Logo
Logo
×

Advertisement

সম্পাদকীয়

ঢাকা-টঙ্গী রেললাইন প্রকল্প

গড়িমসি কার স্বার্থে?

Advertisement

Icon

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০১৮, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা-টঙ্গী রেললাইন প্রকল্প

Advertisement

২০১১ সালের শেষদিকে স্বতন্ত্র রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠনের পর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন আধুনিকায়নের পাশাপাশি ঢাকা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত ৩য় ও ৪র্থ লেন রেললাইন স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়, যা ২০১২ সালে একনেকের অনুমোদন লাভ করে। ৮৪৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নযোগ্য জনগুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পের কাজ ২০১৫ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও অদ্যাবধি সে কাজ শুরুই করা যায়নি কেন, এ এক প্রশ্ন বটে! জানা গেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে মাত্র ৩ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে ট্রেন ছাড়া এবং স্টেশনে ট্রেন প্রবেশ করানো সম্ভব হবে। বর্তমানে এ স্টেশনের ভেতর ও প্রবেশপথে একাধিক লাইন না থাকায় ৪০ মিনিট থেকে দেড় ঘণ্টা পরপর স্টেশনে ট্রেন প্রবেশ করাতে হয়। স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়তেও একই সময় লাগে। কোনো কারণে ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয় ঘটলে লাইন ক্লিয়ার পাওয়ার সময়সীমা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এর ফলে জনদুর্ভোগের মাত্রাও বৃদ্ধি পায়, যা মোটেই কাম্য নয়। অস্বীকার করার উপায় নেই, বিগত কয়েক বছরে রেলওয়ের বেশকিছু প্রকল্প সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। অথচ ঢাকা-টঙ্গী ৩য় ও ৪র্থ লেন রেললাইন স্থাপনের পরিকল্পনা কেন আলোর মুখ দেখল না, এ প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, জনগুরুত্বপূর্ণ ও অর্থনীতির জন্য ফলদায়ক বিবেচনায় বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেয়া হলেও বাস্তবায়নে ধীরগতির জন্য সেগুলোর উপযোগিতা নষ্ট হয়, উপরন্তু ব্যয় বাড়ে। ২০১২ সালে গৃহীত ঢাকা-টঙ্গী ৩য় ও ৪র্থ লেন রেললাইন স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় এরই মধ্যে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। প্রকল্পটি যথাসময়ে বাস্তবায়িত হলে নিশ্চয়ই রাষ্ট্রকে এতগুলো টাকা গচ্চা দিতে হতো না। বলার অপেক্ষা রাখে না, প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির কারণে অতিরিক্ত ব্যয় নির্ধারণের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের অর্থ পকেটস্থ করার সুযোগ তৈরি হয়। এতে দুর্নীতির প্রসার ঘটে। শুধু ঢাকা-টঙ্গী ৩য় ও ৪র্থ লেন রেললাইন স্থাপন প্রকল্প নয়, অনুমোদন পাওয়া জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ সব প্রকল্পই যাতে সময়মতো সম্পন্ন হয়, তার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া উচিত।

দুঃখজনক হল, রেলওয়ের জনগুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রকল্পই এখন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গরূপে বাস্তবায়িত হয়নি। অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে রেলপথ মন্ত্রণালয়কে আপাদমস্তক ঢেলে সাজানো দরকার। তবে এজন্য সবার আগে সেখান থেকে দুর্নীতি দূর করতে হবে। দুর্নীতি বজায় রেখে জাতিকে যুগোপযোগী রেল উপহার দেয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

Advertisement

ট্রেন

Advertisement

আরও পড়ুন

বিমানবন্দর ঘিরে অপরাধ

বিমানবন্দর ঘিরে অপরাধ

আট হাজার ডাকঘর

আট হাজার ডাকঘর

আলোচনায় রিকনসিলিয়েশন

আলোচনায় রিকনসিলিয়েশন

মূল্যস্ফীতিতে জ্বালানির দামের প্রভাব

মূল্যস্ফীতিতে জ্বালানির দামের প্রভাব

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম