Logo
Logo
×
   

Advertisement

খেলা

বিশ্বকাপে ‘ম্যাচ পাতানো’র কোনো প্রমাণ পায়নি ফিফা

Advertisement

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:২০ পিএম

বিশ্বকাপে ‘ম্যাচ পাতানো’র কোনো প্রমাণ পায়নি ফিফা

ফিফার টাস্ক ফোর্স কোনো ম্যাচেই সন্দেহজনক বাজির কার্যক্রম বা ম্যাচ কারসাজির ইঙ্গিত পায়নি।

Advertisement

৪৮ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ আসরে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে গড়িয়েছে ১০৪টি ম্যাচ। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে সম্ভাব্য ম্যাচ ফিক্সিং, অবৈধ বেটিং ও অন্যান্য ঝুঁকি পর্যবেক্ষণে সক্রিয় ছিল ফিফার ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্স। গত ১৯ জুলাই স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনালের মাধ্যমে পর্দা নামে বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের। টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পরই সম্ভাব্য ম্যাচ ফিক্সিং ও বেটিং সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়ে নিজেদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ফিফার বিশেষ এই কমিটি।

ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্সের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফিফা আয়োজিত প্রতিযোগিতায় ম্যাচ পাতানোর হুমকি থেকে সুরক্ষিত রাখতে গঠিত এই টাস্ক ফোর্স বিশ্বকাপজুড়ে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেছে। যেখানে কোনো ম্যাচেই সন্দেহজনক বাজির কার্যক্রম বা ম্যাচ কারসাজির ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

ফিফা জানায়, বিশ্বকাপ চলাকালে টাস্ক ফোর্সের সদস্যদের পাঠানো বাজি পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন, অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বিদ্যমান রিপোর্টিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাপ্ত সব তথ্য ফিফা কেন্দ্রীয়ভাবে সংগ্রহ করে। এরপর নির্ধারিত কার্যপ্রণালি অনুযায়ী এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে টাস্ক ফোর্সের সদস্যদের মধ্যে ভাগাভাগি করা হয়। টাস্ক ফোর্সের সমন্বিত কাঠামোর ফলে বিশ্বকাপজুড়ে ম্যাচ পাতানোর সম্ভাব্য যেকোনো সতর্ক সংকেত দ্রুত, সমন্বিত ও দক্ষতার সঙ্গে মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়েছে। প্রতিটি সদস্য তাদের নিজ নিজ বিশেষজ্ঞ জ্ঞান দিয়ে এই প্রক্রিয়ায় অবদান রেখেছেন।   

ফিফার সিনিয়র ইন্টেগ্রিটি ম্যানেজার লিয়াম রিচ বলেন, ‘২০২৬ বিশ্বকাপে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান, সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ফিফা ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্স একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করেছিল। টুর্নামেন্টজুড়ে তাদের দক্ষতা ও প্রতিশ্রুতির জন্য আমরা সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানাই। ভবিষ্যতেও ফিফা টুর্নামেন্টগুলোতে এই সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার অপেক্ষায় আছি।’

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে ফিফা ইন্টেগ্রিটি টাস্ক ফোর্সের সদস্য হিসেবে ছিল এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি), আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ), দক্ষিণ আমেরিকা ও ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা (কনমেবল ও উয়েফা) কনকাকাফ, ওশেনিয়া ফুটবল কনফেডারেশন (ওএফসি), যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা ও মেক্সিকোর ফুটবল ফেডারেশন, এফবিআই, ইন্টারপোল, জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি), কাউন্সিল অব ইউরোপ, গ্রুপ অব কোপেনহেগেন, স্পোরট্রাডার, ইন্টারন্যাশনাল বেটিং ইন্টেগ্রিটি অ্যাসোসিয়েশন (আইবিআইএ), ইউনাইটেড লটারিজ ফর ইন্টেগ্রিটি ইন স্পোর্টস, আইসি৩৬০, জিনিয়াস স্পোর্টস, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ, স্পোর্ট ইন্টেগ্রিটি কানাডা, কম্পিটিশন ব্যুরো কানাডা, মেক্সিকোর ফেডারেল ইকোনমিক কম্পিটিশন কমিশন এবং আরও কয়েকজন স্বাধীন বিশেষজ্ঞ।

Advertisement

Advertisement

ঘটনাপ্রবাহ: ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬


আরও পড়ুন

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম