জার্সিতে এক হাজার স্পন্সর নিয়ে আলোচনায় পেরুর ঐতিহ্যবাহী ক্লাব
Advertisement
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম
পেরুর চতুর্থ স্তরের ফুটবল ক্লাব দেপোর্তিভো মিউনিসিপাল অর্থসংকট কাটাতে অভিনব উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় এসেছে।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পেরুর চতুর্থ স্তরের ফুটবল ক্লাব দেপোর্তিভো মিউনিসিপাল অর্থসংকট কাটাতে অভিনব এক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় এসেছে। মৌসুম পরিচালনার খরচ জোগাতে ক্লাবটি তাদের জার্সিতে এক হাজার স্পন্সরের নাম যুক্ত করেছে, যা ফুটবল বিশ্বে বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পেরুর শীর্ষ লিগ থেকে অবনমিত হয়ে কোপা পেরুতে (দেশটির চতুর্থ স্তরের প্রতিযোগিতা) খেলতে নামার পর আর্থিক সংকটে পড়ে ক্লাবটি। এ অবস্থায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে তারা ‘লস মিল স্পন্সরস দেল মুনি’ (মুনির এক হাজার স্পন্সর) নামে একটি বিশেষ প্রচারণা শুরু করে।
এই কর্মসূচির আওতায় জার্সিতে থাকা এক হাজার ছোট জায়গা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। প্রতিটি জায়গার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০০ পেরুভিয়ান সোল। মাত্র তিন মাসের মধ্যেই অধিকাংশ স্থান বিক্রি হয়ে যায়।
ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, এটি প্রচলিত ক্রীড়া বিপণন ব্যবস্থার বাইরে একটি নতুন ধারণা। ছোট ছোট স্পন্সরদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করে ক্লাবকে আবার তার পুরোনো অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়াই ছিল এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
এই প্রচারণা থেকে প্রায় ৩ লাখ ২ হাজার ৬০০ ব্রাজিলিয়ান রিয়াল সমপরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়, যা ক্লাবটির মৌসুম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ফলে জার্সিতে শত শত কালো-সাদা বক্সে স্পন্সরদের নাম স্থান পায়। ক্লাবের ঐতিহ্যবাহী লাল তির্যক স্ট্রাইপ ও লোগো অক্ষুণ্ন রেখে তৈরি করা এই নকশা দূর থেকে দেখতে অনেকটা ‘পিক্সেলেটেড’ বা ডিজিটাল ছবির মতো মনে হয়। গত ২৫ জুলাই থেকে জার্সিটির প্রি-অর্ডার বিক্রি শুরু হয়েছে। যারা স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন, তাদের জন্য বিশেষ ছাড়ও রাখা হয়েছে।
তবে আর্থিক সাফল্য পেলেও মাঠের লড়াইয়ে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি দেপোর্তিভো মিউনিসিপাল। দলটি লিগা দেপার্তামেন্তাল দে লিমার দ্বিতীয় পর্বে উঠলেও গত ২৬ জুলাই স্পোর্ট হুমায়া-এর কাছে হেরে বিদায় নেয়।
পেরুর অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাব দেপোর্তিভো মিউনিসিপাল দেশটির শীর্ষ লিগে চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এছাড়া একবার কোপা লিবার্তাদোরেস এবং চারবার কোপা সুদামেরিকানায় অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাদের।

-6a6b36c2e2ef0.jpg)