|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ভারতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করছেন বিশ্বকাপজয়ী সাবেক তারকা ওপেনার গৌতম গম্ভীর। তার অধীনে গত ৮ মার্চ আহমেদাবাদে সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।
তবে গত জুলাইয়ে ইংল্যান্ড সফরে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারেনি ভারতীয় ক্রিকেট দল। যে কারণে গম্ভীরকে নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। তার ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। এরই মধ্যে ভারতীয় দলের পরবর্তী কোচ হিসেবে কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান ভিভিএস লক্ষ্মণ এবং ২০১১ সালের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক ভারতীয় পেসার আশিস নেহরার নাম উঠছে।
তবে এই মুহূর্তে ভারতীয় দলের কোচ হওয়ার কোনও নির্দিষ্ট ‘উচ্চাকাঙ্খা’ নেই বলেই জানিয়ে দিলেন নেহরা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সেই দায়িত্ব নেওয়ার সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি তিনি।
সিএবির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ভারতীয় দলের কোচ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে নেহরা বলেন, “প্রথমত, আমি অ্যাম্বিশন শব্দটা ব্যবহার করব না। আমি কখনও কোনও কিছু পরিকল্পনা করি না। হ্যাঁ, এটা নিঃসন্দেহে বড় সম্মান এবং গর্বের বিষয় হবে। তবে আমি এভাবে কোনও কিছু পরিকল্পনা করি না। ভবিষ্যতে দেখা যাবে। কোনও অ্যাম্বিশন নেই। আমি যেখানে আছি, সেখানেই খুব খুশি।”
আইপিএলে গুজরাট টাইটান্সের প্রধান কোচ হিসেবে নেহরার সাফল্য তাকে জাতীয় দলের কোচের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এনেছে। তার কোচিংয়ে ২০২২ সালে অভিষেক মৌসুমেই আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয় গুজরাট। পরবর্তীতে ২০২৩ ও ২০২৬ সালে আরও দুইবার ফাইনালে ওঠে তারা। তবে গুজরাটের সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব নিজের ঘাড়ে নিতে নারাজ নেহরা। তার মতে, দলের সম্মিলিত পারফরম্যান্সই সাফল্যের মূল কারণ।
নেহরা বলেন, “অনেকেই বলেন, আপনি কোচিংয়ে ভালো করেছেন। কিন্তু এটা শুধু আমার ব্যাপার নয়, এটা পুরো দলের ব্যাপার। হ্যাঁ, যখন আপনার অধিনায়ক বা কোচ সবসময় দলের সাফল্যের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তখন সাধারণত সেভাবেই বিষয়টি দেখা হয়। বিশেষ করে ভারতে। কিন্তু আমি এর সম্পূর্ণ বিরোধী।”
ভারতীয় দলের মতো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দীর্ঘ সময় কোচিং করার দায়িত্ব যে মোটেই সহজ নয়, সেটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন নেহরা। বিশেষ করে দীর্ঘ ভ্রমণ এবং পরিবারকে সময় দেওয়ার বিষয়টি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
নেহরার কথায়, “এই মুহূর্তে এর উত্তর দেওয়া খুব কঠিন। প্রথমে আমাকে হাই কমিশনের সঙ্গে কথা বলতে হবে,আর সেই হাই কমিশন হল আমার স্ত্রী। না হলে তো ডিভোর্স হয়ে যাবে! এটা এমন একটা কাজ, যেখানে আট-নয় মাস ভ্রমণ করতে হয়। সহজ নয়।”
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন কোচ হিসেবে টিকে থাকাও যথেষ্ট কঠিন বলে মনে করেন নেহরা। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খুব বেশি মানুষ তিন-চার বছরের বেশি সময় কাজ করেননি। এর চাহিদা, ভ্রমণ,সবকিছুই অনেক বেশি।”
