ঢাকাগামী বাসে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়
jugantor
ঢাকাগামী বাসে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়
নাজিরপুর শেরপুরে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

  শেরপুর ও নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি  

০৯ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকাগামী বাসে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়
ফাইল ছবি

শেরপুরে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাসে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব। একই সঙ্গে যাত্রীদের কাছ থেকে সিটপ্রতি দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।

জানা গেছে, সরকারি বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ঈদের ছুটিতে অনেক মানুষ গ্রামের বাড়িতে এসে ঈদ করেছেন। বর্তমানে তারা তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যেতে শুরু করেছেন।

এদিকে যাত্রীচাপ বাড়ায় জেলার সব বাসে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে। বিশেষ করে শেরপুর জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে ঢাকামুখী বিভিন্ন বাসে সামাজিক দূরত্বসহ মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।

একই সঙ্গে প্রতি দুই সিটে একজন করে যাত্রী নেয়ার কথা থাকলেও নেয়া হচ্ছে দু’জন করে। একই সঙ্গে শেরপুর-ঢাকা ভাড়া ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও প্রতি সিটেই ভাড়া নেয়া হচ্ছে ৬০০ টাকা করে।

শুক্রবার রাতে শেরপুর শহরের রঘুনাথ বাজারে শেরপুর-বগুড়া কাউন্টারের সামনে থেকে নারায়ণগঞ্জগামী রকেট সার্ভিসের যাত্রী রহিম জানান, প্রতি দুই সিটে ভাড়া ৫০০ টাকার স্থলে প্রতি এক সিটের জন্য টিকিট কাটা হয় ৬৫০ টাকা দিয়ে। অপরদিকে মকবুল হোসেন বলেন, বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে বলা হলে কাউন্টার থেকে বলা হয়, গেলে যান না গেলে সরে যান। তাই বাধ্য হয়েই ৫০০ টাকার দুই সিটের বদলে ৬০০ টাকায় এক সিটের টিকিট কাটতে হয়েছে যথাসময়ে গন্তব্যে যেতে।

এ বিষয়ে পরিবহন মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সুজিত ঘোষ সন্টু জানান, আমরা ভাড়া বেশি নিচ্ছি না। যাত্রীচাপ বাড়ায় যাত্রীরাই জোর করে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে প্রতি সিটে বসে যাচ্ছে। তবে ভাড়া বেশি নয়, সরকার নির্ধারিত ৫০০ টাকাই নেয়া হচ্ছে।

এদিকে পিরোজপুরের নাজিরপুরে গণপরিবহনসহ দূরপাল্লার পরিবহনে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।

জানা গেছে, নাজিরপুর উপজেলা সদর থেকে প্রতিদিন দূরপাল্লার পরিবহন হিসেবে ঢাকা ও চট্টগ্রামের উদ্দেশে গাড়ি যাচ্ছে। এসব গাড়িতে স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত হিসেবে দ্বিগুণ বা এরও বেশি ভাড়া নেয়া হচ্ছে। শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের উদ্দেশে টিকিট কাটতে আসা উপজেলার চৌঠাইমহল গ্রামের রবিউল ফকির জানান, তারা চারজনে দিদার পরিবহনে টিকিট কাটতে গেলে তাদের প্রতিটি টিকিট বাবদ ১ হাজার ৩০০ টাকা করে নেয়া হয়েছে।

এ টিকিট এর আগে ৬০০ টাকা করে নেয়া হতো। ঢাকার উদ্দেশে নাজিরপুর থেকে যাওয়া গোল্ডেন লাইন, ইমাদ পরিবহন, কমফোর্ট লাইন, টুঙ্গিপাড়া পরিবহন, দোলাসহ সব পরিবহনেই আগের থেকে দ্বিগুণ ভাড়া নেয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে পরিবহনগুলোর স্থানীয় কাউন্টার ম্যানেজারদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, ঈদের ছুটির পর ঢাকা বা কর্মস্থলগামী লোকদের টিকিটের চাহিদা পূরণ করতে আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারছি না।

ঢাকাগামী বাসে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়

নাজিরপুর শেরপুরে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি
 শেরপুর ও নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি 
০৯ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ঢাকাগামী বাসে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়
ফাইল ছবি

শেরপুরে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাসে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব। একই সঙ্গে যাত্রীদের কাছ থেকে সিটপ্রতি দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।

জানা গেছে, সরকারি বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ঈদের ছুটিতে অনেক মানুষ গ্রামের বাড়িতে এসে ঈদ করেছেন। বর্তমানে তারা তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যেতে শুরু করেছেন।

এদিকে যাত্রীচাপ বাড়ায় জেলার সব বাসে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে। বিশেষ করে শেরপুর জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে ঢাকামুখী বিভিন্ন বাসে সামাজিক দূরত্বসহ মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।

একই সঙ্গে প্রতি দুই সিটে একজন করে যাত্রী নেয়ার কথা থাকলেও নেয়া হচ্ছে দু’জন করে। একই সঙ্গে শেরপুর-ঢাকা ভাড়া ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও প্রতি সিটেই ভাড়া নেয়া হচ্ছে ৬০০ টাকা করে।

শুক্রবার রাতে শেরপুর শহরের রঘুনাথ বাজারে শেরপুর-বগুড়া কাউন্টারের সামনে থেকে নারায়ণগঞ্জগামী রকেট সার্ভিসের যাত্রী রহিম জানান, প্রতি দুই সিটে ভাড়া ৫০০ টাকার স্থলে প্রতি এক সিটের জন্য টিকিট কাটা হয় ৬৫০ টাকা দিয়ে। অপরদিকে মকবুল হোসেন বলেন, বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে বলা হলে কাউন্টার থেকে বলা হয়, গেলে যান না গেলে সরে যান। তাই বাধ্য হয়েই ৫০০ টাকার দুই সিটের বদলে ৬০০ টাকায় এক সিটের টিকিট কাটতে হয়েছে যথাসময়ে গন্তব্যে যেতে।

এ বিষয়ে পরিবহন মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সুজিত ঘোষ সন্টু জানান, আমরা ভাড়া বেশি নিচ্ছি না। যাত্রীচাপ বাড়ায় যাত্রীরাই জোর করে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে প্রতি সিটে বসে যাচ্ছে। তবে ভাড়া বেশি নয়, সরকার নির্ধারিত ৫০০ টাকাই নেয়া হচ্ছে।

এদিকে পিরোজপুরের নাজিরপুরে গণপরিবহনসহ দূরপাল্লার পরিবহনে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।

জানা গেছে, নাজিরপুর উপজেলা সদর থেকে প্রতিদিন দূরপাল্লার পরিবহন হিসেবে ঢাকা ও চট্টগ্রামের উদ্দেশে গাড়ি যাচ্ছে। এসব গাড়িতে স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত হিসেবে দ্বিগুণ বা এরও বেশি ভাড়া নেয়া হচ্ছে। শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের উদ্দেশে টিকিট কাটতে আসা উপজেলার চৌঠাইমহল গ্রামের রবিউল ফকির জানান, তারা চারজনে দিদার পরিবহনে টিকিট কাটতে গেলে তাদের প্রতিটি টিকিট বাবদ ১ হাজার ৩০০ টাকা করে নেয়া হয়েছে।

এ টিকিট এর আগে ৬০০ টাকা করে নেয়া হতো। ঢাকার উদ্দেশে নাজিরপুর থেকে যাওয়া গোল্ডেন লাইন, ইমাদ পরিবহন, কমফোর্ট লাইন, টুঙ্গিপাড়া পরিবহন, দোলাসহ সব পরিবহনেই আগের থেকে দ্বিগুণ ভাড়া নেয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে পরিবহনগুলোর স্থানীয় কাউন্টার ম্যানেজারদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, ঈদের ছুটির পর ঢাকা বা কর্মস্থলগামী লোকদের টিকিটের চাহিদা পূরণ করতে আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারছি না।