Logo
Logo
×
   

Advertisement

বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

‘২০৩০ সালেই মানুষকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে এআই’

Advertisement

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৫ এএম

‘২০৩০ সালেই মানুষকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে এআই’

জ্যাকব কক্সন/সংগৃহীত

Advertisement

এআই নিয়ে ভয় থেকে অ্যানথ্রপিকের এক গবেষক চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। তার আশঙ্কা, এআই ল্যাবগুলো এমন সিস্টেম তৈরি করছে, যা কয়েক বছরের মধ্যেই মানুষের জীবন শেষ করে দিতে পারে।

আজ সকালে এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জেকব কক্সন জানান, তিনি অ্যানথ্রপিক ছাড়ছেন। এর আগে তিনি ওপেনএআই ছেড়েছিলেন। তার অভিযোগ, সুপারইন্টেলিজেন্স তৈরির দৌড়ে এই কোম্পানিগুলো মানুষের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছে।

কক্সন বলেন, ‘আমি আজ অ্যানথ্রপিক থেকে পদত্যাগ করেছি। গত তিন বছর ধরে আমি ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রপিক দুই জায়গাতেই প্রিট্রেনিং নিয়ে গবেষণা করেছি। কোনো কোম্পানিই দায়িত্বশীল আচরণ করছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা সরাসরি সেলফ-ইমপ্রুভিং সুপারইন্টেলিজেন্সের দিকে ছুটছে এবং আমাদের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছে।’

‘এআই সবাইকে মেরে ফেলতে পারে’
কক্সন সতর্ক করে বলেন, এআই সিস্টেমের শক্তিকে খাটো করে দেখা উচিত নয়। তার মতে, এসব সিস্টেম শিগগিরই ‘যেকোনো কিছু হ্যাক করতে পারবে, রাতারাতি যেকোনো ক্ষেত্র বদলে দিতে পারবে, এবং বাস্তব ক্ষমতা ও সম্পদ অর্জন করতে পারবে’।

তিনি এমনও বলেন যে সুপারইন্টেলিজেন্ট এআই সিস্টেম কয়েক বছরের মধ্যেই মানবজাতির অস্তিত্ব শেষ করে দিতে পারে। আর যারা এসব তৈরি করছে, তারা নিজেরাও এই বিষয়টি জানে।

২৭ বছর বয়সী সাবেক এই অ্যানথ্রপিক গবেষক বলেন, ‘যারা এআই তৈরি করছে, তারা সত্যিই মনে করে এই দশক শেষ হওয়ার আগেই এটি আমাদের সবাইকে মেরে ফেলতে পারে।’

তিনি দাবি করেন, সিনিয়র এআই গবেষকদের এই ভয়ের বিষয়ে তার সরাসরি অভিজ্ঞতা আছে। তিনি লেখেন, ‘এটি কোনো মার্কেটিং কৌশল নয়। বরং অনেক নির্বাহী এবং সিনিয়র গবেষক গণমাধ্যমে কথা বলার সময় নিজেদের ভাষা এমনভাবে সাজান, যাতে তা যুক্তিসঙ্গত শোনায়। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি একই মানুষদের মুখে ভয়ের কথা শুনেছি।’

কক্সন আরও যোগ করেন, ‘মানুষের অন্য কোনো কাজে এত বড় বিপদ নেই।’

ঝুঁকি জেনেও এই পদক্ষেপ অ্যানথ্রপিকের
২৭ বছর বয়সী এই গবেষক বলেন, অ্যানথ্রপিক ভালোভাবেই জানে ঝুঁকি কতটা বড়। তবু তারা চায়, সবার আগে তারাই এমন এক এআই সিস্টেম তৈরি করুক, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে এবং নিজে নিজেই উন্নত হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘ওপেনএআইয়ে অনেকেই এই বৈশ্বিক ঝুঁকির গভীরতা পুরোপুরি বোঝেননি। কিন্তু অ্যানথ্রপিকে এই ঝুঁকি ভালোভাবেই বোঝা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ঝুঁকি বুঝেও অ্যানথ্রপিক ‘সবার আগে পৌঁছানোর দৌড়ে আটকে আছে। তাদের বিশ্বাস, অন্য কেউ দায়িত্বশীল আচরণ করবে না, তাই ঝুঁকি সত্ত্বেও তাদেরই এই কাজ করতে হবে।’

Advertisement

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম