Logo
Logo
×
   

বাংলার মুখ

চার স্থানে শিশু ও তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

বরিশাল, পটুয়াখালী, নেত্রকোনার আটপাড়া ও মৌলভীবাজারে ৩ শিশু ও তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পটুয়াখালী ও মৌলভীবাজারে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

বরিশাল ব্যুরো : বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের চর নরসিংহপুর গ্রামে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়–য়া আট বছরের এক শিশুর মুখে গামছা বেঁধে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শনিবার হিজলা থানায় মামলা হয়েছে। ওই শিশুকে মুমূর্ষু অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার দুপুরে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে হিজলা থানা পুলিশের ওসি অসীম কুমার সিকদার জানান, ওই গ্রামের এক দিনমজুরের মাদ্রাসায় পড়ুয়া দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় শনিবার শিশুর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে।

পটুয়াখালী : র‌্যাব-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইছ উদ্দিনের নেতৃত্বে শনিবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে পটুয়াখালী জেলার সদর থানাধীন লাউকাঠি এলাকায় চার বছরের শিশুকে ধর্ষণকারী একমাত্র অভিযুক্ত আসামি মো. কাইয়ুম গাজীকে (১৫) গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব জানায়, ৮ নভেম্বর দুপুরে ঠোটারবাজারের পার্শ্বে স্কুলমাঠে টাক-টাক খেলা দেখার সময় কাইয়ুম গাজী চার বছরের শিশুকে ফুসলিয়ে ঠোটারবাজারের পার্শ্বে মসজিদের পেছনে নিয়ে ধর্ষণ করে। ভিকটিম শিশুটির চিৎকারে লোকজন জড়ো হলে অভিযুক্ত কাইয়ুম গাজী পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে ১১ নভেম্বর পটুয়াখালী সদর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

আটপাড়া (নেত্রকোনা) : নেত্রকোনার আটপাড়ায় ধর্ষণের শিকার তরুণী নিজে বাদী হয়ে দু’জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। আসামিরা হল দুওজ ইউনিয়নের হরিপুর বানিয়াগাতী গ্রামের রাসেল মিয়া ও তেলিগাতী ইউনিয়নের শ্রীধরপুর গ্রামের মামুন মিয়া। থানা ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে রাসেল মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ১১ নভেম্বর রাত সাড়ে ১১টায় রাসেল মিয়া তরুণীর বাড়িতে বেড়াতে আসে। তাদের মধ্যে প্রেমালাপের একপর্যায়ে রাসেল মিয়া তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তরুণীর আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন বেরিয়ে এলে রাসেল মিয়া ও তার সহযোগী মামুন মিয়া পালিয়ে যায়।

বড়লেখা (মৌলভীবাজার) : মৌলভীবাজারের বড়লেখায় শিশু ধর্ষণের ঘটনার মামলায় নাহিদ হাসান অপু নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত দেড়টার দিকে গঙ্গারজল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে পুলিশ তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে। নাহিদ হাসান অপু উপজেলার সদর ইউপির গঙ্গারজল গ্রামের অধিবাসী। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ২০১৪ সালে এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় তার পরিবার নাহিদ হাসান অপুকে আসামি করে বড়লেখা থানায় ধর্ষণ মামলা করে। মামলার পর থেকেই পলাতক ছিল নাহিদ হাসান অপু।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম