Logo
Logo
×
   

Advertisement

খেলা

হালান্ডের ‘বিতর্কিত’ গোলে ইউনাইটেডকে হারাল ১০ জনের সিটি

Advertisement

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১০ এএম

হালান্ডের ‘বিতর্কিত’ গোলে ইউনাইটেডকে হারাল ১০ জনের সিটি

সংগৃহীত

Advertisement

ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ফিল ফোডেনের প্রথমার্ধেই লাল কার্ড দেখার পরও আর্লিং হালান্ডের বিতর্কিত জয়সূচক গোলে এই জয় পায় তারা।

আর্সেনালের সঙ্গে এখন পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে যৌথভাবে আছে সিটি। চার ম্যাচে পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা লড়াইয়ে এগিয়ে তারা। তবে ম্যানইউর বিরুদ্ধে জয়সূচক গোলটি রেফারিদের ‘বিচার ভুলের’ কারণে পাওয়া বলে জানাচ্ছে স্কাই স্পোর্টস।

হালান্ডের গোলের আগে এনজো ফের্নান্দেজকে স্পষ্টভাবে অফসাইড অবস্থানে খেলায় প্রভাব ফেলতে দেখা যায়। কিন্তু গোলটি বাতিল করা হয়নি। ম্যাচ শেষের তিন ঘণ্টা পর রেফারি সংস্থা প্রো রেফ এই ভুল স্বীকার করে নেয়।

তবে ফোডেনকে আগেই মাঠ থেকে বের করে দেওয়ায় সিটির কাজ কঠিন হয়ে গিয়েছিল। ১৯৯তম ম্যানচেস্টার ডার্বির প্রথমার্ধে খেলা ছিল অনেকটা ম্লান। এই সময়েই সবার নজর কাড়ে ফোডেনের আকস্মিক লাল কার্ড।

ইউনাইটেড অধিনায়ক ব্রুনো ফের্নান্দেজ বল দিয়ে ফোডেনের পেটে আঘাত করার পর ফোডেন পাল্টা লাথি মারেন পর্তুগিজ ফুটবলারকে। ধারাভাষ্যকার গ্যারি নেভিল বলেন, ‘ভিএআর একে বর্ণনা করেছে দুই পা দিয়ে পেটে লাথি মারা হিসেবে।’

ফোডেনের এই আচরণ সহিংস আচরণের সীমা ছাড়িয়েছিল কি না, তা নিয়ে তর্ক চলবে। প্রথমে লাথি মারার জন্য ফের্নান্দেজেরও লাল কার্ড প্রাপ্য ছিল কি না, তা নিয়েও আলোচনা হবে।

অতিরিক্ত খেলোয়াড় নিয়েও পুরো সুবিধা নিতে পারেনি ইউনাইটেড। মার্কাস র‍্যাশফোর্ড আর কোবি মাইনু দুজনেই বল পোস্টে মারেন। কিন্তু হালান্ড প্রতিপক্ষ দলে থাকলে সিটির সুযোগ সবসময়ই থাকে।

তেমনটাই হলো। পিছনের পোস্টে বল ঠেলে জালে পাঠান হালান্ড। তবে প্রথমে অফসাইডের পতাকা ওঠে। সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তিতে হালান্ডকে অনসাইড ধরা হয়। ফলে গোলটি দেওয়া হয়। কিন্তু একই ক্রসে স্পষ্ট অফসাইডে থাকা ফের্নান্দেজের বিষয়টিও ভিএআর অনুমোদন করে।

প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচ সেন্টার জানায়, ফের্নান্দেজ বলে স্পর্শ করেননি বলেই গোলটি বৈধ ধরা হয়েছে। তবে নিয়মে বলা আছে, খেলায় প্রভাব ফেলাটাই এখানে বড় বিষয়, বল স্পর্শ করা নয়।

ফোডেনের লাল কার্ড আর হালান্ডের জয়সূচক গোল নিয়ে আলোচনা চলতেই থাকবে। তবে ১০ জন নিয়ে সাহসী পারফরম্যান্স দেখানোর পর সিটি নিজেদের শিরোপার প্রকৃত দাবিদার মনে করছে।

ম্যাচের শেষ দিকে দুর্দান্ত এক সেভে ব্রায়ান এমবেউমোর সমতাসূচক গোল আটকে দেন গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা। ইউনাইটেড নিজেদেরই প্রশ্ন করবে, বাড়তি খেলোয়াড় নিয়েও কেন তারা পরিবর্তনের মধ্যে থাকা সিটিকে কষ্ট দিতে পারল না।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম