সাইবার তদন্ত নিয়ে কথা বলতে চেয়েও পিসিবির বাধায় রিজওয়ান
Advertisement
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০২ পিএম
পাকিস্তানের ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ান।
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পাকিস্তানের ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হককে ঘিরে চলমান সাইবার অপরাধ তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) রিজওয়ানকে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলার অনুমতি দিচ্ছে না বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম।
ইংল্যান্ড সফরের মাঝপথে রিজওয়ান ও ইমামসহ সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছিল পিসিবি। এরপর তাদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য দুর্নীতি ও ‘অনলাইন জুয়া’র সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তদন্ত শুরু করে পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ)। এ ঘটনায় দুজনকে প্রায় দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একই সঙ্গে পিসিবির নিরাপত্তা দল তাদের মোবাইল ফোনও জব্দ করে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিসিবির তদন্ত ও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার জন্য রিজওয়ান দুইবার বোর্ডের কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন। তবে দুবারই তার আবেদন নাকচ করে দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, পুরো বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চেয়েছিলেন রিজওয়ান। তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো নিয়েও জনসম্মুখে ব্যাখ্যা দিতে চেয়েছিলেন ৩৪ বছর বয়সি এই ব্যাটার।
এর আগে রিজওয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের কাছে একটি চিঠি দিয়ে তদন্তের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। ওই চিঠি দেওয়ার কারণও প্রকাশ্যে ব্যাখ্যা করতে চেয়েছিলেন তিনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় চুক্তির শর্ত মেনেই রিজওয়ান পিসিবির কাছে দুই দফা অনুমতি চেয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় চুক্তির ৪.১ ধারায় বলা হয়েছে, চুক্তির আওতাভুক্ত কোনো বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার আগে একজন ক্রিকেটারকে বোর্ডের অনুমতি নিতে হবে।
তবে রিজওয়ানের দুই আবেদনই প্রত্যাখ্যান করেছে পিসিবি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বোর্ডের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ তোলার উদ্দেশ্য ছিল না রিজওয়ানের। বরং নিজের বক্তব্য ও অবস্থান জনসম্মুখে তুলে ধরতেই তিনি কথা বলতে চেয়েছিলেন।
এদিকে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, রিজওয়ানের মোবাইল ফোন এখনও তাকে ফেরত দেওয়া হয়নি। অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের অভিযোগের মধ্যে রিজওয়ান ও ইমামের ফোনে থাকা বিভিন্ন লেনদেনের তথ্যও পিসিবির নিরাপত্তা দল খতিয়ে দেখেছে বলে জানা গেছে।
এনসিসিআইএকে দেওয়া জবাবেও তদন্ত ও অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন রিজওয়ান। প্রতিবেদনে তার বক্তব্য হিসেবে বলা হয়েছে, এমন একটি ঘটনায় এনসিসিআইএর তদন্তের কারণ তার কাছে স্পষ্ট নয়। তদন্তে অংশ নেওয়ার জন্য নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য সরবরাহের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

