হবে না বিপিএল, ঘরোয়া ক্রিকেটে বাড়বে ম্যাচ ফি
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০১ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আগেই ধারণা করা হয়েছিল, আগামী মৌসুমে মাঠে গড়াচ্ছে না বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টুর্নামেন্ট শুরুর পর থেকেই সময়ের সঙ্গে নানা অভিযোগ জমেছে। এবার সেই বাস্তবতায় বিপিএল আয়োজন থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
আজ (বৃহস্পতিবার) হঠাৎ করেই সংবাদ সম্মেলন ডাকেন সভাপতি তামিম ইকবাল। বিকেলে হওয়া সম্মেলনে গণমাধ্যমকে এ কথা বলেন তিনি।
চলতি বছর বিসিবি সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর তামিম জানিয়েছিলেন, জোড়াতালি দিয়ে আর বিপিএল আয়োজন করতে চান না তারা। তবে টুর্নামেন্টটি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে না। বরং আরও পরিকল্পিত ও গোছানোভাবে আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে চায় বর্তমান বোর্ড।
বিপিএল না হওয়ায় দেশের ক্রিকেটারদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সঙ্গে ইতোমধ্যে দুই দফা বৈঠক করেছে বিসিবি। আজ পরিচালকদের বৈঠক শেষে ক্রিকেটারদের আর্থিক বিষয়টি নিয়েও বিস্তারিত জানান তামিম।
তিনি জানান, ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে দিতে ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে একজন ক্রিকেটার পুরো মৌসুম ঘরোয়া ক্রিকেট খেললে বছরে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।
তামিম বলেন, ‘কোয়াবের সঙ্গে দুটি মিটিং হয়েছে। তারা একটা প্রস্তাব দেয় আমরা কাউন্টার প্রস্তাব দেই। পরে আমরা আবার বসি। এরপর সময় চাই যেন আমাদের নিজেদের মিটিংটা করে নিতে পারি। এখানে আসার আগে কোয়াবের সিনিয়রদের সঙ্গে আলাপ করেছি। সবাই অনেক খুশি। একজন খেলোয়াড় ঘরোয়া ক্রিকেটের পুরো সিজন খেললে বছরে ৩৫-৪০ লাখ টাকা করে পাবে।’
ক্রিকেটারদের সঙ্গে বোর্ডের সম্পর্ক আরও ভালো করার ওপরও গুরুত্ব দেন বিসিবি সভাপতি। তার ভাষায়, ‘আমরা এখানে ক্রিকেটারদের সার্ভ করার জন্য এসেছি। আমাদের সঙ্গে ক্রিকেটারদের সম্পর্ক খারাপ হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। বরং ভালো হওয়া দরকার। কারণ অনেক সময় অনেক বেইজ্জতি করা হয়েছে ক্রিকেটারদের। আমার নতুন করে কিছু বলার দরকার নাই।’
নিজে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের ক্রিকেটার থাকায় খেলোয়াড়দের বাস্তবতা বোঝার সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তামিম। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেই যেহেতু ক্রিকেটার ছিলাম, ক্রিকেট খেলেছি তাদের সঙ্গে। তাদের ভালো-খারাপ কিছুটা হলেও বুঝার সামর্থ্য আল্লাহ আমাকে দিয়েছে। তাদের জন্য আমার যেটা করা দরকার হবে আমি তাই করব। ক্রিকেটারদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খারাপ হওয়ার প্রশ্নই আসে না। এটা ভালো হওয়ারই দরকার।’
বিপিএল এক মৌসুম না হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামো শক্তিশালী করা এবং ক্রিকেটারদের আর্থিকভাবে স্বস্তিতে রাখার দিকেই এখন নজর দিচ্ছে বিসিবি।

-6a98f92cf0e17.jpg)