Logo
Logo
×
   

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের চমকে দিতে আসছে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের ব্যাটারি

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৪ এএম

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের চমকে দিতে আসছে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের ব্যাটারি

ফাইল ছবি।

অ্যাপলের আসন্ন আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স ব্যাটারি পারফরম্যান্সের অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের চমকে দিতে পারে বলে জানা গেছে। নতুন এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এটির পারফরম্যান্সের দিক থেকে ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিযুক্ত অনেক অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের সমতুল্য হতে পারে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাটারির ধারণক্ষমতায় বড় পরিবর্তন না এনে বরং আরও বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী প্রসেসর, উন্নত সফটওয়্যার অপটিমাইজেশন এবং নতুন থার্মাল ডিজাইনের মাধ্যমে ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে অ্যাপল।

প্রযুক্তি বিশ্লেষক আইস ইউনিভার্স-এর তথ্য অনুযায়ী, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের ই-সিম সংস্করণে ৫ হাজার ৫৬৭ এমএএইচ এবং নন ই-সিম সংস্করণে ৫ হাজার ৩৯১ এমএএইচ ব্যাটারি থাকতে পারে।

যদিও এই ব্যাটারির ধারণক্ষমতা অনেক ফ্ল্যাগশিপ অ্যান্ড্রয়েড ফোনের তুলনায় কম, তবুও অ্যাপলের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বিত অপটিমাইজেশনের কারণে বাস্তব ব্যবহারে এটি একই ধরনের ব্যাটারি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যাপলের নতুন এ২০ প্রো চিপ আগের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী হতে পারে। পাশাপাশি আইওএস ২৭-এ ব্যাটারি ব্যবস্থাপনায় আরও উন্নতি আনার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ছাড়া নতুন থার্মাল সিস্টেম ফোনের অতিরিক্ত তাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে, ফলে তুলনামূলক ছোট ব্যাটারি থাকা সত্ত্বেও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে দীর্ঘ সময় স্ক্রিন চালু রেখে ব্যবহার করা সম্ভব হতে পারে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ব্যাটারির আকারই একটি ফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ নির্ধারণ করে না। উন্নত প্রসেসর, সফটওয়্যার অপটিমাইজেশন এবং কার্যকর তাপ নিয়ন্ত্রণ থাকলে ছোট ব্যাটারির ফোনও বড় ব্যাটারির ডিভাইসকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।

তবে এসব তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। ফোনটি বাজারে আসার পর পরীক্ষার মাধ্যমেই প্রকৃত ব্যাটারি পারফরম্যান্স জানা যাবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের কয়েকটি স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি ব্যবহার শুরু করলেও অ্যাপল এখনো প্রচলিত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির ওপর নির্ভর করছে।

সিলিকন-কার্বন ব্যাটারিতে একই আকারে বেশি শক্তি সংরক্ষণ করা সম্ভব হলেও প্রযুক্তিটি এখনো পুরোপুরি পরীক্ষিত নয়। চার্জিংয়ের সময় ব্যাটারির প্রসারণের মতো কিছু প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জও রয়েছে।

শিল্প বিশ্লেষকদের ধারণা, প্রযুক্তিটি আরও পরিণত হওয়ার পর ভবিষ্যতের আইফোনে সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিতে পারে অ্যাপল।

সূত্র: সামা টিভি

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম