রাবিতে সভাপতি নিয়োগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন, আদালতের স্থগিতাদেশ
jugantor
রাবিতে সভাপতি নিয়োগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন, আদালতের স্থগিতাদেশ

  রাজশাহী ব্যুরো  

১৫ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনে সভাপতি নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ভার্চুয়াল কোর্টে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এ নিয়োগ স্থগিত রাখতে নির্দেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অধ্যাপক সাইফুল ইসলামকে ২০১৭ সালের ৯ মে তিন বছরের জন্য ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যার মেয়াদ শেষ হয় চলতি বছরের ৮ মে।

জ্যেষ্ঠতার নিয়ম অনুযায়ী অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের পর অধ্যাপক মু. আলী আসগর সভাপতি হওয়ার কথা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধ্যাপক আলী আসগরকে বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র শিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়। যা বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩ এর ২৯ ধারার (৩) (১) জ্যেষ্ঠতার নিয়ম লঙ্ঘন করে বলে অভিযোগ করেন অধ্যাপক আলী আসগর।

পরে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে নিয়োগ স্থগিত চেয়ে ভার্চুয়াল কোর্টে রিট পিটিশন করেন বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক মু. আলী আসগর। তার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট আমিনুল হক হেলাল।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. মু আলী আসগর যুগান্তরকে বলেন, গত বছর বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির ইস্যুতে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলাম। ওই সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে রিট প্রত্যাহার করতে ফোর্স করা হয়। কিন্তু আমি আমার সিদ্ধান্তে অনড় থাকি এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওই নিয়োগ হাইকোর্ট বাতিল ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমার প্রতি ক্ষিপ্ত। জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে বিভাগের সভাপতি নিয়োগ এরই বহিঃপ্রকাশ মাত্র।

এ ব্যাপারে বক্তব্যের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর এম বারীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

রাবিতে সভাপতি নিয়োগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন, আদালতের স্থগিতাদেশ

 রাজশাহী ব্যুরো 
১৫ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনে সভাপতি নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ভার্চুয়াল কোর্টে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এ নিয়োগ স্থগিত রাখতে নির্দেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অধ্যাপক সাইফুল ইসলামকে ২০১৭ সালের ৯ মে তিন বছরের জন্য ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যার মেয়াদ শেষ হয় চলতি বছরের ৮ মে।

জ্যেষ্ঠতার নিয়ম অনুযায়ী অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের পর অধ্যাপক মু. আলী আসগর সভাপতি হওয়ার কথা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধ্যাপক আলী আসগরকে বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র শিক্ষক আবুল কালাম আজাদকে সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়। যা বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩ এর ২৯ ধারার (৩) (১) জ্যেষ্ঠতার নিয়ম লঙ্ঘন করে বলে অভিযোগ করেন অধ্যাপক আলী আসগর।

পরে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে নিয়োগ স্থগিত চেয়ে ভার্চুয়াল কোর্টে রিট পিটিশন করেন বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক মু. আলী আসগর। তার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট আমিনুল হক হেলাল।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. মু আলী আসগর যুগান্তরকে বলেন, গত বছর বিভাগে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির ইস্যুতে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলাম। ওই সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে রিট প্রত্যাহার করতে ফোর্স করা হয়। কিন্তু আমি আমার সিদ্ধান্তে অনড় থাকি এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ওই নিয়োগ হাইকোর্ট বাতিল ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, এ ঘটনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমার প্রতি ক্ষিপ্ত। জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে বিভাগের সভাপতি নিয়োগ এরই বহিঃপ্রকাশ মাত্র।

এ ব্যাপারে বক্তব্যের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর এম বারীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।