Logo
Logo
×
   

Advertisement

খেলা

ফিক্সিং সন্দেহে থাকা সেই ৯ ক্রিকেটার ‘দোষী নন, নিষ্পাপও নন’

Advertisement

Icon

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম

ফিক্সিং সন্দেহে থাকা সেই ৯ ক্রিকেটার ‘দোষী নন, নিষ্পাপও নন’

সংগৃহীত

Advertisement

ফিক্সিংয়ে জড়িত সন্দেহে নিলাম থেকে বাদ, অথচ নিষেধাজ্ঞা নেই। অভিযোগের ছায়ায় বিপিএল থেকে দূরে রাখা হলেও প্রায় এক বছর পরও সেই নয় ক্রিকেটারের কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) স্বাধীন দুর্নীতি দমন ইউনিট। 

শনিবার মিরপুরে ইউনিট প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, বর্তমানে তাদের খেলার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। যদিও আগেই তারা খেলার অনুমতি পেয়ে গেছেন। 

তদন্তে যে নয়জনের নাম সামনে এসেছে তাদের বাইরেও কয়েকজন দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারের নাম আছে বলে জানান মার্শাল। তবে সেগুলো সামনে আনার মতো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

বিপিএলের দ্বাদশ আসরের আগে চূড়ান্ত নিলাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলেন দুর্দান্ত রাজশাহীর এনামুল হক, শফিউল ইসলাম, সানজামুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান। ঢাকা ক্যাপিটালসের মোসাদ্দেক হোসেন ও আলাউদ্দিন বাবু এবং সিলেট স্ট্রাইকার্সের আরিফুল হক ও নিহাদুজ্জামান। 

গত আসরের আগে তাদের নিয়ে তৈরি হয়েছিল নানা প্রশ্ন। পরে জানা যায়, ৯০০ পৃষ্ঠার একটি তথ্য-অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তাদেরসহ দেশি-বিদেশি বেশ কয়েকজনের বিষয়ে নেতিবাচক তথ্য ছিল। 

কিছুদিন আগে বিসিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ হন বিসিবির সাবেক পরিচালক মুহাম্মদ মোখলেসুর রহমান, বিসিবির সাবেক নিরাপত্তা সমন্বয় কর্মকর্তা (এসএলও) জাকির হোসেন ও বগুড়া জেলার সাবেক কাউন্সিলর ও বিসিবিরঅডিট কমিটির সাবেক সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম সানি। তাদের নিয়েও মার্শাল বিস্তারিত কিছু বলেননি।

কেন নয় ক্রিকেটারকে নিলাম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের বর্তমান অবস্থা কী-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে অ্যালেক্স মার্শাল বলেন, ‘তদন্তের বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে না। কারণ এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ন্যায্য শুনানির অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তদন্ত শেষে তিন ধরনের ফল হতে পারে-শক্ত প্রমাণ থাকলে অভিযোগ, প্রমাণ যথেষ্ট না হলে পর্যবেক্ষণ এবং কোনো প্রমাণ না থাকলে তদন্ত বন্ধ।’ 

৯০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি অ্যান্টি-করাপশন কোড ভঙ্গের তদন্ত ছিল না বলে জানান আকসুর আইনি পরামর্শক মাহিন এম রহমান।


Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম