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত, যা ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারত।
সুযোগ নষ্টের খেসারতও দ্রুত গুনতে হয় নরওয়েকে। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে জুদ বেলিংহ্যাম সমতা ফেরান। পরে অতিরিক্ত সময়েও গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দেন তিনি এবং নিশ্চিত করেন সেমিফাইনালের টিকিট।
ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোরলথের সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। অনেক সমর্থক ও বিশ্লেষক এটিকে টুর্নামেন্টের অন্যতম বড় ভুল হিসেবে উল্লেখ করেন। তাদের মতে, ব্যক্তিগতভাবে শট নেওয়ার বদলে দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে হালান্ডকে পাস দিলে নরওয়ের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যেত।
অন্যদিকে পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা আর্লিং হালান্ড এ ম্যাচে গোল করতে পারেননি। অতিরিক্ত সময়ে পায়ে চোট ও শারীরিক ক্লান্তির কারণে তাকে মাঠ থেকে তুলে নেন কোচ স্টলে সোলবাকেন। ম্যাচ শেষে কোচ জানান, আঘাতের কারণে হালান্ডের পক্ষে খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না।
