মেকআপের প্রসাধনীতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি!
jugantor
মেকআপের প্রসাধনীতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি!

  ডা. নাদিয়া রুম্মান  

০৫ নভেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেকআপ যেমন নারীর সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে, তেমনি এর ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। ফাউন্ডেশন এবং মাসকারার মতো মেকআপ অনেকেই নিরাপদ মনে করেন। কিন্তু এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। এর কারণে স্তন ক্যানসার, ইনফেকশন, ব্রণ ও বন্ধ্যত্বের মতো স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

মেকআপে ‘প্যারাবেন’ নামে একটি কেমিক্যালের উপস্থিতি পাওয়া যায়। প্যারাবেন শরীরের ভেতরে যা ক্ষতিকর ব্যাক্টিরিয়ার সৃষ্টি নারীদের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও ডিইপি (ডাইথেল ফালেটস) বন্ধ্যত্ব সৃষ্টিতে জড়িত এবং এটি গর্ভবতীকালীন শিশুর বেড়ে ওঠায় প্রভাব ফেলে। তাই সঠিক মেকআপ বাছাইয়ে ত্বক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলাপ করে নিন। মেকআপে কেমিক্যাল থাকে।

কিছুতে কম এবং কিছুতে বেশি। অতিরিক্ত এবং লম্বা সময়ের (৫ ঘণ্টার বেশি) জন্য এবং প্রতিদিন মেকআপ নেওয়া পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। যেমন- ব্রণ, লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অনুজ্জ্বল ত্বকের মতো সমস্যা দেখা দেয়। মেকআপের কারণে অকাল বার্ধক্য ঘটতে পারে। অতিরিক্ত মেকআপ ব্যবহারের কারণে ত্বকের গুণও হারিয়ে যেতে পারে। ত্বক শুষ্ক, সংবেদনশীল এবং লাবণ্যহীন দেখা যায়। ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্যারাবেনবিহীন এবং গ্লুটেনবিহীন প্রসাধনী অপরিহার্য। কারণ উজ্জ্বল ত্বক বলতে কিছু না, গ্লাস ত্বকই (মসৃণ, কোমল ও দাগহীন) আসল।

লেখক : স্কিন স্পেশালিস্ট, বিউটি অ্যান্ড সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার।

মেকআপের প্রসাধনীতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি!

 ডা. নাদিয়া রুম্মান 
০৫ নভেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেকআপ যেমন নারীর সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে, তেমনি এর ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। ফাউন্ডেশন এবং মাসকারার মতো মেকআপ অনেকেই নিরাপদ মনে করেন। কিন্তু এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। এর কারণে স্তন ক্যানসার, ইনফেকশন, ব্রণ ও বন্ধ্যত্বের মতো স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

মেকআপে ‘প্যারাবেন’ নামে একটি কেমিক্যালের উপস্থিতি পাওয়া যায়। প্যারাবেন শরীরের ভেতরে যা ক্ষতিকর ব্যাক্টিরিয়ার সৃষ্টি নারীদের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও ডিইপি (ডাইথেল ফালেটস) বন্ধ্যত্ব সৃষ্টিতে জড়িত এবং এটি গর্ভবতীকালীন শিশুর বেড়ে ওঠায় প্রভাব ফেলে। তাই সঠিক মেকআপ বাছাইয়ে ত্বক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলাপ করে নিন। মেকআপে কেমিক্যাল থাকে।

কিছুতে কম এবং কিছুতে বেশি। অতিরিক্ত এবং লম্বা সময়ের (৫ ঘণ্টার বেশি) জন্য এবং প্রতিদিন মেকআপ নেওয়া পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। যেমন- ব্রণ, লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অনুজ্জ্বল ত্বকের মতো সমস্যা দেখা দেয়। মেকআপের কারণে অকাল বার্ধক্য ঘটতে পারে। অতিরিক্ত মেকআপ ব্যবহারের কারণে ত্বকের গুণও হারিয়ে যেতে পারে। ত্বক শুষ্ক, সংবেদনশীল এবং লাবণ্যহীন দেখা যায়। ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্যারাবেনবিহীন এবং গ্লুটেনবিহীন প্রসাধনী অপরিহার্য। কারণ উজ্জ্বল ত্বক বলতে কিছু না, গ্লাস ত্বকই (মসৃণ, কোমল ও দাগহীন) আসল।

লেখক : স্কিন স্পেশালিস্ট, বিউটি অ্যান্ড সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন