ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: আলোচনায় আ’লীগ নেতা শাহ আলম
jugantor
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: আলোচনায় আ’লীগ নেতা শাহ আলম

  আখাউড়া প্রতিনিধি  

১৪ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক এমপি মোহাম্মদ শাহ আলমের পক্ষে শোডাউন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সোমবার জমা দিয়েছেন সাবেক এমপি মোহাম্মদ শাহ আলম।

অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, ১৯৭৫ সালের পর এন্টি আওয়ামী লীগ হিসেবে পরিচিত সীমান্তবর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনটি আমি জনগণের ব্যালটের মাধ্যমে উদ্ধার করি।

১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নির্দেশে প্রথমবার আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। ওই নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মিয়া আবদুল্লাহ্ ওয়াজেদ আবদু মিয়াকে ৪১ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে শেখ হাসিনাকে আসনটি উপহার দেই।

২০০৮ সালে ফের নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপির হ্যাভিওয়েট প্রার্থী খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও বিশ্ব ব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক মুশফিকুর রহমানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি।

ওই নির্বাচনে ৪৩ হাজার ভোট বেশি পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়ে কসবা-আখাউড়া সংসদীয় আসনটি শেখ হাসিনাকে উপহার দিয়ে জনগণের সেবা করেছি। তিনি বলেন, এবার মনোনয়ন পেলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ আসনটি উপহার দিতে পারব ইনশাহ আল্লাহ্।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: আলোচনায় আ’লীগ নেতা শাহ আলম

 আখাউড়া প্রতিনিধি 
১৪ নভেম্বর ২০১৮, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক এমপি মোহাম্মদ শাহ আলমের পক্ষে শোডাউন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী সাবেক এমপি মোহাম্মদ শাহ আলমের পক্ষে শোডাউন। ছবি: যুগান্তর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সোমবার জমা দিয়েছেন সাবেক এমপি মোহাম্মদ শাহ আলম।

অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, ১৯৭৫ সালের পর এন্টি আওয়ামী লীগ হিসেবে পরিচিত সীমান্তবর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনটি আমি জনগণের ব্যালটের মাধ্যমে উদ্ধার করি।

১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নির্দেশে প্রথমবার আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করি। ওই নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মিয়া আবদুল্লাহ্ ওয়াজেদ আবদু মিয়াকে ৪১ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে শেখ হাসিনাকে আসনটি উপহার দেই।

২০০৮ সালে ফের নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপির হ্যাভিওয়েট প্রার্থী খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও বিশ্ব ব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক মুশফিকুর রহমানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি।

ওই নির্বাচনে ৪৩ হাজার ভোট বেশি পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়ে কসবা-আখাউড়া সংসদীয় আসনটি শেখ হাসিনাকে উপহার দিয়ে জনগণের সেবা করেছি। তিনি বলেন, এবার মনোনয়ন পেলে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ আসনটি উপহার দিতে পারব ইনশাহ আল্লাহ্।