Logo
Logo
×
   

Advertisement

খেলা

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পর বিশ্বকাপ ফাইনালও আয়োজন করতে চায় বার্সেলোনা

Advertisement

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৫ পিএম

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পর বিশ্বকাপ ফাইনালও আয়োজন করতে চায় বার্সেলোনা

সংগৃহীত

Advertisement

২০২৯ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে বার্সেলোনা। তাদের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে হবে আগামী এই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল। তবে তাদের মন এখানেই ভরছে না। বার্সেলোনা এবার বিশ্বকাপের ফাইনালও আয়োজন করতে চায়।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই দাবি তুলেছেন ক্লাবটির সভাপতি হোয়ান লাপোর্তা। ‘এটা কাসাব্লাঙ্কা বা মাদ্রিদে হওয়া উচিত না, এটা হওয়া উচিত স্পটিফাই ন্যু ক্যাম্পতে।’

তিনি চান, ফিফা যেন স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ এবং মরক্কোর সবচেয়ে বড় শহর কাসাব্লাঙ্কাকে বাদ দিয়ে বার্সেলোনার সংস্কার করা মাঠকেই বেছে নেয়। প্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই শহরের দাবিকে হালকাভাবে উড়িয়ে দিয়ে লাপোর্তা মজা করে বলেন, ‘কাসাব্লাঙ্কা আর মাদ্রিদ তো একই জিনিস।’

ন্যু ক্যাম্পতে বড় ধরনের সংস্কার কাজ চলছে, যা ২০২৭ সালে ছাদ বসানোর মধ্য দিয়ে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর স্টেডিয়ামটির ধারণক্ষমতা দাঁড়াবে এক লাখ পাঁচ হাজারে। লাপোর্তা বলেন, ‘আমার মনে হয় ফিফা এই বিষয়টা মাথায় রাখবে।’

গত সপ্তাহে মরক্কোর ফুটবল সংস্থার প্রধান ফুজি লেকজা দাবি করেছিলেন, ফাইনাল ম্যাচটি হবে কাসাব্লাঙ্কার কাছে বেনস্লিমান প্রদেশের এল মানসৌরিয়ায় অবস্থিত হাসান দ্বিতীয় স্টেডিয়ামে। এক লাখ পনেরো হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার এই স্টেডিয়াম তৈরি হলে সেটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল স্টেডিয়াম।

ধারণক্ষমতার দিক থেকে বর্তমানে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে আছে ন্যু ক্যাম্প। শীর্ষে আছে উত্তর কোরিয়ার রুংরাদো মে দিবস স্টেডিয়াম, যদিও সেটি মূলত ফুটবলের চেয়ে রাষ্ট্রীয় প্রচারণার অনুষ্ঠানেই বেশি ব্যবহার হয়। ন্যু ক্যাম্পের ধারণক্ষমতা বাড়লেও সেটি উত্তর কোরিয়ার স্টেডিয়ামের চেয়ে পিছিয়েই থাকবে, আর হাসান দ্বিতীয় স্টেডিয়াম পূর্ণ ধারণক্ষমতায় পৌঁছালে ন্যু ক্যাম্প নেমে যাবে তৃতীয় স্থানে।

ধারণক্ষমতা বাদ দিলেও ন্যু ক্যাম্পের আছে ইতিহাস আর মর্যাদা। এটি বিশ্বের অন্যতম বড় ফুটবল ক্লাবের ঘরের মাঠ। ইয়োহান ক্রুইফ, রোনালদিনিও, লিওনেল মেসি এবং এখন লামিন ইয়ামাল, সবার কাছেই এই মাঠ নিজের ঘরের মতো।

একই ধরনের যুক্তি দেওয়া যায় রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্ষেত্রেও, যেটি আরেকটি সম্ভাব্য ভেন্যু। তবে লাপোর্তা মনে করিয়ে দেন, বার্নাব্যু আগেই ১৯৮২ সালে একবার বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজন করেছে। তার মতে, এবার ন্যু ক্যাম্পয়েরও সুযোগ পাওয়া উচিত।

লাপোর্তা বলেন, ‘এটা আমাদের সেই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দেবে, যা আমরা চাই। আমরা এভাবেই এটা প্রস্তাব করব, আর এসব কারণ এবং আরও কিছু কারণ তুলে ধরব।’

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম