আইফোন এবং অ্যান্ড্রয়েড— এ দুই ধরনের ফোনেই রয়েছে একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা
যুগান্তর ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আইফোনে রয়েছে স্ক্রিন টাইম। আইফোনে ব্যবহার করলে প্রথমেই সেটিংস > স্ক্রিন টাইমে গিয়ে ফিচারটি চালু করে নিতে হবে। এরপর কনটেন্ট অ্যান্ড প্রাইভেসি রেজিস্ট্রেশনস অন করে আলাদা পাসকোড সেট করে নিন। এই পাসকোড সন্তানের সঙ্গে শেয়ার না করাই ভালো। এরপর কনটেন্ট রেজিস্ট্রেশনস > ওয়েব কনটেন্ট অপশনে গিয়ে লিমিট অ্যাডাল্ট ওয়েবসাইটস নির্বাচন করুন। এতে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি ওয়েবসাইটে প্রবেশ সীমিত করা যাবে।
এ ক্ষেত্রে বয়স অনুযায়ী সীমা নির্ধারণ করা সম্ভব। প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপের এজ রেটিং নিয়ন্ত্রণ করুন। এর পাশাপাশি আইটিউনস অ্যান্ড অ্যাপ স্টোর পারসেসেজে বিধিনিষেধ দিয়ে সন্তানের অনুমতি ছাড়া নতুন অ্যাপ ডাউনলোড কিংবা ইন-অ্যাপ কেনাকাটা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
এ ছাড়া স্ক্রিন টাইমের মাধ্যমে প্রতিদিন কতক্ষণ ফোন কিংবা নির্দিষ্ট কোন অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে, সেটিও ঠিক করে দিতে পারবেন। আর রাতে ঘুমের সময় ফোন ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করাও সম্ভব।
শুধু অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের জন্য গুগল ফ্যামিলি লিঙ্ক বেশ কার্যকর। নিজের ফোনে ফ্যামিলি লিঙ্ক সেটআপ করে সন্তানের ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত করলে তার অ্যাপ ব্যবহার এবং স্ক্রিন টাইম সম্পর্কে নজর রাখা যাবে। কোন অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে, কোন অ্যাপ ব্লক থাকবে এবং প্রতিদিন কতক্ষণ ফোন ব্যবহার করতে পারবে— এসব বিষয়ে সীমা তৈরি করা সম্ভব। সমর্থিত সেটআপে সন্তানের ডিভাইসের লোকেশন দেখার সুবিধাও পাওয়া যায়।
আর যদি ফ্যামিলি লিঙ্ক ব্যবহার করতে না চান, তাহলে অ্যান্ড্রয়েডের ডিজিটাল ওয়েলনিয়িং ফিচার কাজে লাগাতে পারেন। সেখানে ফোকাস মোড ও অ্যাপ টাইমারস ব্যবহার করে নির্দিষ্ট অ্যাপের ব্যবহার কমানো যায়। এ ছাড়া গুগল প্লে স্টোরের প্যারেন্টাল কন্ট্রোলস চালু করে বয়স অনুযায়ী অ্যাপ ও কনটেন্ট ফিল্টার করা যেতে পারে। গুগল সার্চে সেফসার্চে চালু রাখলেও অনুপযুক্ত সার্চ রেজাল্টের সম্ভাবনা কমে।
