‘সামনে এসে কথা বলো’, নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের বললেন ডেনিলসন
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক ফুটবলার ডেনিলসন অলিভিয়েরা।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। পরাজয়ের পর দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। তবে ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক ফুটবলার ডেনিলসন অলিভিয়েরা মনে করেন, এসব বার্তা ছিল ‘খুবই প্রাণহীন’ এবং এগুলো সমর্থকদের সঙ্গে দলের দূরত্ব কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে না।
সোমবার (১৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ১৯৯৮ ও ২০০২ বিশ্বকাপে ব্রাজিল দলের লেফট উইঙ্গার ডেনিলসন বলেন, এমন পরিস্থিতিতে অনেক সময় খেলোয়াড়রা তাদের জনসংযোগ (পিআর) দলের তৈরি করা লেখা পোস্ট করেন। তার মতে, এটি একটি প্রচলিত প্রথা হলেও, শুধুমাত্র লিখিত বার্তার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের প্রকৃত কষ্ট, হতাশা বা আবেগ পুরোপুরি প্রকাশ পায় না। একই সঙ্গে এ ধরনের পোস্ট সমর্থকদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করতেও তেমন ভূমিকা রাখে না।
তিনি বলেন, ‘একটা বড় ভিডিও বানাও, মন খুলে কথা বলো। তোমরা যা লিখেছ, তা মুখে বলো- যদি লেখাগুলো তোমরাই লিখে থাকো। কারণ অনেক সময় এজেন্সি লিখে দেয়, আর সেটা নিয়েও কোনো সমস্যা নেই, সব ঠিক আছে। কিন্তু ভাই, ভিডিও করো। মানুষের তোমাদের সেই দুঃখ, সেই হতাশা অনুভব করা দরকার। ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের আবার সেলেসাওদের সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রয়োজন। আর যখন শুধু লেখা আসে, তখন বিষয়টা কেমন যেন খুব প্রাণহীন মনে হয়, বুঝতে পেরেছ? তোমরা যা অনুভব করেছ, সমর্থকদেরও সেটা অনুভব করতে দেওয়া উচিত।’
বর্তমানে ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করা ডেনিলসন বিশ্বকাপের বাকি অংশ কভার করতে এখনও নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপে দেশের এটিই সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স এবং দীর্ঘ ২৮ বছরের শিরোপা খরার কষ্ট প্রতিটি খেলোয়াড়ই পেয়েছেন। তা সত্ত্বেও, তিনি মনে করেন যে খেলোয়াড়দের যোগাযোগের মাধ্যমটি এবার বদলানো দরকার।
ডেনিলসন শেষ অংশে বলেন, ‘আমি নিশ্চিত যে তোমরা এই হারের কষ্ট পেয়েছ। আমি নিশ্চিত তোমরাই সবচেয়ে বেশি কষ্ট পেয়েছ। তারপরও শুধু লেখা পোস্ট করলে সমর্থকদের কাছে সেটা খুব নিস্পৃহ বা দায়সারা মনে হয়। তাই ভাই, একটা বড় ভিডিও করো, সামনে এসে কথা বলো। বলো, ‘বন্ধুরা, আমার খুব খারাপ লাগছে, আমরা হেরে গেছি, দুর্ভাগ্যবশত...।’

