একনজরে নির্বাচনের ফলাফল
jugantor
একনজরে নির্বাচনের ফলাফল

   

১৬ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় পরিষদ নির্বাচন

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ৬-দফার ভিত্তিতে পাকিস্তানি জাতীয় পরিষদে ৩১৩টি আসনের মধ্যে পূর্বপাকিস্তানের জন্য নির্দিষ্টকৃত ১৬২টি এলাকাভিত্তিক আসনের ১৬০টি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিপরীতে পিএনএল থেকে দাঁড়িয়েছিলেন আমেনা বেগম। যিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দীর্ঘদিন রাজনীতি করেছেন একই দলে। বঙ্গবন্ধু ঢাকা-৯ নির্বাচনী আসন থেকে তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু পেয়েছিলেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৮৪৩ ভোট। আমেনা বেগম পেয়েছিলেন ২ হাজার ২৪৫ ভোট। ১৯৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর দল নিরঙ্কুশ ভোটে জয়লাভ করে।

১৯৭১ সালের ১ মার্চ সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৭ নারী এম.এন.এ (মেম্বার অব ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি) নির্বাচিত হন। তারা হলেন- মহিলা আসন-১ নূরজাহান মুরশিদ, মহিলা আসন-২ রাফিয়া আকতার ডলি, মহিলা আসন-৩ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মহিলা আসন-৪ মমতাজ বেগম, মহিলা আসন-৫ রাজিয়া বানু, মহিলা আসন-৬ তসলিমা আবেদ এবং মহিলা আসন-৭ বদরুন্নেছা আহম্মদ। ৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের সবকটি মিলে ১৬৭টি আসন পেয়ে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে সক্ষম হয়।

১৯৭৩ সালের জাতীয় নির্বাচন

১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭৩-এর জাতীয় নির্বাচন ৩০০ আসনে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়। ৩০১. তসলিমা আবেদ, ৩০২. অধ্যাপিকা নাজমা শামীমা লাইজু, ৩০৩. জাহানারা রব, ৩০৪. রাজিয়া বানু, ৩০৫. অধ্যাপিকা ফরিদা রহমান, ৩০৬. অধ্যাপিকা আজরা আলী, ৩০৭. রাফিয়া আখতার ডলি, ৩০৮. খুরশীদা ময়েজ উদ্দীন, ৩০৯. সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, ৩১০. নূরজাহান মুরশিদ, ৩১১. কনিকা বিশ্বাস, ৩১২. আবেদা চৌধুরী, ৩১৩. অধ্যাপিকা মমতাজ বেগম, ৩১৪. আর্জুমান্দ বানু এবং ৩১৫. সুদীপ্তা দেওয়ান আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৭৩ সালের নির্বাচনে দু’জন নারীকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাদের মধ্যে একজন বদরুন্নেছা আহম্মদ। বদরুন্নেছা আহম্মদ এমপি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। নূরজাহান মুরশিদ সমাজকল্যাণ ও পরিবার পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

বঙ্গবন্ধু নারীর ক্ষমতায়নের যে বীজ বুনেছিলেন, সেই অবারিত প্রবাহ ধরে রেখেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সরকারের সময়ে বাংলাদেশ নারীদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ক্ষমতায়ন অর্জনে গণতান্ত্রিক বিশ্বে একটি অনন্য নজির স্থাপন করেছে। সরকার প্রধান, সংসদ নেতা, সংসদ উপনেতা, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা এবং সংসদের স্পিকার সবাই নারী। নারীরা এখন সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, প্রশাসন, পুলিশ, বৈমানিক, বিচারক, সাংবাদিকতা, আইন ব্যবসা ইত্যাদি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রসহ সমাজের সব স্তরে একটি নেতৃত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন। তারা কৃষি উন্নয়নে আরও বেশি ফলপ্রসূ অবদান রাখছে। আজ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের অসমাপ্ত সোনার বাংলা সারা বিশ্বে নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।

 

একনজরে নির্বাচনের ফলাফল

  
১৬ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় পরিষদ নির্বাচন

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ৬-দফার ভিত্তিতে পাকিস্তানি জাতীয় পরিষদে ৩১৩টি আসনের মধ্যে পূর্বপাকিস্তানের জন্য নির্দিষ্টকৃত ১৬২টি এলাকাভিত্তিক আসনের ১৬০টি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিপরীতে পিএনএল থেকে দাঁড়িয়েছিলেন আমেনা বেগম। যিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দীর্ঘদিন রাজনীতি করেছেন একই দলে। বঙ্গবন্ধু ঢাকা-৯ নির্বাচনী আসন থেকে তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু পেয়েছিলেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৮৪৩ ভোট। আমেনা বেগম পেয়েছিলেন ২ হাজার ২৪৫ ভোট। ১৯৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর দল নিরঙ্কুশ ভোটে জয়লাভ করে।

১৯৭১ সালের ১ মার্চ সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৭ নারী এম.এন.এ (মেম্বার অব ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি) নির্বাচিত হন। তারা হলেন- মহিলা আসন-১ নূরজাহান মুরশিদ, মহিলা আসন-২ রাফিয়া আকতার ডলি, মহিলা আসন-৩ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মহিলা আসন-৪ মমতাজ বেগম, মহিলা আসন-৫ রাজিয়া বানু, মহিলা আসন-৬ তসলিমা আবেদ এবং মহিলা আসন-৭ বদরুন্নেছা আহম্মদ। ৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের সবকটি মিলে ১৬৭টি আসন পেয়ে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে সক্ষম হয়।

১৯৭৩ সালের জাতীয় নির্বাচন

১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৭৩-এর জাতীয় নির্বাচন ৩০০ আসনে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়। ৩০১. তসলিমা আবেদ, ৩০২. অধ্যাপিকা নাজমা শামীমা লাইজু, ৩০৩. জাহানারা রব, ৩০৪. রাজিয়া বানু, ৩০৫. অধ্যাপিকা ফরিদা রহমান, ৩০৬. অধ্যাপিকা আজরা আলী, ৩০৭. রাফিয়া আখতার ডলি, ৩০৮. খুরশীদা ময়েজ উদ্দীন, ৩০৯. সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, ৩১০. নূরজাহান মুরশিদ, ৩১১. কনিকা বিশ্বাস, ৩১২. আবেদা চৌধুরী, ৩১৩. অধ্যাপিকা মমতাজ বেগম, ৩১৪. আর্জুমান্দ বানু এবং ৩১৫. সুদীপ্তা দেওয়ান আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৭৩ সালের নির্বাচনে দু’জন নারীকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাদের মধ্যে একজন বদরুন্নেছা আহম্মদ। বদরুন্নেছা আহম্মদ এমপি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। নূরজাহান মুরশিদ সমাজকল্যাণ ও পরিবার পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

বঙ্গবন্ধু নারীর ক্ষমতায়নের যে বীজ বুনেছিলেন, সেই অবারিত প্রবাহ ধরে রেখেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সরকারের সময়ে বাংলাদেশ নারীদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ক্ষমতায়ন অর্জনে গণতান্ত্রিক বিশ্বে একটি অনন্য নজির স্থাপন করেছে। সরকার প্রধান, সংসদ নেতা, সংসদ উপনেতা, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা এবং সংসদের স্পিকার সবাই নারী। নারীরা এখন সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, প্রশাসন, পুলিশ, বৈমানিক, বিচারক, সাংবাদিকতা, আইন ব্যবসা ইত্যাদি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রসহ সমাজের সব স্তরে একটি নেতৃত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন। তারা কৃষি উন্নয়নে আরও বেশি ফলপ্রসূ অবদান রাখছে। আজ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের অসমাপ্ত সোনার বাংলা সারা বিশ্বে নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।