Logo
Logo
×
   

Advertisement

প্রতিমঞ্চ

রেকর্ড ভাঙতে শীত আসছে হামাগুড়ি দিয়ে

Advertisement

Icon

যাকারিয়া ইবনে ইউসুফ

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০১৮, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

রেকর্ড ভাঙতে শীত আসছে হামাগুড়ি দিয়ে

শীতে জুবুথুবু পথচারী ও সাধারণ মানুষ। খেজুরের রস নিয়ে হাটে যাচ্ছেন গাছি।

Advertisement

ষড়ঋতুর এ বাংলার প্রকৃতিতে পঞ্চম ঋতু হল শীত। পঞ্জিকায় বাংলা মাসের হিসাব অনুযায়ী পৌষ-মাঘ মাস নিয়ে শীতের ব্যাপ্তিকাল নির্ধারণ করা হয়।

আর ইংরেজি মাসের হিসাবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত শীতকাল।

পঞ্জিকার হিসাবটা এমন হলেও বাস্তবে নভেম্বর থেকেই সারা দেশে শীতের আমেজ অনুভূত হয়। আর জানুয়ারিতে অর্থাৎ মাঘ মাসে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পর্বাঞ্চলে গড় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে। শীতে দেশে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে।

বাংলায় ঋতু হিসেবে শীতের ব্যাপক জনপ্রিয়তা। এ সময় পিঠাপুলি, পায়েস মিষ্টান্নের মত নানা ধরনের উপাদেয় খাবারসহ মৌসুমি ফল আর শাকসবজি পাওয়া যায়। শীতে রূপসী বাংলা হয়ে ওঠে আরও অনন্য।

তবে তীব্র শীত এদেশের খেটে খাওয়া, গরিব মানুষের জন্য অত্যন্ত দুর্ভোগের কারণ। প্রতি বছরই শীতকালে গরম পোশাকের অভাবে অনেক প্রাণহানি ঘটে। গত বছর ৫০ বছরের ইতিহাসে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এবার এখন পর্যন্ত গত বছরের মাপকাঠিতে তাপমাত্রা সেভাবে নিচে নামছে তাতে ওই রেকর্ড ভঙ্গ হওয়ার সমূহ আশঙ্কা করছেন।

কাগজে-কলমে শীত আসতে এখনও দেড় মাস বাকি। অথচ এরমধ্যে শীতের আগমনী গান উত্তরের বাতাসে। শীত আসছে হামগুড়ি দিয়ে। গ্রামাঞ্চলে শীত পড়তে শুরু করেছে।

রাজধানী ঢাকায় এখনও সেভাবে শীত অনুভূত না হলেও সন্ধ্যা আর শেষ রাতে শীতের আমেজ টের পাওয়া যায়। কুয়াশার আচ্ছাদন আর হিমেল হাওয়ার দাপট দেখা যাচ্ছে উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জনপদে।

সেই সঙ্গে ক্রমাগত তাপমাত্রা কমছে সারা দেশের। বিগত কয়েকদিনে সারা দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ওঠানামা করেছে ১৬-১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ক্রমেই ব্যবধান কমছে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার।

ফলে এবার শীত মওসুমে হাড় কাঁপানো শীতের আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়াবিদরা জানান, সন্ধ্যার দিকে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে গেছে। যেটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব বলা যেতে পারে। এ কারণে গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার দুই মাস আগেই উত্তরাঞ্চলে শীত এসে গেছে।

আবহাওয়াবিদরা আশঙ্কা করছেন, এ পরিস্থিতির পরিবর্তন না এলে আসছে শীতে শীতের তীব্রতা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

এবার ভয়াবহ শীত পড়বে দেশে। ফলে গত বছরের ৮ জানুয়ারিতে ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার যে রেকর্ড হয়েছিল এবার সেটাও ছাড়িয়ে যাওয়ার একটা আশঙ্কা রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল রাইস রিসোর্স ইন্সটিটিউট-ইরি বাংলাদেশের কনসালটেন্ট ড. এমজি নিয়োগী বলছেন, উত্তরাঞ্চলে আড়াই মাস আগেই শীত আসার কারণ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব। এবার শীতের তীব্রতা বহুগুণ বাড়বে।

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আলী বলেন, আবহাওয়ার গতিপথ এবার অন্যরকম খেয়ালি। আশ্বিন মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই দেশের উত্তরাঞ্চলে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় কাছাকাছি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়ছেই। ফলে কুয়াশা পড়ছে। সামনে ভয়াবহ শীত অপেক্ষা করছে।

শীতে মানুষের মৃত্যু

প্রতি বছর শীতে দেশব্যাপী কয়েকশ’ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। শীতে প্রাণহানির সঠিক কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্র ধরে বলা যায়, মাঘ মাসের শীতে দেশব্যাপী প্রতিদিন অন্তত ৪-৫ জন প্রাণ হারান। এর মধ্যে বেশিরভাগই বয়স্ক, শিশু ও গরিব মানুষ।

প্রাণহানির পাশাপাশি শীতজনিত রোগবালাইও বৃদ্ধি পায়।

চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে কুড়িগ্রাম জেলার ইতিহাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচণ্ড শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শীত ও শীতকালীন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে কমপক্ষে ১২ জনের মৃত্যু হয়।

দৈনিক যুগান্তরের ৮ জানুয়ারির প্রকাশিত খবরে শৈত্যপ্রবাহে ১৫ জনের প্রাণহানির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গত ৫০ বছরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই সময়ের শৈত্যপ্রবাহে ৩ দিনে ২৩ জন নিহতের কথা উল্লেখ করেছে দেশের আরেকটি গণমাধ্যম।

১২ জানুয়ারির এক হিসাবে একদিনেই সাতজন মারা যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। শীতের প্রকোপের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে মারা যাওয়া মানুষের একটা বড় অংশ আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে মারা যায়।

নভেম্বরে আবহাওয়ার পূর্বাভাস

আবহাওয়া অফিসের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ বৃষ্টিপাত কম হয়েছে। এ মাসে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৫ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। নভেম্বর মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস সম্পর্কে আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান বলেন, নভেম্বর মাসে স্বাভাবিক অপেক্ষা কম বৃষ্টিপাত হতে পাবে।

এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১-২টি নিম্নচাপের সৃষ্টি হতে পারে; যার মধ্যে ১টি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

চলতি মাসে দিন-রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাবে; ফলে শীত অনুভূত হবে। দেশের নদী অববাহিকায় ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পাবে।

উত্তরবঙ্গে ভয়াবহ শীত পড়বে

শীতের কামড়টা সবচেয়ে বেশি টের পাওয়া যায় উত্তরবঙ্গে। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের মানুষের দুভোগের শেষ থাকে না। শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন রংপুর বিভাগের খেটে খাওয়া মানুষ।

ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর ও কুড়িগ্রামে ব্যাপক শীত পড়ে। নভেম্বরের শেষ দিক থেকে এ অঞ্চলে সারা দিন সূর্যের দেখা পাওয়াই যায় না। কুয়াশার কারণে সকাল হয় দেরিতে আর সন্ধ্যা হয় দ্রুত।

ফলে মানুষের কর্মকাল কমে যায়। প্রচণ্ড শীতের কারণে মাঠে-ঘাটে কাজ করাও কঠিন হয়ে পড়ে।

উত্তরবঙ্গে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এরমধ্যেই ১৫তে নেমে এসেছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ১৫ নভেম্বরের পর থেকে উত্তরবঙ্গে শীত জেঁকে বসবে। তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ১০-১২ ডিগ্রিতে।

আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস যুগান্তরকে বলেন, গতবারের মতো চলতি বছরও উত্তরবঙ্গে প্রচণ্ড শীত পড়বে। ডিসেম্বরে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের দুই-তিনটি শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে। তবে নভেম্বরে শৈত্যপ্রবাহ না এলেও হুট করে তাপমাত্রা কমে যেতে পারে।

যেমন- তেঁতুলিয়ায় ৪ নভেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬-১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানে সেটা আরও কমে যেতে পারে।

তিনি বলেন, নভেম্বরজুড়ে রাজধানীতে হালকা শীত অনুভূত হবে আর প্রচণ্ড শীত পড়বে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে।

ঢাকার বাইরে ১৫ নভেম্বরের পর থেকেই শীত পড়তে শুরু করবে। তবে এবার উত্তরবঙ্গ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা অঞ্চলে ভালো শীত পড়বে বলে মনে হচ্ছে।

শীতবস্ত্র ও ত্রাণসামগ্রীর অভাব

গত বছরের এক হিসাব অনুযায়ী রংপুর বিভাগের প্রতিটি জেলায় হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের সংখ্যা গড়ে তিন লাখের মতো। ফলে রংপুরের ৮ জেলায় কমপক্ষে ২০ লাখের বেশি হতদরিদ্র মানুষ রয়েছে।

অভিযোগ আছে, শীতকালে এসব এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম সরকারি শীতবস্ত্র ও ত্রাণ আসে। স্থানীয়ভাবে ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগও পুরনো। পাশাপাশি দেশের অন্য বিভাগের শীতপ্রবণ জেলাগুলোতে আরও ২০-২৫ লাখ কম্বলের চাহিদা রয়েছে।

তবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা হয় ২০-২৫ লাখ কম্বল বিতরণ করা হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ্ কামাল যুগান্তরকে বলেন, আসন্ন শীত মোকাবেলা আমাদের ভালো প্রস্তুতি রয়েছে। আগেভাগেই ১১ লাখ কম্বল দেশের বিভিন্ন শীতপ্রবণ জেলায় পাঠানো হচ্ছে।

শীত এলে আরও কম্বল-শুকনা খাবার পাঠানো হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার শীতের ত্রাণ সমন্বয় করা হয়।

তিনি বলেন, শীত এখনও সেভাবে পড়েনি। তবে আমরা প্রস্তুত। শীত ভালোভাবে পড়লে আমরা প্রকৃত চাহিদার কথা জানতে পারব।

প্রতি জেলাতেই একজন করে কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য কেন্দ্র থেকে আমরাও জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. জাকির হোসেন আকন্দ বলেন, গত শীতে শুধু মন্ত্রণালয় থেকে পুরো শীত মৌসুমে ১৮ লাখ কম্বল বিতরণ করা হয়েছিল।

চলতি বছর এখনও সেভাবে শীত নামেনি; তবে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা ৫ লাখ কম্বল বিভিন্ন জেলায় পাঠিয়েছি। ধাপে ধাপে আরও পাঠানো হবে। কমপক্ষে ১২ লাখ কম্বল শীতার্ত মানুষকে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এবার।

তারপরও যদি সংকুলান না হয় বা শীতের তীব্রতা বেড়ে যায়, তাহলে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমাদের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি নেই।

গত বছরের সঙ্গে তুলনা

২০১৭ সালের অক্টোবর মাসের সঙ্গে ২০১৮ সালের অক্টোবরের তুলনা করলেই আবহাওয়ার পার্থক্যটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। গত বছর অক্টোবর মাসের প্রথম ১৫ দিনে সারা দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চলতি বছর অক্টোবরের প্রথম ১৫ দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বেশিরভাগ দিনে তাপমাত্রা ২০-২১ ডিগ্রিতে ছিল।

২০১৭ সালের অক্টোবরের শেষ ১৫ দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২৮ অক্টোবর)। এছাড়াও দুই-তিন দিন তাপমাত্রা ১৭-১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ছিল।

চলতি বছর অক্টোবর মাসের শেষ ১৫ দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২৫ অক্টোবর)। এছাড়াও অন্তত সাত দিন তাপমাত্রা ছিল ১৫-১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ফলে শীতের আগমনী ধ্বনি ভালোভাবেই উপলব্ধি করা যাচ্ছে।

একইভাবে ২০১৭ সালের নভেম্বরে প্রথম চার দিনের তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। অন্যদিকে চলতি বছরের প্রথম চার দিন তাপমাত্রা ওঠানামা করছে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া অফিসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, গতবারের তুলনায় চলতি বছর একই সময়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমেছে। ফলে সামনে যে গতবারের তুলনায় আরও ভয়াবহ শীত পড়বে তা স্পষ্টভাবেই বলা যায়।

Advertisement

শীত

Advertisement

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম