পাকিস্তানের কাছে হেরে ব্রোঞ্জও জিততে পারল না বাংলাদেশ
Advertisement
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২১ এএম
সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
সোনার আশা গতকাল ভারতের কাছেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। আশা ছিল নিদেনপক্ষে ব্রোঞ্জ পদকটা জেতার। কিন্তু সেটাও হলো না শেষমেশ। পাকিস্তানের কাছে আজ ব্রোঞ্জ ফাইনালে ৩১ রানের বড় ব্যবধানে হেরে বাংলাদেশকে ফিরতে হচ্ছে খালি হাতেই।
পাকিস্তানের বিপক্ষে জেতাটাকে মোটামুটি অভ্যাসই বানিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের এশিয়ান গেমসের ব্রোঞ্জ ফাইনালে এই পাকিস্তানকে হারিয়েই পদক জিতেছিলেন নিগার সুলতানারা। এরপর থেকে পরের ৪ ম্যাচের তিনটিতেই জিতেছিল দলটি, সবশেষ নারী বিশ্বকাপেও পাকিস্তানকে হারিয়েছিলেন নিগাররা।
সে কারণে আজ নিদেনপক্ষে ব্রোঞ্জ জয়ের আশাটা ভালোভাবেই ছিল দলের। কিন্তু মাঠের খেলাতে সব হিসাব উলটে গেল রীতিমতো। মঙ্গলবার নিশ্শিনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করে ২০ ওভারে আট উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান তোলে পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাও গড়তে পারেনি, কখনো মনেই হয়নি এই দল জিততে পারে এই ম্যাচে। সাত উইকেট হারিয়ে কোনোক্রমে ১১৪ রান তুলে থামে দলটি।
পাকিস্তানের ইনিংসে ব্যাট হাতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন অধিনায়ক ফাতিমা সানা। ৩০ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তবে তাকে ১ রানের মাথায় ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ এসেছিল। সানজিদা আক্তার মেঘলার বলে সানার ক্যাচটা লুফে নিতে ব্যর্থ হন দিলারা আক্তার। সেই ক্যাচটা নিতে পারলে কে জানে ম্যাচটা হয়তো বাংলাদেশের পক্ষে আসতেও পারত!
সানা বাদে গুল ফেরোজা ২৩ বলে ৩১ রান এবং আলিয়া রিয়াজ ২২ বলে ২৫ রান করেন। শাওয়াল জুলফিকার করেন ২৭ বলে ১৭ রান। পাকিস্তান পেয়ে যায় লড়াকু এক পুঁজি।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে নাহিদা আক্তার এবং স্বর্ণা আক্তার দুটি করে উইকেট নেন। এছাড়া রিতু মনিও নেন দুটি উইকেট। সানজিদা আক্তার মেঘলা নেন একটি উইকেট।
জবাব দিতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র চার ওভারের মধ্যেই তিন উইকেট হারায় তারা। দিলারা আক্তার, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস এবং সোবহানা মোস্তারি দ্রুত ফিরে যান। এরপর অধিনায়ক নিগার সুলতানা ৩০ বলে ২৫ রান করে বিদায় নেন।
এরপর একাই লড়াই চালিয়ে যান শারমিন আক্তার। ৪৫ বলে অপরাজিত ৪৬ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তবে অন্য প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। স্বর্ণা আক্তার, রিতু মনি এবং রাবেয়া খান দ্রুত আউট হন। শেষমেশ বাংলাদেশ থামে লক্ষ্যের অনেক আগেই।
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে উম্মে হানি সবচেয়ে সফল বোলার হিসেবে তিনটি উইকেট নেন। বাংলাদেশের ভালো শুরুটাকে দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছিল তার শুরুর স্পেলই। এছাড়া তাসমিয়া রুবাব, ফাতিমা সানা, নাশরা সান্ধু এবং আয়েশা জাফর একটি করে উইকেট নেন।
