Logo
Logo
×
   

Advertisement

খেলা

না ফেরার দেশে ইতালির সাফল্যের নায়ক মাজ্জোলা

Advertisement

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৩ এএম

না ফেরার দেশে ইতালির সাফল্যের নায়ক মাজ্জোলা

পেলের সঙ্গে মাজ্জোলা (ডানে)/ফাইল ছবি

Advertisement

ইতালির সাবেক ফরোয়ার্ড সান্দ্রো মাজ্জোলা ৮৩ বছর বয়সে মারা গেছেন। শনিবার এই তথ্য জানিয়েছে ইন্টার মিলান। নিজের পুরো ১৭ বছরের ক্যারিয়ার এই ক্লাবেই কাটিয়েছেন তিনি।

ইন্টারের কিংবদন্তি হিসেবে বিবেচিত মাজ্জোলা ৫৬৫ ম্যাচে করেছেন ১৫৮ গোল। এর মধ্য দিয়ে ক্লাবটিকে চারটি সিরি’আ শিরোপা এবং দুটি ইউরোপিয়ান কাপ জিততে সহায়তা করেন তিনি। ১৯৬৮ সালে ইউরো জেতা ইতালি দলেও ছিলেন তিনি এবং এর দুই বছর পর মেক্সিকো বিশ্বকাপের ফাইনালেও উঠেছিল তার দল।

ক্লাবের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইন্টার বলেছে, ‘সান্দ্রো মাজ্জোলা ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার ছিলেন। শুধু নেরাজ্জুরির ইতিহাসেই নয়।’ নেরাজ্জুরি হলো ইন্টারের ডাকনাম।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘তিনি ছিলেন ইন্টারের ইতিহাস, শৈশবেই ক্লাবে যোগ দিয়েছিলেন এবং কখনো ছেড়ে যাননি।’

মাজ্জোলার বয়স যখন ছয় বছর, তখন সুপারগা বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান তার বাবা ভ্যালেন্তিনো মাজ্জোলা, যিনি নিজেও ছিলেন ইতালির জাতীয় দলের খেলোয়াড়। ১৯৪৯ সালের মে মাসে লিসবনে ম্যাচ শেষে ফেরার পথে বিমান দুর্ঘটনায় পুরো তরিনো দলই প্রাণ হারায়।

১৮ বছর বয়সে জুভেন্টাসের বিপক্ষে এক ম্যাচে ইন্টারের হয়ে সিনিয়র দলে অভিষেক হয় মাজ্জোলার, যখন ইন্টার তাদের যুব দল নিয়ে মাঠে নামায়। এর আগে জুভেন্টাস সমর্থকদের মাঠে ঢুকে পড়ার ঘটনার পর ইন্টারকে দেওয়া ২-০ গোলের জয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল করে ইতালিয়ান ফেডারেশন এবং ম্যাচটি পুনরায় আয়োজনের নির্দেশ দেয়।

শৈশবে ইন্টারের মাসকট হিসেবে থাকা মাজ্জোলা সেদিন স্কুলের পরীক্ষা শেষ করেই তরিনোর উদ্দেশ্যে রওনা দেন, যেখানে ৯-১ গোলে হারা ম্যাচে পেনাল্টি থেকে ইন্টারের একমাত্র গোলটি করেন তিনি।

এরপর দ্রুতই দলের নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠেন মাজ্জোলা। ১৯৬৪ সালে ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ইন্টারের প্রথম ইউরোপিয়ান কাপ জয়ে জোড়া গোল করেন তিনি। পরের বছর আবারও শিরোপা জেতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।

১৯৭৭ সালে খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানেন মাজ্জোলা। পরবর্তীতে ইন্টারের স্পোর্টিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এছাড়া বাবার ক্লাব তরিনোরও স্পোর্টিং ডিরেক্টর হয়েছিলেন তিনি।

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম