পাঁচ উপন্যাসের অনুপ্রেরণায় অন্দরসজ্জা
jugantor
পাঁচ উপন্যাসের অনুপ্রেরণায় অন্দরসজ্জা

   

১৯ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বর্তমান সময়ে অন্দরমহলের সাজসজ্জা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের বসবাসের জায়গা অথবা কর্মক্ষেত্রে নতুনত্ব আনতে গৃহশৈলী দিনকে দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। যে ঘরে আপনার নিত্য বসবাস, সেটি আকর্ষণীয় হওয়া চাই। আধুনিক যুগে ঘর সাজানোর কৌশলকে তুলনা করা যেতে পারে যে কোনো শিল্প মাধ্যমের সঙ্গে। কেননা শত শত বছর ধরে স্থাপত্যশৈলীতে যোগ হয়েছে নানা মাত্রা; যার প্রভাব পড়েছে গৃহসজ্জায়। বাড়ির বাহির দেখতে সুন্দর হওয়ার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যও গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক এ ভাবনায় নিজেদের ফার্নিচার লাইন শুরু করেছে ডেকো ইশো গ্রুপ। আধুনিক আর স্মার্ট আসবাবপত্রের সম্ভার বাজারে এসেছে ইশো ব্র্যান্ড নামে। সময় আর পরিসরকে বিবেচনায় রেখে এর ডিজাইন করা হয়েছে। এতে গুরুত্ব পাচ্ছে অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ। আমাদের ঐতিহ্য-সমৃদ্ধ কারুশিল্পকে নতুনের সৌন্দর্য আর উদ্ভাবনের নতুনতর মাত্রায় উপস্থাপন করা হচ্ছে। আর সেই উপস্থাপনায় সমকালীন চাহিদার পাশাপাশি স্থান পাচ্ছে ভবিষ্যতের উপযুক্ততা।

ইশো ফার্নিচার লাইন করার আগে অনেক ভেবেচিন্তেই কাজ শুরু করেছে। কারণ, আসবাবপত্রের আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে আমাদের দেশের বাজারের কোনো মিলই নেই। সেজন্য প্রথমেই বাজার জরিপ ছিল তাদের প্রকল্প শুরুর প্রথম পদক্ষেপ। বর্তমানে নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি, তরুণ দম্পতি, প্রযুক্তি অনুরক্ত ছেলেমেয়েদের সঙ্গে কথা বলে উদ্যোক্তাদের পছন্দ নিয়েই ডিজাইন ডেভেলপমেন্টের কাজ শুরু করে ইশো। বস্তুত, বিদেশি সিনেমায় বা নেটের দুনিয়ায় যে ধরনের আসবাবপত্র আমরা দেখি, অভ্যন্তরীণ সজ্জা আর আবহের সঙ্গে পরিচিত হই, তা আমাদের দেশে মেলে না। অথচ এখানকার নতুন প্রজন্ম সেটাই চায়। মাত্রা আনতে চায় তাদের জীবনযাপনে; হয়ে উঠতে চায় এ সময়ের প্রতিনিধি। চায় কোজি, স্লিম আর ফাংশনাল জিনিসপত্র। বাজার জরিপে উঠে আসা এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েই প্রডাক্ট ডিজাইনে মনোযোগী হয় তারা।

ইন্টেরিয়র ডিজাইনে আসবাবপত্রের ব্যবহারে ভিন্নতা তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানটি। বিশ্বের জনপ্রিয় পাঁচটি উপন্যাসের অনুপ্রেরণায় পাঁচটি নান্দনিক ইন্টেরিয়র ডিজাইন উপস্থাপন করে ইশো। উপন্যাসগুলো হচ্ছে- ট্রয়, হ্যারি পটার, সেডাকো অ্যান্ড থাউজেন্ড পেপার ক্রেন, প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস এবং নষ্টনীড়। সম্প্রতি বাংলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত লিটফেস্টে এ ইন্টেরিয়র উপস্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে ডেকো ইশো গ্রুপের পরিচালক রাইয়ানা হোসেন বলেন, ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সংস্পর্শে উপস্থাপনই আমাদের লক্ষ্য। সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন উপকরণে নিজেদের স্টেট অব দ্য আর্ট ফ্যাক্টরিতে তৈরি সব ট্রেন্ডি ফার্নিচারের অনবদ্য লাইন। একেবারে মিলিমালিস্টিক অথচ ট্রেন্ডি ডিজাইনের ফার্নিচার যে কারোরই নজর কাড়বে। বাংলাদেশের কারুশিল্পের ঐতিহ্য বর্ষপ্রাচীন আর সমৃদ্ধ। ফলে সেই হেরিটেজকে আধুনিক ভাবনায় ফুটিয়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।

পাঁচ উপন্যাসের অনুপ্রেরণায় অন্দরসজ্জা

  
১৯ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বর্তমান সময়ে অন্দরমহলের সাজসজ্জা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের বসবাসের জায়গা অথবা কর্মক্ষেত্রে নতুনত্ব আনতে গৃহশৈলী দিনকে দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। যে ঘরে আপনার নিত্য বসবাস, সেটি আকর্ষণীয় হওয়া চাই। আধুনিক যুগে ঘর সাজানোর কৌশলকে তুলনা করা যেতে পারে যে কোনো শিল্প মাধ্যমের সঙ্গে। কেননা শত শত বছর ধরে স্থাপত্যশৈলীতে যোগ হয়েছে নানা মাত্রা; যার প্রভাব পড়েছে গৃহসজ্জায়। বাড়ির বাহির দেখতে সুন্দর হওয়ার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যও গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক এ ভাবনায় নিজেদের ফার্নিচার লাইন শুরু করেছে ডেকো ইশো গ্রুপ। আধুনিক আর স্মার্ট আসবাবপত্রের সম্ভার বাজারে এসেছে ইশো ব্র্যান্ড নামে। সময় আর পরিসরকে বিবেচনায় রেখে এর ডিজাইন করা হয়েছে। এতে গুরুত্ব পাচ্ছে অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যৎ। আমাদের ঐতিহ্য-সমৃদ্ধ কারুশিল্পকে নতুনের সৌন্দর্য আর উদ্ভাবনের নতুনতর মাত্রায় উপস্থাপন করা হচ্ছে। আর সেই উপস্থাপনায় সমকালীন চাহিদার পাশাপাশি স্থান পাচ্ছে ভবিষ্যতের উপযুক্ততা।

ইশো ফার্নিচার লাইন করার আগে অনেক ভেবেচিন্তেই কাজ শুরু করেছে। কারণ, আসবাবপত্রের আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে আমাদের দেশের বাজারের কোনো মিলই নেই। সেজন্য প্রথমেই বাজার জরিপ ছিল তাদের প্রকল্প শুরুর প্রথম পদক্ষেপ। বর্তমানে নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি, তরুণ দম্পতি, প্রযুক্তি অনুরক্ত ছেলেমেয়েদের সঙ্গে কথা বলে উদ্যোক্তাদের পছন্দ নিয়েই ডিজাইন ডেভেলপমেন্টের কাজ শুরু করে ইশো। বস্তুত, বিদেশি সিনেমায় বা নেটের দুনিয়ায় যে ধরনের আসবাবপত্র আমরা দেখি, অভ্যন্তরীণ সজ্জা আর আবহের সঙ্গে পরিচিত হই, তা আমাদের দেশে মেলে না। অথচ এখানকার নতুন প্রজন্ম সেটাই চায়। মাত্রা আনতে চায় তাদের জীবনযাপনে; হয়ে উঠতে চায় এ সময়ের প্রতিনিধি। চায় কোজি, স্লিম আর ফাংশনাল জিনিসপত্র। বাজার জরিপে উঠে আসা এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েই প্রডাক্ট ডিজাইনে মনোযোগী হয় তারা।

ইন্টেরিয়র ডিজাইনে আসবাবপত্রের ব্যবহারে ভিন্নতা তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানটি। বিশ্বের জনপ্রিয় পাঁচটি উপন্যাসের অনুপ্রেরণায় পাঁচটি নান্দনিক ইন্টেরিয়র ডিজাইন উপস্থাপন করে ইশো। উপন্যাসগুলো হচ্ছে- ট্রয়, হ্যারি পটার, সেডাকো অ্যান্ড থাউজেন্ড পেপার ক্রেন, প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস এবং নষ্টনীড়। সম্প্রতি বাংলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত লিটফেস্টে এ ইন্টেরিয়র উপস্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে ডেকো ইশো গ্রুপের পরিচালক রাইয়ানা হোসেন বলেন, ঐতিহ্যকে আধুনিকতার সংস্পর্শে উপস্থাপনই আমাদের লক্ষ্য। সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন উপকরণে নিজেদের স্টেট অব দ্য আর্ট ফ্যাক্টরিতে তৈরি সব ট্রেন্ডি ফার্নিচারের অনবদ্য লাইন। একেবারে মিলিমালিস্টিক অথচ ট্রেন্ডি ডিজাইনের ফার্নিচার যে কারোরই নজর কাড়বে। বাংলাদেশের কারুশিল্পের ঐতিহ্য বর্ষপ্রাচীন আর সমৃদ্ধ। ফলে সেই হেরিটেজকে আধুনিক ভাবনায় ফুটিয়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।