রোনালদোর আফসোস, পর্তুগাল জিতল ফেলিক্সের গোলে
Advertisement
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ এএম
সংগৃহীত
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ওয়েলসকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের নেশনস লিগ মিশন শুরু করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল। দূরপাল্লার শটে একমাত্র গোলটি করেন জোয়াও ফেলিক্স। তবে এই রাতটি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কেটেছে আফসোসে। তার গোল বাতিল হয়ে গেছে অফসাইডের কাটায়।
২০১৮ সালে এই প্রতিযোগিতা চালু হওয়ার পর থেকে চারটি ফাইনালের মধ্যে দুটিতেই শিরোপা জিতেছে পর্তুগাল। তবে জুলাইয়ে বিশ্বকাপে স্পেনের কাছে শেষ ষোলোতে হেরে ছিটকে যায় তারা।
কোচ জর্জ জেসুসের অধীনে প্রথম ম্যাচে বল দখলে আধিপত্য বিস্তার করে পর্তুগাল। লিসবনে ১৯-৪ ব্যবধানে শটের হিসেবে এগিয়ে থেকেও বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করে তারা।
ফেলিক্স বলেন, ‘প্রথমার্ধেই আমরা ১৩টি শট নিয়েছি, যা অনেক বেশি। তাদের একটাও পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে মনে করতে পারছি না, অথচ আমাদের ছিল বেশ কয়েকটি। আমাদের কাছ থেকে এমনটাই প্রত্যাশা করা যায়। আজ আমরা মাত্র একটি গোল করেছি, তবে এভাবে খেলা চালিয়ে গেলে আরও গোল আসবে’।
২২ মিনিটে আসে তাদের একমাত্র গোলটি। বক্সের ধার থেকে নেওয়া ফেলিক্সের একটি নিচু শট সামান্য দিক পরিবর্তন করে ওয়েলস অধিনায়ক বেন ডেভিসের গায়ে লেগে দূরের পোস্টের ভেতর দিয়ে জালে ঢুকে যায়। গোলরক্ষক ড্যানি ওয়ার্ডের মরিয়া ঝাঁপও কাজে আসেনি।
গত প্রায় দুই দশকের মতো এবারও পর্তুগালের আক্রমণভাগ ঘুরপাক খেয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে কেন্দ্র করেই। ২০০৩ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া এবং এখন পর্যন্ত রেকর্ড ১৪৬টি আন্তর্জাতিক গোল করা ৪১ বছর বয়সী এই তারকা যতবারই গোলের কাছাকাছি বল স্পর্শ করেছেন, ততবারই দর্শকদের চিৎকার আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
একবার সাইড নেটে বল মেরেছিলেন রোনালদো। এছাড়া কাছ থেকে দুর্দান্ত এক সুযোগ পেয়েও শিন দিয়ে বলটি ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন তিনি। এক ঘণ্টা পর ওয়েলসের জালে বল পাঠান তিনি, তবে অফসাইডের সিদ্ধান্তে তা বাতিল হয়ে যায়, যা তাকে স্পষ্টতই অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল।
এর সাত মিনিট পর যখন তাকে তুলে নেওয়া হয়, তখনও মাথা নাড়ছিলেন তিনি। রোনালদো মাঠ ছাড়ার পর দর্শকদের চিৎকারও কমে যায়
নিজেদের একমাত্র ভালো সুযোগ থেকে দুইবার সমতা ফেরানোর একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে যায় ওয়েলস। প্রথমে গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তার মাথার ওপর দিয়ে বল পাঠান ব্রেনান জনসন, তবে বল ক্রসবারের সামনের দিকে লেগে ফিরে আসে। কস্তা তখন অসহায় অবস্থায় থাকলেও লুইস কৌমাস এবং ড্যান জেমস দুজনেই ফিরতি বলের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত কৌমাসের নেওয়া দুর্বল শট গোললাইনে দাঁড়ানো ডিফেন্ডার রুবেন দিয়াসের গায়ে লেগে প্রতিহত হয়।
