Logo
Logo
×

Advertisement

অর্থনীতি

টাকায় বিজয়ের স্মারক

Advertisement

Icon

হামিদ বিশ্বাস

প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

Advertisement

১৯৭২ সালে প্রথম কোষাগার মুদ্রা বের করা হয় ১ টাকার নোট। ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত এ নোটের প্রচলন ছিল। তবে ১৯৭২ সালেই বাংলাদেশ ব্যাংক আরও তিনটি নোট চালু করে- ৫ টাকা, ১০ টাকা এবং ১০০ টাকার। ৫ টাকার নোটটি প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যু করা হলেও বর্তমানে তা অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যু করা হয়। ১৯৭৫ সালে ৫০ টাকার ব্যাংক নোট বাজারে আসে। ১৯৭৭ সালে ৫০০ টাকার ব্যাংক নোট এবং ১৯৮০ সালে ২০ টাকার ব্যাংক নোটের সঙ্গে পরিচিত হয় দেশবাসী। ২ টাকার নোটটি পরিচিতি পায় ১৯৮৯ সালে। ২০১২ সালে রাশিয়ার একটি অনলাইন এন্টারটেইনমেন্ট আউটলেটে পোলের মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর নোট হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২ টাকার এই নোটটি। ২০০০ সালে সরকার কর্তৃক অস্ট্রেলিয়ান ডলারের আদলে ১০ টাকার পলিমার নোট বের করা হয়। কিন্তু এ নোট জনপ্রিয়তা লাভে ব্যর্থ হওয়ায় পরবর্তীতে বাজার থেকে তুলে নেয়া হয়। ২০০৮ সালে চালু হয় ১ হাজার টাকার নোট।

টাকায় স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতি : ২০১১ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক পরপর কয়েকটি ব্যাংক নোট ইস্যু করে যার ভেতরে ২ টাকা, ৫ টাকা, ১০০ টাকা, ৫০০ টাকা এবং ১ হাজার টাকার নোট ছিল। এই নোটগুলোতে সামনে বামপাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুখমণ্ডলের প্রতিকৃতি এবং ডানপাশে ওই প্রতিকৃতির জলছাপ এবং মাঝখানে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতির জলছাপ যুক্ত করা হয়। এরপর ২০১২ সালের ৭ মার্চ ১০ টাকা, ২০ টাকা এবং ৫০ টাকার ব্যাংক নোটেও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি এবং জলছাপ ও মাঝখানে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতির জলছাপ যুক্ত করা হয়। ২০১২ সালে ইস্যুকৃত টাকায় আরও বিশেষত্ব আনতে ১০ টাকার নোটের পেছনে বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ছবি, ২০ টাকার নোটের পেছনে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি এবং ৫০ টাকার নোটের পেছনে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের আঁকা বিখ্যাত পেইন্টিং ‘মই দেয়া’ যুক্ত করা হয়।

স্মারক নোট স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতি : পরিচিত এবং ব্যবহৃত এসব নোটের বাইরেও বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বিভিন্ন সময় কিছু স্মারক নোট ইস্যু করে। ভাষা আন্দোলনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ছাপা হয় ৬০ টাকার স্মারক নোট। ২০১১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৪০ টাকার স্মারক নোট বের করে। এই নোটের সামনের পিঠে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রতিকৃতি এবং পেছনের পিঠে ছ’জন সেনানায়কের ছবি যুক্ত করা রয়েছে। আরেকটি বিশেষত্ব হচ্ছে, এতে ইলেক্ট্রো টাইপ ১০ এর জলছাপ রয়েছে যার অর্থ- ১০ টাকার অতিরিক্ত নোটগুলোর কাগজ দিয়ে এটি বানানো হয়েছে। গাঢ় লাল রং, কমলা রং এবং সবুজ রঙের সমাহারে বানানো এ নোট দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে যথাক্রমে ১২২ মি.মি. ও ৬০ মি.মি.। ২০১৩ সালের ২৬ জানুয়ারিতে ‘দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড’ এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫ টাকার স্মারক নোট বের করে। নীল, বেগুনি এবং লালের সমাহারে তৈরি এ নোটের সামনের দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি, বাংলাদেশের পূর্ববর্তী টাকার ডিজাইন এবং ব্যবহৃত স্ট্যাম্পস, তিনটি হরিণ এবং একটি দোয়েল পাখি।

Advertisement

Advertisement

আরও পড়ুন

খামারির সাড়ে ৬ টাকার ডিম খুচরায় ১৩ টাকা

খামারির সাড়ে ৬ টাকার ডিম খুচরায় ১৩ টাকা

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্মে ৩৯ ব্যাংকের যাত্রা শুরু

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্মে ৩৯ ব্যাংকের যাত্রা শুরু

শেয়ারবাজার হাজার কোটি টাকা ছাড়াল লেনদেন

হাজার কোটি টাকা ছাড়াল লেনদেন

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে যেতে সংস্কার করা হচ্ছে : বাণিজ্যমন্ত্রী

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে যেতে সংস্কার করা হচ্ছে : বাণিজ্যমন্ত্রী

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম