Logo
Logo
×
   

খেলা

‘ফুটবলের কারখানা’ পাকিস্তানের কোথায়

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৯ এএম

‘ফুটবলের কারখানা’ পাকিস্তানের কোথায়

বিশ্বের জনপ্রিয় খেলা হলো ফুটবল। ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা ছড়িয়ে আছে পুরো বিশ্বে। যে বলটি দিয়ে মাঠে খেলা হয়, তৈরি হয় রোমাঞ্চ। সেই বলের বিশাল এক অংশ আসে পাকিস্তানের শিয়ালকোট থেকে।

বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ ফুটবল তৈরি হয় পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের শিয়ালকোটে। তাই শিয়ালকোটকে বলা হয় বিশ্বের ‘ফুটবল কারখানা’। 

শুধু সাধারণ ফুটবল নয়, বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের বল তৈরিতেও শিয়ালকোটের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস।

শিয়ালকোটের ‘ফরোয়ার্ড স্পোর্টস’ বিশ্বকাপের বল তৈরির ক্ষেত্রে বিশেষভাবে পরিচিত। ২০১৪ সালের ব্রাজুকা, ২০১৮ সালের টেলস্টার, ২০২২ সালের আল রিহলা এবং ২০২৬ সালের ট্রাইওন্ডা—বিশ্বকাপের একাধিক প্রজন্মের বল তৈরির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির নাম জড়িয়ে আছে।

১৯৮২ সাল থেকে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল তৈরির সঙ্গে যুক্ত এই শহর। সর্বশেষ ২০২৬ বিশ্বকাপের ম্যাচ বল ‘ট্রাইওন্ডা’ও তৈরি হয়েছে শিয়ালকোটের কারখানায়।

শিয়ালকোটের ফুটবল তৈরির ইতিহাস এক শতাব্দীরও বেশি পুরোনো। স্থানীয়ভাবে ফুটবল মেরামতের কাজ থেকে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে বড় শিল্প।

এখন শহরটির কারখানাগুলো থেকে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক ফুটবল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান থেকে বছরে প্রায় চার কোটি ফুটবল রপ্তানি হয়, যার বড় অংশই আসে শিয়ালকোট থেকে।

এই শহরের ফুটবল তৈরির বিশেষত্ব হলো দক্ষ কারিগরদের হাতের কাজ। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও অনেক বল এখনো হাতে সেলাই করেন অভিজ্ঞ কারিগররা। একজন দক্ষ কারিগর দিনে প্রায় চারটি বল সেলাই করতে পারেন।

একটি বল নিখুঁতভাবে তৈরি করতে দীর্ঘ প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। বিশ্বকাপের বল তৈরির ক্ষেত্রে মান নিয়ন্ত্রণ করা হয় আরো কঠোরভাবে। বলের আকৃতি, ওজন, আকার, সেলাই ও মাঠে কার্যকারিতা—সবকিছুই পরীক্ষা করা হয়। বিশ্বকাপের একটি নতুন বল তৈরি ও পরীক্ষার পেছনে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম