Logo
Logo
×
   

Advertisement

খেলা

কোমোর স্বপ্নের অভিষেক, ইউনাইটেডের প্রত্যাবর্তনের রাতে জিতল বায়ার্নও

Advertisement

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪ এএম

কোমোর স্বপ্নের অভিষেক, ইউনাইটেডের প্রত্যাবর্তনের রাতে জিতল বায়ার্নও

Advertisement

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোমোর শুরুটা হলো স্বপ্নের মতো। ঘরের মাঠে আরবি লাইপজিগকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে ইতালিয়ান ক্লাবটি। তবে বৃহস্পতিবার একই রাতে বাজে অভিজ্ঞতা হয়েছে আরেক নতুন দল সাবাহর। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাঠে ৪-০ গোলে হেরেছে তারা।

ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ নিজেদের গ্রুপ পর্বের যাত্রা শুরু করেছে দারুণভাবে। নরওয়ের বোদো/গ্লিমটকে তারা হারিয়েছে ৫-০ গোলে। এদিকে দীর্ঘদিন পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেরা ফেনারবাচে ঘরের মাঠে ১-১ গোলে ড্র করেছে এএস রোমার সঙ্গে।

কোমো এই প্রথম ইউরোপের সর্বোচ্চ ক্লাব প্রতিযোগিতায় জায়গা পায়। উয়েফার নিয়ম মেনে নিজেদের হ্রদ পাড়ের স্টেডিয়াম সিনিগাগ্লিয়া প্রস্তুত করতে তাদের সময়ের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছিল। সেটা করতে না পারলে তাদের ঘরের ম্যাচ খেলতে হতো ২০০ কিলোমিটার দূরে সাসুওলোর মাঠে। তবে সেই ঝামেলা এড়িয়ে নিজেদের মাঠেই নেমেছিল কোমো, সে অভিষেকটা তারা রাঙিয়েছে দারুণ এক জয় দিয়েই।

১৫ মিনিটে গোল করে উৎসবের শুরু করেন মার্তি বাতুরিনা। এরপর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তাসো দুভিকাস। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৩-০ করেন আসানে দিয়াও। এরপর একটি গোল শোধ করেন প্রতিপক্ষের আন্দ্রিয়া মাক্সিমোভিচ। তবে যোগ করা সময়ে চতুর্থ গোল করে ব্যবধান নিশ্চিত করেন মাক্সিমো পেরোনে।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচটা কোমোর মতো দুর্দান্ত হয়নি আজারবাইজানের চ্যাম্পিয়ন সাবাহ ক্লাবের। এই ক্লাবটির অস্তিত্ব এক দশক আগেও ছিল না। ঘরোয়া লিগ জিতে বাছাইপর্বে ওঠে তারা। এরপর ইসরাইলের হাপোয়েল বিয়ার-শেভাকে হারিয়ে ইউরোপের বড় বড় দলের সঙ্গে গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নেয়।

তবে দুই মৌসুম পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেরা ইউনাইটেডের মাঠ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে গিয়ে বড় ধাক্কা খায় সাবাহ। মাইকেল ক্যারিকের দলের কাছে একরকম উড়ে যায় তারা।

২৭ মিনিটে গোল করে শুরু করেন মাথেউস কুনিয়া। এরপর বিরতির ঠিক আগে গোল করেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ এবং বেনিয়ামিন সেস্কো। চতুর্থ গোলটি করেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।

ওদিকে বায়ার্নও গোল উৎসব করেছে। বিরতির আগ পর্যন্ত অবশ্য বোদো/গ্লিমটের বিপক্ষে কিছুটা হতাশ ছিল বায়ার্ন। তবে বিরতির দুই মিনিট পরই গোল করেন জামাল মুসিয়ালা। এরপর একের পর এক গোল আসতে থাকে।

এক ঘণ্টায় দ্বিতীয় গোল করেন হ্যারি কেইন। বায়ার্নের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটি তার ৩৯ ম্যাচে ৩৪তম গোল। এরপর জোরালো হাফ-ভলিতে ৩-০ করেন আলফোনসো ডেভিস। ভিনসেন্ট কোম্পানির দল তখন পুরোপুরি ছন্দে। শেষ দিকে দুর্দান্ত দুই গোল করে স্কোরলাইন সম্পূর্ণ করেন মাইকেল ওলিসে।

ইস্তাম্বুলে ৩৯ মিনিটে এগিয়ে যায় রোমা। দোনিয়েল মালেনের পাস থেকে বল পেয়ে বাউন্স করে বল জালে পাঠান ব্রায়ান ক্রিস্তান্তে। এটি ছিল প্রতিযোগিতায় তার প্রথম গোল। ১৫ বছর আগে এসি মিলানের হয়ে মাত্র ১৬ বছর বয়সে এই প্রতিযোগিতায় অভিষেক হয়েছিল তার।

১৮ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেরা ফেনারবাচে অবশ্য দমে যায়নি। বিরতির তিন মিনিট পরই সমতা ফেরায় তারা। মেসন গ্রিনউডের পাস থেকে বল পেয়ে গোলরক্ষক মিলে স্ভিলারের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান আর্চি ব্রাউন।

শেষ দিকে জয়ও পেয়ে যেতে পারত ফেনারবাচে। নাথান আকের একটি হেড রোমার ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।

এদিকে টানা পাঁচবার প্রথম ম্যাচ হারার পর এবার আর হারেনি পিএসভি আইন্দহোভেন। ঘরের মাঠে শাখতার দোনেৎস্কের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে তারা।

প্রথমার্ধে পিছিয়ে ছিল ডাচ ক্লাবটি। ভেতর থেকে কেটে ঢুকে জোরালো শটে গোল করেন গ্লাইকার মেন্দোজা। গোলরক্ষক মাতেই কোভার সেই শট ঠেকাতে পারেননি। তবে বিরতির পরপরই দারুণ এক ফিনিশিংয়ে সমতা ফেরান সের্হিনিও দেস্ত।

অন্যদিকে দশজনের স্লাভিয়া প্রাগ ঘরের মাঠে বড় হতাশায় পড়ে লঁসের বিপক্ষে। যোগ করা সময়ে দুটি গোল হজম করে ৩-২ গোলে হারে তারা।

বিরতির পরপরই ভিএআরের সিদ্ধান্তে লাল কার্ড দেখেন স্লাভিয়ার মিকুলাস কোনেচনি। এরপরও কিছুক্ষণ পর এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। গোল করেন দানিয়েল স্তুর্ম।

এরপর সমতা ফেরান আবদাল্লাহ সিমা। তবে ৮৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দর্শকদের উল্লাসে ভাসান স্তুর্ম। ৯১ মিনিটে গোল করেন ফ্লোরিয়ান তুভাঁ। শেষ মুহূর্তে দারুণ এক শটে জয়সূচক গোল করেন রুবেন আগিলার।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম